ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন

দ্রব্যমূল্যের দৌরাত্ম্য: বাঁচার জন্য মানুষ আর কত লড়বে?

রিপোর্টার মোঃজাহিদুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বাজারে প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন সাধারণ মানুষের জীবনে বিষাদের ছায়া ফেলেছে। চাল, আলু, পেঁয়াজ, চিনি, গুঁড়ো দুধ, ভোজ্যতেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম এমন মোহনায় মিলেছে যে, মানুষ খাবার টেবিলে কী রাখবে, কতটুকু রাখবে বা কি বাদ দিবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তদের কাছে বাজারে যাওয়াও যেন এক ভয়ের নাম।

এক সময় বলা হয়েছিল, ভাতের বিকল্প হিসেবে আলু খেতে। অথচ এখন সেই আলুর দামই শত টাকা ছুঁয়েছে! সাধারণ মানুষের জীবনে যেন কোনো স্বস্তি নেই—চাল, ডাল, নুন থেকে শুরুজ নতুন নতুন অজুহাত তুলে ভোক্তাদের পকেট কেটে নিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা হলেও, সিন্ডিকেটের লোভ আর ক্ষমতার কাছে তা অসহায় হয়ে পড়েছে। ভারত থেকে ৩০ টাকায় আসা আলু এ দেশে পৌঁছে কেন ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, তার জবাব কে দেবে?

একদিকে সাধারণ মানুষের সীমাহীন কষ্ট, অন্যদিকে সিন্ডিকেটের নির্মম মুনাফা লোভ—এই বৈষম্যের দায় কার? বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কি সত্যিই জনগণের পক্ষে কাজ করছে, নাকি সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় আছে?

সাধারণ মানুষ এখন একটাই প্রশ্ন তুলছে—আমাদের বাঁচার অধিকার কি শেষ হয়ে গেছে? খাদ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজন পূরণেও যদি মানুষ দিশেহারা হয়, তবে এই সমাজ কেমন উন্নতির কথা বলে?

এখানে সরকারের দায়িত্ব শুধু তদারকিতেই সীমাবদ্ধ নয়; কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে দ্রব্যমূল্যের লাগাম কখনোই টানা সম্ভব হবে না।

মানুষ আর কত লড়বে বাঁচার জন্য? এখনই সময় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার, নয়তো এই সংকট আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ধ্বংস করে দেবে। মনে র�

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দ্রব্যমূল্যের দৌরাত্ম্য: বাঁচার জন্য মানুষ আর কত লড়বে?

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশের বাজারে প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন সাধারণ মানুষের জীবনে বিষাদের ছায়া ফেলেছে। চাল, আলু, পেঁয়াজ, চিনি, গুঁড়ো দুধ, ভোজ্যতেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম এমন মোহনায় মিলেছে যে, মানুষ খাবার টেবিলে কী রাখবে, কতটুকু রাখবে বা কি বাদ দিবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তদের কাছে বাজারে যাওয়াও যেন এক ভয়ের নাম।

এক সময় বলা হয়েছিল, ভাতের বিকল্প হিসেবে আলু খেতে। অথচ এখন সেই আলুর দামই শত টাকা ছুঁয়েছে! সাধারণ মানুষের জীবনে যেন কোনো স্বস্তি নেই—চাল, ডাল, নুন থেকে শুরুজ নতুন নতুন অজুহাত তুলে ভোক্তাদের পকেট কেটে নিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা হলেও, সিন্ডিকেটের লোভ আর ক্ষমতার কাছে তা অসহায় হয়ে পড়েছে। ভারত থেকে ৩০ টাকায় আসা আলু এ দেশে পৌঁছে কেন ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, তার জবাব কে দেবে?

একদিকে সাধারণ মানুষের সীমাহীন কষ্ট, অন্যদিকে সিন্ডিকেটের নির্মম মুনাফা লোভ—এই বৈষম্যের দায় কার? বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কি সত্যিই জনগণের পক্ষে কাজ করছে, নাকি সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় আছে?

সাধারণ মানুষ এখন একটাই প্রশ্ন তুলছে—আমাদের বাঁচার অধিকার কি শেষ হয়ে গেছে? খাদ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজন পূরণেও যদি মানুষ দিশেহারা হয়, তবে এই সমাজ কেমন উন্নতির কথা বলে?

এখানে সরকারের দায়িত্ব শুধু তদারকিতেই সীমাবদ্ধ নয়; কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে দ্রব্যমূল্যের লাগাম কখনোই টানা সম্ভব হবে না।

মানুষ আর কত লড়বে বাঁচার জন্য? এখনই সময় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার, নয়তো এই সংকট আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ধ্বংস করে দেবে। মনে র�