নাগরিক কমিটির উপর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জজকোর্টে হামলা প্রসঙ্গ সংবাদ সম্মেলন ।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

১৫ই ডিসেম্বর সকাল ১০.৩০ ঘটিকায়, জাতীয় নাগরিক কমিটি নাসিরনগর উপজেলার পূর্ব নির্ধারিত মতবিনিময় সভাস্থল থেকে আওয়ামীলীগ নেতার ২০২৩ সালের দায়েরকৃত আইসিটি অ্যাক্টের কালো আইনের মামলায় নাসিরনগরের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান খোকনকে নাছিরনগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। ঘটনা জানতে পেরে আমি নাগরিক কমিটির যুগ্ম মূখ্য সংগঠক আতাউল্লাহ, আসাদকে ছাড়াতে নাছিরনগর থানায় যায়। পুলিশ সুপারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে পুলিশ সুপার ভুল তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতারের জন্য দু:খ প্রকাশ করে এবং এখন তা বিচারিক বিষয় বলে জানান। দ্রুত আদালতে আসতে হবে বিধায় আমাকে অবশ্য পুলিশের গাড়িতে করে থানা থেকে আদালতে নিয়ে আসেন।
পরবর্তীতে নানান অজুহাত, তালবাহানা ও বিলম্ব করে বিকাল ৪.৫০ ঘটিকায় আদালত আসাদুজ্জামানকে জামিন দেয়। জামিনের পর বিকাল ৫ টায় আমি, আমার সহযোদ্ধা জেলা সংগঠক জিহান মাহমুদ, সদর উপজেলা সংগঠক হাসান নাছিমুল রাসেলকে নিয়ে আদালত ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খাই। ক্যান্টিনের পাশেই ছিল জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এর কক্ষ। আদালত পাড়ার ক্যান্টিন থেকে বের হবার পথে কসবা উপজেলার আমার এক পরিচিত লোক (ফয়েজ) আমাকে পরিচয় করিয়ে দিবে বলে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে নিয়ে যায়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. মফিজুর রহমান বাবুল তার সাথে পরিচয় পর্বের মধ্যেই, তার ইশারাই আমাদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দেয়। এবং তার সাথে থাকা এড.মিনহাজ ও তার পিওন কবির, সাথে থাকা আরো কয়েকজন আইনজীবী ও কিছু সাঙ্গপাঙ্গ আমাকে মারতে শুরু করে। আমাকে বাচাঁতে জিহান মাহমুদ ও রাসেল এগিয়ে আসলে কক্ষের ভিতর তাদের মারতে মারতে রক্তাক্ত করে। হত্যার উদ্দেশ্যে মারতে মারতে এক পর্যায়ে রুমের দরজা- লাইট বন্ধ করে দেয় বাবুল।কক্ষে আটকে থাকা অবস্থায় আমার ফেসবুক লাইভ থেকে জানতে পেরে আমাদের উদ্বার করতে এগিয়ে আসে আমাদের জেলার আন্দোলনকারী সহযোদ্ধা ও পুলিশ।পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, এই মফিজুর রহমান বাবুল হলেন আওমীলীগের জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই হত্যামামলার একজন আসামিহামলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে খালার পারিবারিক ঘটনা নামে মিথ্যা নাটক সাজায় আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল ও তার সহযোগী পুলিশ সুপার। উল্লেখ আমার মায়ের কোন বোন নাই।দেশের আইন-শৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থাকে পরিকল্পিত ভাবে বিনষ্ট করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম আদালতের পর পরিকল্পিতভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জজকোর্টে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়।উক্ত ঘটনার বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপারের মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে।আওয়ামীলীগ নেতা এড. মফিজুর রহমান বাবুল ও তার সহযোগী আওয়ামী দোসরদের আজকের মধ্যেই গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং মফিজ বাবুল সহ তার সাথে জড়িতদের বার কাউন্সিল সনদ বাতিল করতে হবে। আইনশৃংখলা বাহিনী সিসি টিভি ফুটেজ উদ্ধার করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বার্তাপ্রেরক
মো: আতাউল্লাহ
যুগ্ম মুখ্য সংগঠক।
জাতীয় নাগরিক কমিটি।















