ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

কিছু লোভী রাজনৈতিক দল আছে, যারা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে:মির্জা আব্বাস

রিপোর্টার পারভিন আক্তার
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫ ৫২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘কিছু লোভী রাজনীতিবিদ আছেন, কিছু লোভী রাজনৈতিক দল আছে, যারা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে। এই দলগুলো পাকিস্তান সৃষ্টির লগ্ন থেকে, ভারত বিভক্তি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শুধু বিরোধিতাই করে গেল, দেশপ্রেমের লেশমাত্র তাদের ভেতরে নাই।’

বুধবার, মার্চ ১২, ২০২৫, বিকেলে শাহজাহানপুর রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে থানা বিএনপি আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের তো আপত্তির কিছু নাই, দেশের লোক যদি ভোট দিয়ে আপনাদের ক্ষমতায় নেয়। আপত্তির কী আছে, ভোটে আসেন। ভোটকে ভয় পান কেন, নির্বাচনকে ভয় পান কেন আপনারা। এইটা না হলে নির্বাচন করা যাবে না, ওইটা না হলে নির্বাচন করা যাবে না। আরে ভাই, ১৭ বছরে বহু নেতার ফাঁসি হয়েছে, ১৭ বছরে বহু নেতা-কর্মী গুম হয়েছে, বহু নেতা-কর্মী খুন হয়েছে। এই ১৭ বছরে এই মঞ্চে যাঁরা আছেন মা-বোনসহ কমবেশি বহু লোক জেল খেটেছেন। এইটা কি খামোখা করেছি আমরা?’

তিনি বলেন, ‘আমরা বুকের তাজা রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছি গণতন্ত্রের জন্য, কথা বলার জন্য, ভোটের অধিকারের জন্য। আজকে ভোটের সময় যখন এল, তখন বলেন এইটা না করলে ভোট হবে না, ওইটা না করলে ভোট হবে না—কেনরে ভাই!’ তিনি বলেন, ‘আজকে যারাই লম্বা লম্বা কথা বলেন, বুকে হাত দিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আপনাদের কয়জন নেতা-কর্মী শাহাদাত বরণ করেছেন। বিএনপির ৪২২ জন নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন এক মাসে। আপনাদের কয়জন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো দেশটাকে বাপের তালুক ভাবছিল। যে কারণে তারা যা খুশি তাই বলেছিল, অপানরাও কী তাই ভাবেন? এই বাংলাদেশ কারও তালুকদারি নয়। সুতরাং কথাবার্তা বলার সময় হিসাব করে বলবেন, যাতে আমাদেরও বেহিসাবি কথা বলতে না হয়।’

গতকাল মঙ্গলবার দলীয় এক অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি বক্তব্যে উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি কালকে একটা বক্তব্যে বলেছি, আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা আজকাল অনেক দলের খারাপ কথা লেখেন না। ভালো কথাগুলো হয়তো লেখে দু-একটা। বিএনপির ভালো কথাগুলো লেখে না, খারাপ কথাগুলো লিখে দেয়। …অপকর্ম করে তারা, চাঁদাবাজি করে তারা, দুষ্কর্ম করে তারা—চাপিয়ে দেয় বিএনপির ওপরে। এসব চাঁদাবাজদের প্রতিরোধ করতে হবে, প্রতিহত করতে হবে।

জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমার একটা এলাকায় ১০০ কর্মী আছে। দুইটা কর্মী খারাপ, বদমায়েশি করে, অপকর্ম করে। এটা যদি হয়, আমরা ৯৮ জন কর্মী তো আর খারাপ না। সুতরাং দুজন লোকের জন্য আমার সব কর্মী কালিমালিপ্ত হবে, এটা হতে দেওয়া যাবে না। যদি কোনো চাঁদাবাজ ঢুকে পড়ে বা (দলে) আসে। অনেক চান্দাবাজ আওয়ামী লীগের কিন্তু এখন দলের (বিএনপি) মধ্যে আছে। সব দলেই আছে, বিএনপিতে আছে, জামায়াতে আছে…সব দলেই কমবেশি আশ্রয় নিয়ে নিয়েছে। এগুলোকে চিহ্নিত করেন, দল থেকে বের করে দেন, নইলে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।’

বিএনপির দেওয়া ৩১ দফা রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার প্রস্তাবের উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের সংস্কার কমিশনগুলো প্রস্তাবে নতুন এমন কিছু নেই, যা ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া ৩১ দফায় নেই।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখন দেশে অনেক রাজনৈতিক নেতারা তৈরি হয়েছেন, কিংবা কেউ কেউ তৈরি করছেন। তাঁরা বিভিন্ন রকম কথা বলছেন। যেসব কথার অর্থ, আমাদের এই ৩১ দফায় আছে এবং সেগুলো জাতির সামনে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি বলে আমি বিশ্বাস করি।’ এ প্রসঙ্গে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কত দিনে সংস্কার বাস্তবায়ন করবেন আমি বুঝি না। আমি এটা বুঝি, সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনটা যদি দিয়ে দেন, যতটুকু পারেন সংস্কার করেন, বাকিটা নির্বাচনের পরে নির্বাচিত সরকার করবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারকাজের উল্লেখ করে আব্বাস বলেন, ‘আমি কিন্তু ওনাদের সংস্কারে নতুন এমন কিছু পাই নাই, যেটা আমাদের ৩১ দফায় নেই। সুতরাং সংস্কার সংস্কার করতে করতে নির্বাচন দেরি হয়ে যাবে, এটা অমূলক নয়, এ ধারণা জাতি করছে। কিংবা এর অসিলা ধরে নির্বাচন পেছানো, এ ধারণাও অমূলক নয়। আমি আশা করব, সরকার ৩১ দফাকে কিছুটা এদিক-ওদিক করে হলেও সংস্কার দ্রুত শেষ করে নিতে পারে এবং দ্রুত জুন-জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা ওনারা দিতে পারে।’

এ প্রসঙ্গে আব্বাস বলেন, যদিও ওনারা বলেছেন, ডিসেম্বরে মধ্যে নির্বাচন দেবেন। কিন্তু কেন অযথা বিলম্ব হবে নির্বাচনের। নির্বাচন যদি দিতেই হয়, এখনই কেন নয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু আজকের কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ। কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিব, মির্জা খোকন, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ, কে সিকান্দার কাদির, সাইদুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, ইউনুস মৃধা, শাহজাহানপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলে রুবাইয়াত, যুবদল দক্ষিণের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক, কৃষক দল দক্ষিণের সভাপতি কামাল হোসেন, মহিলা দল দক্ষিণের সভাপতি রুমা আকতার প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কিছু লোভী রাজনৈতিক দল আছে, যারা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে:মির্জা আব্বাস

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘কিছু লোভী রাজনীতিবিদ আছেন, কিছু লোভী রাজনৈতিক দল আছে, যারা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে। এই দলগুলো পাকিস্তান সৃষ্টির লগ্ন থেকে, ভারত বিভক্তি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শুধু বিরোধিতাই করে গেল, দেশপ্রেমের লেশমাত্র তাদের ভেতরে নাই।’

বুধবার, মার্চ ১২, ২০২৫, বিকেলে শাহজাহানপুর রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে থানা বিএনপি আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের তো আপত্তির কিছু নাই, দেশের লোক যদি ভোট দিয়ে আপনাদের ক্ষমতায় নেয়। আপত্তির কী আছে, ভোটে আসেন। ভোটকে ভয় পান কেন, নির্বাচনকে ভয় পান কেন আপনারা। এইটা না হলে নির্বাচন করা যাবে না, ওইটা না হলে নির্বাচন করা যাবে না। আরে ভাই, ১৭ বছরে বহু নেতার ফাঁসি হয়েছে, ১৭ বছরে বহু নেতা-কর্মী গুম হয়েছে, বহু নেতা-কর্মী খুন হয়েছে। এই ১৭ বছরে এই মঞ্চে যাঁরা আছেন মা-বোনসহ কমবেশি বহু লোক জেল খেটেছেন। এইটা কি খামোখা করেছি আমরা?’

তিনি বলেন, ‘আমরা বুকের তাজা রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছি গণতন্ত্রের জন্য, কথা বলার জন্য, ভোটের অধিকারের জন্য। আজকে ভোটের সময় যখন এল, তখন বলেন এইটা না করলে ভোট হবে না, ওইটা না করলে ভোট হবে না—কেনরে ভাই!’ তিনি বলেন, ‘আজকে যারাই লম্বা লম্বা কথা বলেন, বুকে হাত দিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আপনাদের কয়জন নেতা-কর্মী শাহাদাত বরণ করেছেন। বিএনপির ৪২২ জন নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন এক মাসে। আপনাদের কয়জন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো দেশটাকে বাপের তালুক ভাবছিল। যে কারণে তারা যা খুশি তাই বলেছিল, অপানরাও কী তাই ভাবেন? এই বাংলাদেশ কারও তালুকদারি নয়। সুতরাং কথাবার্তা বলার সময় হিসাব করে বলবেন, যাতে আমাদেরও বেহিসাবি কথা বলতে না হয়।’

গতকাল মঙ্গলবার দলীয় এক অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি বক্তব্যে উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি কালকে একটা বক্তব্যে বলেছি, আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা আজকাল অনেক দলের খারাপ কথা লেখেন না। ভালো কথাগুলো হয়তো লেখে দু-একটা। বিএনপির ভালো কথাগুলো লেখে না, খারাপ কথাগুলো লিখে দেয়। …অপকর্ম করে তারা, চাঁদাবাজি করে তারা, দুষ্কর্ম করে তারা—চাপিয়ে দেয় বিএনপির ওপরে। এসব চাঁদাবাজদের প্রতিরোধ করতে হবে, প্রতিহত করতে হবে।

জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমার একটা এলাকায় ১০০ কর্মী আছে। দুইটা কর্মী খারাপ, বদমায়েশি করে, অপকর্ম করে। এটা যদি হয়, আমরা ৯৮ জন কর্মী তো আর খারাপ না। সুতরাং দুজন লোকের জন্য আমার সব কর্মী কালিমালিপ্ত হবে, এটা হতে দেওয়া যাবে না। যদি কোনো চাঁদাবাজ ঢুকে পড়ে বা (দলে) আসে। অনেক চান্দাবাজ আওয়ামী লীগের কিন্তু এখন দলের (বিএনপি) মধ্যে আছে। সব দলেই আছে, বিএনপিতে আছে, জামায়াতে আছে…সব দলেই কমবেশি আশ্রয় নিয়ে নিয়েছে। এগুলোকে চিহ্নিত করেন, দল থেকে বের করে দেন, নইলে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।’

বিএনপির দেওয়া ৩১ দফা রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার প্রস্তাবের উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের সংস্কার কমিশনগুলো প্রস্তাবে নতুন এমন কিছু নেই, যা ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া ৩১ দফায় নেই।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখন দেশে অনেক রাজনৈতিক নেতারা তৈরি হয়েছেন, কিংবা কেউ কেউ তৈরি করছেন। তাঁরা বিভিন্ন রকম কথা বলছেন। যেসব কথার অর্থ, আমাদের এই ৩১ দফায় আছে এবং সেগুলো জাতির সামনে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি বলে আমি বিশ্বাস করি।’ এ প্রসঙ্গে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কত দিনে সংস্কার বাস্তবায়ন করবেন আমি বুঝি না। আমি এটা বুঝি, সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনটা যদি দিয়ে দেন, যতটুকু পারেন সংস্কার করেন, বাকিটা নির্বাচনের পরে নির্বাচিত সরকার করবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারকাজের উল্লেখ করে আব্বাস বলেন, ‘আমি কিন্তু ওনাদের সংস্কারে নতুন এমন কিছু পাই নাই, যেটা আমাদের ৩১ দফায় নেই। সুতরাং সংস্কার সংস্কার করতে করতে নির্বাচন দেরি হয়ে যাবে, এটা অমূলক নয়, এ ধারণা জাতি করছে। কিংবা এর অসিলা ধরে নির্বাচন পেছানো, এ ধারণাও অমূলক নয়। আমি আশা করব, সরকার ৩১ দফাকে কিছুটা এদিক-ওদিক করে হলেও সংস্কার দ্রুত শেষ করে নিতে পারে এবং দ্রুত জুন-জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা ওনারা দিতে পারে।’

এ প্রসঙ্গে আব্বাস বলেন, যদিও ওনারা বলেছেন, ডিসেম্বরে মধ্যে নির্বাচন দেবেন। কিন্তু কেন অযথা বিলম্ব হবে নির্বাচনের। নির্বাচন যদি দিতেই হয়, এখনই কেন নয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু আজকের কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ। কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিব, মির্জা খোকন, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ, কে সিকান্দার কাদির, সাইদুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, ইউনুস মৃধা, শাহজাহানপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলে রুবাইয়াত, যুবদল দক্ষিণের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক, কৃষক দল দক্ষিণের সভাপতি কামাল হোসেন, মহিলা দল দক্ষিণের সভাপতি রুমা আকতার প্রমুখ।