ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

মহসিনের পেশা এখন প্রতারিত করে বিয়ে করা এবং টাকার জন্য তার স্ত্রীর ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রিপোর্টার মনির মোশাররফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামের আব্দুল মতিন’র পুত্র মো. মহসিন নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ কারী নারী সুমি আক্তার (ছদ্মনাম) জানায় মহসিন একজন প্রতারক। সে টাকার জন্য নানা কৌশলে প্রতারনা করে জায়গায় জায়গায় বিয়ে করেন এবং টাকার জন্য নারীকে নির্যাতন করেন। এ যেনো তার পেশায় পরিনিত হয়েছে।

নির্যাতিতা ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জানায়, গত ২০/০৩/২০২২ ইং তারিখে পারিবারিক ভাবে মহসিনের সাথে সুমি আক্তারের ১০,০০০০০/= দশ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য করে বিয়ে হয়। কিছু দিন না যেতেই ভুক্তভোগী সুমি জানতে পায় মহসিনের আরো দুটো বিয়ে করা বউ আছে এবং একজনকে তাহার বাড়িতে নিয়ে আসলে ভুক্তভোগী তাহার আগের অতীতের ঘটে যাওয়া ঘটনা বিবেচনা করে সংসার করতে থাকে, কিন্তু মহসিন তার আরেক সহধর্মিণী সুমাইয়া আক্তারকে নিয়ে ভুক্তভোগী সুমির কাছ থেকে ব্যবসার জন্য প্রথমে প্রায় দুই লাখ পনেরো হাজার টাকা নেয়, এর কিছু দিন পর মহসিন আবার সুমিকে টাকার জন্য বললে ভুক্তভোগী সুমি তাহার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া অলংকার প্রতারক মহসিন এর প্রলোভনে ও কথায় বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী সুমি জানায়, তাহার ব্যবহারের সব অলংকার আনুমানিক ৫ ভরি স্বর্নালংকার মহসিন বন্ধক দিয়ে দেয়। কিছু দিন পর সবকিছু শেষ হলে পুনরায় টাকার জন্য ভুক্তভোগী সুমিকে চাপ দিলে একপর্যায়ে সুমি আর টাকা দিতে পারবে না বললে মহসিন এবং তার অন্য স্ত্রী সুমাইয়া তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং ভুক্তভোগী সুমি আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং তাহার জীবনের নিরপওার ও সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য নারী শিশু নির্যাতন দমনআইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩ এর ১১( গ) ৩০ দায়ের করে এবং মারপিট করার উক্ত বিষয়ে বিজ্ঞ সিপি ৩১১/ ২৪ মুলে মামলা হয়, মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মহসিন ৭/৩/২০২৫ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকায় ভুক্তভোগী সুমি তাহার বোনের বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় একা পাইয়া মামলা তুলে নেওয়া জন্য অপহরণ সহ হত্যার হুমকি দেয়। পরে পথচারী দেখলে মহসিন স্থান ত্যাগ করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহসিনের গ্রামের একজন জানায়, সে ৬ টার অধিক বিয়ে করেছে এবং তার বিরুদ্ধে দুটি চেকের মামলায় তার সাজা হয়। এই পর্যন্ত একটি মেয়ে তাকে তালাক দিয়ে নিদাবী জীবন বাঁচানোর জন্য তিনজন উপযুক্ত ছেলে মেয়ে নিয়ে চলে যায় এবং বলেন তাহার মতো মানুষের সঠিক বিচার দ্রুত না হলে আরো অনেক নারীর জীবন নষ্ট হবে।
এবিষয়ে সুষ্ঠ বিচারের দাবি করে সুমি জানান, তাহার বাবার বাড়িতে ভুক্তভোগী সুমির গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে এবং প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। তিনি সরকারের প্রতি ওই প্রতারকের সুবিচারের দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মহসিনের পেশা এখন প্রতারিত করে বিয়ে করা এবং টাকার জন্য তার স্ত্রীর ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামের আব্দুল মতিন’র পুত্র মো. মহসিন নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ কারী নারী সুমি আক্তার (ছদ্মনাম) জানায় মহসিন একজন প্রতারক। সে টাকার জন্য নানা কৌশলে প্রতারনা করে জায়গায় জায়গায় বিয়ে করেন এবং টাকার জন্য নারীকে নির্যাতন করেন। এ যেনো তার পেশায় পরিনিত হয়েছে।

নির্যাতিতা ভুক্তভোগী সুমি আক্তার জানায়, গত ২০/০৩/২০২২ ইং তারিখে পারিবারিক ভাবে মহসিনের সাথে সুমি আক্তারের ১০,০০০০০/= দশ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য করে বিয়ে হয়। কিছু দিন না যেতেই ভুক্তভোগী সুমি জানতে পায় মহসিনের আরো দুটো বিয়ে করা বউ আছে এবং একজনকে তাহার বাড়িতে নিয়ে আসলে ভুক্তভোগী তাহার আগের অতীতের ঘটে যাওয়া ঘটনা বিবেচনা করে সংসার করতে থাকে, কিন্তু মহসিন তার আরেক সহধর্মিণী সুমাইয়া আক্তারকে নিয়ে ভুক্তভোগী সুমির কাছ থেকে ব্যবসার জন্য প্রথমে প্রায় দুই লাখ পনেরো হাজার টাকা নেয়, এর কিছু দিন পর মহসিন আবার সুমিকে টাকার জন্য বললে ভুক্তভোগী সুমি তাহার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া অলংকার প্রতারক মহসিন এর প্রলোভনে ও কথায় বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী সুমি জানায়, তাহার ব্যবহারের সব অলংকার আনুমানিক ৫ ভরি স্বর্নালংকার মহসিন বন্ধক দিয়ে দেয়। কিছু দিন পর সবকিছু শেষ হলে পুনরায় টাকার জন্য ভুক্তভোগী সুমিকে চাপ দিলে একপর্যায়ে সুমি আর টাকা দিতে পারবে না বললে মহসিন এবং তার অন্য স্ত্রী সুমাইয়া তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং ভুক্তভোগী সুমি আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং তাহার জীবনের নিরপওার ও সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য নারী শিশু নির্যাতন দমনআইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩ এর ১১( গ) ৩০ দায়ের করে এবং মারপিট করার উক্ত বিষয়ে বিজ্ঞ সিপি ৩১১/ ২৪ মুলে মামলা হয়, মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মহসিন ৭/৩/২০২৫ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকায় ভুক্তভোগী সুমি তাহার বোনের বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় একা পাইয়া মামলা তুলে নেওয়া জন্য অপহরণ সহ হত্যার হুমকি দেয়। পরে পথচারী দেখলে মহসিন স্থান ত্যাগ করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহসিনের গ্রামের একজন জানায়, সে ৬ টার অধিক বিয়ে করেছে এবং তার বিরুদ্ধে দুটি চেকের মামলায় তার সাজা হয়। এই পর্যন্ত একটি মেয়ে তাকে তালাক দিয়ে নিদাবী জীবন বাঁচানোর জন্য তিনজন উপযুক্ত ছেলে মেয়ে নিয়ে চলে যায় এবং বলেন তাহার মতো মানুষের সঠিক বিচার দ্রুত না হলে আরো অনেক নারীর জীবন নষ্ট হবে।
এবিষয়ে সুষ্ঠ বিচারের দাবি করে সুমি জানান, তাহার বাবার বাড়িতে ভুক্তভোগী সুমির গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে এবং প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। তিনি সরকারের প্রতি ওই প্রতারকের সুবিচারের দাবি করেন।