*বরিশাল ২ আসনে নির্বাচনী সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ ইজাজুল ইসলাম শিবলী: সংগ্রামের পথ বেয়ে রাজনীতির মঞ্চে*

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:১৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫ ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল জেলার একজন লড়াকু সচেতন সৈনিক , সংগ্রামী ও সাহসী যুবক মোঃ ইজাজুল ইসলাম শিবলী। তিনি শুধু একজন নাম নয়, বরং একটি প্রজন্মের প্রতিচ্ছবি, যিনি বারবার জনস্বার্থে রাস্তায় নেমেছেন এবং প্রমাণ করেছেন—পরিবর্তন সম্ভব।২০১৮ সালে তিনি ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় সংগঠক, যেখানে লাখো শিক্ষার্থীর কণ্ঠস্বর হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে “নিরাপদ সড়ক চাই” আন্দোলনে যুক্ত হয়ে তিনি যুবসমাজকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ২০২৩ সালে মুদি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরব হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। সবশেষ ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ শাড়ির নেতৃত্ব দিয়েছেন।এখন তিনি আরও বড় দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। বরিশাল-২ আসন (উজিরপুর-বানারীপাড়া) থেকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য, তরুণদের কর্মসংস্থান, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ, এবং স্বচ্ছ রাজনৈতিক নেতৃত্ব।ইজাজুল ইসলাম শিবলীর উদ্দেশ্যের নিম্নরূপ তুলে ধরা হলো।আমার লক্ষ এবং উদ্দেশ্যের,,,,, শিরোনাম: “তরুণদের শক্তি উন্নয়নের গতি”আমার প্রিয় উজিরপুর, বানারীপাড়ার নদীমাতৃক অঞ্চলের জনগণ।এই অঞ্চল প্রকৃতির দান হলেও কর্মসংস্থানের দিক থেকে দীর্ঘদিন অবহেলিত। বিশেষ করে আমাদের তরুণ সমাজ আজ কর্মহীনতার অভিশাপে জর্জরিত। আমি বিশ্বাস করি, তরুণদের সৃজনশীলতা, শ্রম ও মেধা দিয়েই বদলে দেওয়া যায় আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই আসন্ন নির্বাচনে আমি আপনাদের সামনে একটি বাস্তবভিত্তিক, কর্মমুখী ও তরুণবান্ধব ইশতেহার উপস্থাপন করছি।*মূল প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা:*তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ: – স্থানীয় নদী ও জলসম্পদ কেন্দ্র করে জেলেদের জন্য আধুনিক মাছ চাষ প্রকল্প চালু করবো। তরুণদের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (SME) গড়ে তোলার জন্য বিনা জামানতে সহজশর্তে ঋণ সুবিধা।*কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ: – প্রতিটি ইউনিয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে কাজের সুযোগ তৈরি।*আধুনিক কৃষি ও নৌপরিবহন উন্নয়ন:- নদীকেন্দ্রিক কৃষিকে উন্নত করতে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা চালু করা হবে। – নদীভিত্তিক পরিবহন ও পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি করে নতুন কর্মসংস্থান।তরুণ উদ্যোক্তা ফোরাম গঠন: – প্রতিটি ওয়ার্ডে “তরুণ উদ্যোক্তা ক্লাব” গঠন করে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও ব্যবসায়িক পরামর্শ প্রদান।শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে মানসিক উন্নয়ন:গ্রামে গ্রামে পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র চালু করে যুব সমাজকে নৈতিক ও সৃজনশীল পথে পরিচালিত করবো।*মাদক ও সন্ত্রাস দমন: “মাদকমুক্ত যুবসমাজ” কর্মসূচির মাধ্যমে সচেতনতা, কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা সেবা। – প্রতিটি এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং চালু করে সন্ত্রাস ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা ও সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা।তরুণদের জন্য ‘নতুন দিগন্ত’ প্রোগ্রাম: “একটি দক্ষতা, একটি জীবন” – এই নীতিতে কাজ করে প্রত্যেক তরুণকে একাধিক কর্মদক্ষতায় প্রশিক্ষণ। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করে গঠনমূলক সময় ব্যয় নিশ্চিতকরণ।চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা:প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ২৪/৭ এমার্জেন্সি চিকিৎসা সেবা চালু। ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা দল ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি। – মা ও শিশুস্বাস্থ্যে বিশেষ নজর: গর্ভবতী মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড, ফ্রি চেকআপ ও পুষ্টিকর খাবারের সহায়তা। অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য কম খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা।উপসংহার:তারি ধারাবাহিকতায়,এই ইশতেহার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি পরিকল্পিত ভবিষ্যতের রূপরেখা। তরুণদের কর্মে, সমাজকে সুস্থতায়, আর আগামীকে নিরাপদ উজিরপুর ও বানারীপাড়া গড়তে নির্বাচিত হলে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।*ভোট দিন সৎ নেতৃত্বে, সুন্দর আগামীর পক্ষে।*ভোট দিন উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শান্তি আর মাদক এর বিপক্ষে।জনতার অধিকার,আমাদের অঙ্গিকার,আমাদের অঙ্গিকার,দেশ হবে জনতার,মোঃ ইজাজুল ইসলাম শিবলীসভাপতি বরিশাল জেলা যুব অধিকার পরিষদ।
















