ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সনদ বঞ্চিত ও ভাইবাতে বৈষম্যের অভিযোগে প্রার্থীদের আন্দোলন

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সনদ বঞ্চিত হওয়া এবং ভাইভা বোর্ডে বৈষম্যের শিকার প্রার্থীরা আবারও তাদের আন্দোলনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আন্দোলনরত প্রার্থীদের দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যোগ্যতা অর্জন করেও অনেককে অযৌক্তিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে হাজারো মেধাবী প্রার্থী শিক্ষকের মর্যাদাপূর্ণ পেশায় প্রবেশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের আশ্বাস দেন যে, বৈষম্য ও অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে। প্রার্থীদের অভিযোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে একটি ইতিবাচক সমাধানের পথে হাঁটবে মন্ত্রণালয়।
তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, অতীতেও একাধিকবার একই ধরনের আশ্বাস দেওয়া হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সুতরাং, এবার যদি সচিব পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হন, তাহলে তারা আরো কঠিন কর্মসূচি, এমনকি লাগাতার অনশন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমরা শিক্ষক হতে চাই, রাস্তায় বসে আন্দোলন করতে চাই না। কিন্তু ন্যায্য অধিকার না পেলে আন্দোলনের পথ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মেধাবীরা যদি বঞ্চিত হন, তবে শিক্ষার মানও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বৈষম্য সংক্রান্ত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে সবকিছু যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
অন্যদিকে আন্দোলনরত প্রার্থীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সামনে যদি ইতিবাচক সমাধান না আসে, তবে রাজধানীসহ সারা দেশে কঠোর কর্মসূচির আভাস দিয়েছেন তারা।
আন্দোলনকারীদের এই অবস্থান এবং সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন এখন সময়ের অপেক্ষা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সনদ বঞ্চিত ও ভাইবাতে বৈষম্যের অভিযোগে প্রার্থীদের আন্দোলন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সনদ বঞ্চিত হওয়া এবং ভাইভা বোর্ডে বৈষম্যের শিকার প্রার্থীরা আবারও তাদের আন্দোলনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আন্দোলনরত প্রার্থীদের দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যোগ্যতা অর্জন করেও অনেককে অযৌক্তিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে হাজারো মেধাবী প্রার্থী শিক্ষকের মর্যাদাপূর্ণ পেশায় প্রবেশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের আশ্বাস দেন যে, বৈষম্য ও অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে। প্রার্থীদের অভিযোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে একটি ইতিবাচক সমাধানের পথে হাঁটবে মন্ত্রণালয়।
তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, অতীতেও একাধিকবার একই ধরনের আশ্বাস দেওয়া হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সুতরাং, এবার যদি সচিব পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হন, তাহলে তারা আরো কঠিন কর্মসূচি, এমনকি লাগাতার অনশন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমরা শিক্ষক হতে চাই, রাস্তায় বসে আন্দোলন করতে চাই না। কিন্তু ন্যায্য অধিকার না পেলে আন্দোলনের পথ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মেধাবীরা যদি বঞ্চিত হন, তবে শিক্ষার মানও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বৈষম্য সংক্রান্ত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে সবকিছু যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
অন্যদিকে আন্দোলনরত প্রার্থীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সামনে যদি ইতিবাচক সমাধান না আসে, তবে রাজধানীসহ সারা দেশে কঠোর কর্মসূচির আভাস দিয়েছেন তারা।
আন্দোলনকারীদের এই অবস্থান এবং সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন এখন সময়ের অপেক্ষা।