সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আত্মপ্রকাশ: বহুজাতিসত্তার ঐক্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: জসিম সরদার
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল জাতি-গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে নতুন সামাজিক সংগঠন সিএইচটি সম্প্রীতি জোট” (CHT Harmony Alliance – CHA) আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী নির্যাতিত আমজনতা দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী হাসান এবং নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, জোটটি খুমি, শাক, লুসাই, পাংখোয়া, বম, খিয়াং, স্রো, গুর্খা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা ও বাঙালি মোট ১৪টি জাতিসত্তার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে।
সংবাদ সম্মেলনে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে
ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক আহ্বায়ক,
ইখতিয়ার ইমন সদস্য সচিব,
পাইশিখই মার্মা মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পান।
এছাড়া কমিটিতে আরও রয়েছেন শাহীন আলম, তন্ময় চৌধুরী, নিলা মং শাকসহ অন্যান্য সদস্যরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক আহ্বায়ক, বলেন,
দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সম্প্রীতি রক্ষা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। আমি বিশ্বাস করি, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট বহুজাতিসত্তার ঐক্যের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক বলেন,
আমরা কোনো বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আমাদের লক্ষ্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য, শান্তি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া। বিভাজন নয়, মানবতার ভিত্তিতে ভ্রাতৃত্বই হবে আমাদের মূল শক্তি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।















