ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

মিডওয়াইফদের সঠিক মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

দেশের সরকারি ও বেসরকারি উভয় কর্মক্ষেত্রে মিডওয়াইফদের যথাযথ গুরুত্ব, মূল্যায়ন ও পূর্ণ স্বীকৃতি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের প্রাপ্য মর্যাদা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
বক্তারা জানান, একদিকে সরকারিভাবে দীর্ঘ সময় পরপর নিয়োগ দেওয়া হয়, অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে মিডওয়াইফদের প্রতি উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হয় না। অনেক জায়গায় চাকরিতে নেওয়া হয় না, নিলেও নার্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে তাদের পেশাগত পরিচয় হারিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশ না করলে বিএসসি করার সুযোগ না থাকায় বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। সময়ের সাথে সাথে চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেলেও তারা উপযুক্ত সুযোগ পান না।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ জানেন না মিডওয়াইফ কারা এবং তারা কী কাজ করেন। অথচ স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে ও মাতৃমৃত্যু কমাতে মিডওয়াইফদের অবদান অপরিসীম। তাই জনগণের মধ্যে মিডওয়াইফদের পরিচিতি বাড়ানো এবং তাদের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান বক্তারা।
তাদের মূল দাবি হলো—
১. সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রে মিডওয়াইফদের সঠিক স্বীকৃতি, মূল্যায়ন ও পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা।
২. মিডওয়াইফারি শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি করা।
৩. জনগণের মাঝে মিডওয়াইফদের ভূমিকা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মিডওয়াইফরা গর্ভবতী মায়েদের গর্ভপূর্ব, গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, পরিবার পরিকল্পনা, নবজাতক, প্রজনন ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন। তারা শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, মানসিক সমর্থন, আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং ব্যথা উপশমের প্রাকৃতিক পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করেন। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মিডওয়াইফরা সাশ্রয়ী, গুণগত ও মানসম্মত প্রসূতি সেবা প্রদান করে মাতৃ ও নবজাতকের জীবন রক্ষায় অসামান্য ভূমিকা রাখছেন। বক্তারা বলেন, এই অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া সময়ের দাবি।
মানববন্ধনের মাধ্যমে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান—
“আমাদের কাজের মর্যাদা দিন, আমাদের স্বীকৃতি দিন। জানুক সবাই, মিডওয়াইফ কারা এবং তারা এই দেশের মাতৃস্বাস্থ্যের জন্য কতটা অপরিহার্য।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মিডওয়াইফদের সঠিক মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

দেশের সরকারি ও বেসরকারি উভয় কর্মক্ষেত্রে মিডওয়াইফদের যথাযথ গুরুত্ব, মূল্যায়ন ও পূর্ণ স্বীকৃতি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের প্রাপ্য মর্যাদা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
বক্তারা জানান, একদিকে সরকারিভাবে দীর্ঘ সময় পরপর নিয়োগ দেওয়া হয়, অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে মিডওয়াইফদের প্রতি উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হয় না। অনেক জায়গায় চাকরিতে নেওয়া হয় না, নিলেও নার্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে তাদের পেশাগত পরিচয় হারিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশ না করলে বিএসসি করার সুযোগ না থাকায় বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। সময়ের সাথে সাথে চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেলেও তারা উপযুক্ত সুযোগ পান না।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ জানেন না মিডওয়াইফ কারা এবং তারা কী কাজ করেন। অথচ স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে ও মাতৃমৃত্যু কমাতে মিডওয়াইফদের অবদান অপরিসীম। তাই জনগণের মধ্যে মিডওয়াইফদের পরিচিতি বাড়ানো এবং তাদের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান বক্তারা।
তাদের মূল দাবি হলো—
১. সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রে মিডওয়াইফদের সঠিক স্বীকৃতি, মূল্যায়ন ও পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা।
২. মিডওয়াইফারি শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি করা।
৩. জনগণের মাঝে মিডওয়াইফদের ভূমিকা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মিডওয়াইফরা গর্ভবতী মায়েদের গর্ভপূর্ব, গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, পরিবার পরিকল্পনা, নবজাতক, প্রজনন ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন। তারা শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, মানসিক সমর্থন, আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং ব্যথা উপশমের প্রাকৃতিক পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করেন। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মিডওয়াইফরা সাশ্রয়ী, গুণগত ও মানসম্মত প্রসূতি সেবা প্রদান করে মাতৃ ও নবজাতকের জীবন রক্ষায় অসামান্য ভূমিকা রাখছেন। বক্তারা বলেন, এই অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া সময়ের দাবি।
মানববন্ধনের মাধ্যমে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান—
“আমাদের কাজের মর্যাদা দিন, আমাদের স্বীকৃতি দিন। জানুক সবাই, মিডওয়াইফ কারা এবং তারা এই দেশের মাতৃস্বাস্থ্যের জন্য কতটা অপরিহার্য।”