ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ২০১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।