ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

আরাফাত রহমান কোকো কে হারানোর বেদনায় ভে*ঙে পড়েছিলেন : তারেক রহমান ভাইয়ের মৃ*ত্যু*র সময় কাছে থাকতে না পারার কষ্ট আজও তাড়িয়ে বেড়ায়

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

আরাফাত রহমান কোকো। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র ছোট ভাই। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ভাই হারানোর সেই গভীর বেদনা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন তারেক রহমান।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে না পারার যন্ত্রণা তারেক রহমানকে আজও মানসিকভাবে নাড়া দেয়। রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নির্বাসিত জীবনের কারণে ভাইয়ের শেষ সময়ে কাছে না থাকতে পারা ছিল তার জীবনের অন্যতম কষ্টের অধ্যায়।
তারেক রহমান একাধিকবার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে আক্ষেপ করে বলেছেন,
“ভাই হারানোর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কিন্তু তার থেকেও বেশি কষ্ট দেয় এই সত্য যে—ভাইয়ের মৃত্যুর সময় আমি তার পাশে থাকতে পারিনি।”
আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন রাজনীতির বাইরে থাকা একজন ক্রীড়া সংগঠক ও নিরহংকারী মানুষ। ক্রিকেটপ্রেমী কোকো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যু শুধু রহমান পরিবার নয়, বরং বিএনপি ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর মাঝেও শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।
ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন,
“কোকো শুধু আমার ভাই ছিল না, সে ছিল আমার বন্ধু। জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সে নীরবে পাশে থেকেছে।”
দীর্ঘ প্রবাসজীবন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কারণে পরিবারের বহু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত থেকে দূরে থাকতে হয়েছে তারেক রহমানকে। আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ক্ষত হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন দলের একাধিক নেতা।
প্রতি বছর আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে তারেক রহমান গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে ভাইকে স্মরণ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। দলীয় নেতাকর্মীরাও এদিন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে কোকোর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।
ভাই হারানোর সেই না-বলা কষ্ট, না-পাওয়া শেষ দেখা—সব মিলিয়ে আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতি তারেক রহমানের জীবনে এক গভীর, নীরব বেদনার নাম হয়েই রয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আরাফাত রহমান কোকো কে হারানোর বেদনায় ভে*ঙে পড়েছিলেন : তারেক রহমান ভাইয়ের মৃ*ত্যু*র সময় কাছে থাকতে না পারার কষ্ট আজও তাড়িয়ে বেড়ায়

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

আরাফাত রহমান কোকো। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র ছোট ভাই। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ভাই হারানোর সেই গভীর বেদনা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন তারেক রহমান।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে না পারার যন্ত্রণা তারেক রহমানকে আজও মানসিকভাবে নাড়া দেয়। রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নির্বাসিত জীবনের কারণে ভাইয়ের শেষ সময়ে কাছে না থাকতে পারা ছিল তার জীবনের অন্যতম কষ্টের অধ্যায়।
তারেক রহমান একাধিকবার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে আক্ষেপ করে বলেছেন,
“ভাই হারানোর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কিন্তু তার থেকেও বেশি কষ্ট দেয় এই সত্য যে—ভাইয়ের মৃত্যুর সময় আমি তার পাশে থাকতে পারিনি।”
আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন রাজনীতির বাইরে থাকা একজন ক্রীড়া সংগঠক ও নিরহংকারী মানুষ। ক্রিকেটপ্রেমী কোকো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যু শুধু রহমান পরিবার নয়, বরং বিএনপি ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর মাঝেও শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।
ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন,
“কোকো শুধু আমার ভাই ছিল না, সে ছিল আমার বন্ধু। জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সে নীরবে পাশে থেকেছে।”
দীর্ঘ প্রবাসজীবন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কারণে পরিবারের বহু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত থেকে দূরে থাকতে হয়েছে তারেক রহমানকে। আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ক্ষত হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন দলের একাধিক নেতা।
প্রতি বছর আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে তারেক রহমান গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে ভাইকে স্মরণ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। দলীয় নেতাকর্মীরাও এদিন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে কোকোর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।
ভাই হারানোর সেই না-বলা কষ্ট, না-পাওয়া শেষ দেখা—সব মিলিয়ে আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতি তারেক রহমানের জীবনে এক গভীর, নীরব বেদনার নাম হয়েই রয়ে গেছে।