ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কুমিল্লার বরুড়ায় সিনিয়র সাংবাদিক তাজুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার মোঃআনজার শাহ 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার মোঃআনজার শাহ 

কুমিল্লার বরুড়ায় বরুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক মো. তাজুল ইসলামের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর সরাফতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজার শেষে বরুড়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলের ডালা দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

গত রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার মিরপুর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই নির্ভীক সংবাদকর্মী।

জানাজায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. জাহিদ হাসান, বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. ইলিয়াস আহমেদ, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান জনি, বরুড়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ঝলম উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক মো. মাসুদ মজুমদার, বরুড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. ইকরামুল হক, দৈনিক বরুড়া কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম স্মৃতিচারণ করেন।

এ ছাড়া ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউল হক রেজু, বরুড়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল মান্নান, ডা. আবদুল মতিন, পল্লী সমাচারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-দপ্তর সচিব মো. আনজার শাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন।

বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি গ্রামে জন্ম নেওয়া মো. তাজুল ইসলাম ছিলেন সাংবাদিকতার মাঠে এক পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য নাম। দৈনিক ভোরের ডাক, রূপসী বাংলা, বাংলার আলোড়ন, নিরীক্ষণ, দৈনিক শ্রমিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই, দৈনিক ভোরের কাগজ ও দৈনিক বরুড়া কণ্ঠসহ একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে উপজেলা ও জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তথ্য অধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ে তার লেখালেখি ও ভূমিকা পাঠকমহলে বিশেষ সম্মান অর্জন করেছিল।

সাংবাদিকতা ছিল তার কাছে শুধু পেশা নয়, ছিল দায়িত্ব ও সংগ্রাম। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই সাংবাদিক আপসহীনভাবে কাজ করে গেছেন। এ কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবাধিকার আন্দোলনে তার অবদান স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষভাবে প্রশংসিত।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার অকাল প্রয়াণে পরিবার যেমন অভিভাবকহীন, তেমনি বরুড়ার সাংবাদিক অঙ্গন হারাল এক অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শককে।

তার ইন্তেকালে বরুড়া প্রেসক্লাব, বরুড়া থানা প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লার বরুড়ায় সিনিয়র সাংবাদিক তাজুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার মোঃআনজার শাহ 

কুমিল্লার বরুড়ায় বরুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক মো. তাজুল ইসলামের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর সরাফতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজার শেষে বরুড়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলের ডালা দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

গত রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার মিরপুর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই নির্ভীক সংবাদকর্মী।

জানাজায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. জাহিদ হাসান, বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. ইলিয়াস আহমেদ, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান জনি, বরুড়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ঝলম উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক মো. মাসুদ মজুমদার, বরুড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. ইকরামুল হক, দৈনিক বরুড়া কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম স্মৃতিচারণ করেন।

এ ছাড়া ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউল হক রেজু, বরুড়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল মান্নান, ডা. আবদুল মতিন, পল্লী সমাচারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-দপ্তর সচিব মো. আনজার শাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন।

বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি গ্রামে জন্ম নেওয়া মো. তাজুল ইসলাম ছিলেন সাংবাদিকতার মাঠে এক পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য নাম। দৈনিক ভোরের ডাক, রূপসী বাংলা, বাংলার আলোড়ন, নিরীক্ষণ, দৈনিক শ্রমিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই, দৈনিক ভোরের কাগজ ও দৈনিক বরুড়া কণ্ঠসহ একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে উপজেলা ও জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তথ্য অধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ে তার লেখালেখি ও ভূমিকা পাঠকমহলে বিশেষ সম্মান অর্জন করেছিল।

সাংবাদিকতা ছিল তার কাছে শুধু পেশা নয়, ছিল দায়িত্ব ও সংগ্রাম। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই সাংবাদিক আপসহীনভাবে কাজ করে গেছেন। এ কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবাধিকার আন্দোলনে তার অবদান স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষভাবে প্রশংসিত।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার অকাল প্রয়াণে পরিবার যেমন অভিভাবকহীন, তেমনি বরুড়ার সাংবাদিক অঙ্গন হারাল এক অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শককে।

তার ইন্তেকালে বরুড়া প্রেসক্লাব, বরুড়া থানা প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।