ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

ডা. মাহমুদা মিতু—পেশায় একজন চিকিৎসক, আর নেশায় জনমানুষের রাজনীতি। “পেশায় ডাক্তার, নেশায় রাজনীতি” প্রবাদের বাস্তব উদাহরণ যেন তিনি নিজেই। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি দেশের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রশ্নে শুরু থেকেই ছিলেন সোচ্চার। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের সময় থেকে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

কখনো একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের ভূমিকায় আহত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কখনো একজন সচেতন রাজনৈতিক নেতার মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলেছেন। মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার জায়গা থেকেই তার এই সংগ্রাম সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সম্প্রতি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ গ্রহণের পরদিনই তিনি জুলাই আন্দোলনের শহীদ নাইমার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় শহীদ নাইমার মা তার মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন এবং দেশ সংস্কারের জন্য তার তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন।

ডা. মাহমুদা মিতুর এই মানবিক উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; বরং তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও ত্যাগের মূল্য উপলব্ধি করতে জানেন। জুলাইয়ে হারিয়ে যাওয়া প্রাণগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোর যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমরা প্রত্যাশা করি, তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে তার এই উদ্যোগে।

বর্তমান প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে যদি এ ধরনের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরি হয়, তাহলে দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেই মনে করেন সচেতন মহল। জনগণের প্রত্যাশা এখন এমন নেতৃত্বের প্রতিই, যারা ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করবে।

নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও ডা. মাহমুদা মিতু হয়ে উঠেছেন এক অনুপ্রেরণার নাম। সাহস, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন—নারীরা চাইলে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

ডা. মাহমুদা মিতু—পেশায় একজন চিকিৎসক, আর নেশায় জনমানুষের রাজনীতি। “পেশায় ডাক্তার, নেশায় রাজনীতি” প্রবাদের বাস্তব উদাহরণ যেন তিনি নিজেই। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি দেশের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রশ্নে শুরু থেকেই ছিলেন সোচ্চার। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের সময় থেকে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

কখনো একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের ভূমিকায় আহত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কখনো একজন সচেতন রাজনৈতিক নেতার মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলেছেন। মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার জায়গা থেকেই তার এই সংগ্রাম সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সম্প্রতি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ গ্রহণের পরদিনই তিনি জুলাই আন্দোলনের শহীদ নাইমার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় শহীদ নাইমার মা তার মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন এবং দেশ সংস্কারের জন্য তার তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন।

ডা. মাহমুদা মিতুর এই মানবিক উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; বরং তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও ত্যাগের মূল্য উপলব্ধি করতে জানেন। জুলাইয়ে হারিয়ে যাওয়া প্রাণগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোর যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমরা প্রত্যাশা করি, তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে তার এই উদ্যোগে।

বর্তমান প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে যদি এ ধরনের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরি হয়, তাহলে দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেই মনে করেন সচেতন মহল। জনগণের প্রত্যাশা এখন এমন নেতৃত্বের প্রতিই, যারা ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করবে।

নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও ডা. মাহমুদা মিতু হয়ে উঠেছেন এক অনুপ্রেরণার নাম। সাহস, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন—নারীরা চাইলে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম