ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ মোগরা পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী আশরাফ উদ্দিন সাহেবের পক্ষ থেকে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে অচিন এক গাছ কেউ চিনেনা।

রিপোর্টার:-রাশেদ কবির
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে অচিন এক গাছ কেউ চিনেনা।

একটি গাছের ঐতিহ্যকে বহন করে একটি এলাকার নাম সর্বত্র সু-পরিচিত হয়ে উঠেছে। এ এলাকাটি হচ্ছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার অন্তর্গত চাকির পশার ইউনিয়নের জয়দেব হায়াত মৌজায় কালের সাক্ষী হয়ে ঝোঁপ-জঙ্গলের মাঝে মাথা উঁচু করে বিস্তীর্ণভাবে দাঁড়িয়ে আছে একটি বিশাল আকৃতির এ অচিন গাছ। এলাকার লোকদের ভাষ্যমতে গাছটির বয়স কমপক্ষে ৫শ’ বছর হবে। বৃট্রিশ আমলে ‘অচিন গাছ’ হিসেবে গাছটির নাম করণ করা হয়েছে। এর আগে গাছটির শাখা-প্রশাখা বেশ বিস্তীর্ণ ছিল। পার্শ্ববর্তী বাড়িতে এক সময় ওই গাছের ডালপালার জন্য রোদ পাওয়া যেতো না। পার্শ্ববর্তীরা দূর-দূরান্তে ধান-পাট শুকাতো। কালের পরিবর্তে গাছটির বর্তমান শাখা-প্রশাখাগুলো আপনা-আপনি কমে এসেছে। বর্তমানে গাছটি প্রায় ১০ শতাংশ জমির আয়তন ঘিরে রয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে কখনও গাছটির ডাল ভেঙ্গে পড়ার কথা এলাকার লোকজন জানেন না। গাছটিতে পাইকোর গাছের ফলের মতো গোঁটা গোঁটা ফল ধরে এবং এসব ফল পশু-পাখি খায়। ওই গাছটি হতে লাখ লাখ ফল মাটিতে পড়লেও আজ পর্যন্ত ওই ফলের কোন গাছ জন্মায়নি। পূর্বে গাছটিতে বিশাল বিশাল আকৃতির বিষাক্ত শত শত সাপ বসবাস করতো। কিন্তু পার্শ্ববর্তী বাড়ির কোন মানুষের সাপগুলো কখনও কোন ক্ষতি করেননি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী ও দূর-দূরান্তের সনাতন ধর্মের লোকজন মানত করে গাছটির গোঁড়ায় এসে পূজা-অর্চনা করে দান বাক্সে পূর্ণমনে দক্ষিণা দিয়ে দেন এবং দান বাক্সে লেখা রয়েছে গাছটির পাতা কেউ ছিড়বেন না। সনাতন ধর্মালম্বীরা গাছটি সংলগ্ন একটি মন্দির নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মের লোকজন জানিয়েছে। বর্তমানে গাছটির অযত্ন, অবহেলা আর রক্ষণা-বেক্ষণের অভাবে এর চারদিকে জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এর একেকপাশের পাতার আকৃতিও একেক রকম।

এই গাছটির রহস্য মানুষের কাছে আজও রহস্যই রয়ে গেছে। অজানা এই বৃক্ষটির নাম মানুষের মুখে মুখে ‘অচিন গাছ’ হওয়ায় ওই এলাকাটির নামও ‘অচিন গাছ’ হিসেবেই পরিচিত লাভ করেছে শত শত বছর ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুড়িগ্রামে অচিন এক গাছ কেউ চিনেনা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩

কুড়িগ্রামে অচিন এক গাছ কেউ চিনেনা।

একটি গাছের ঐতিহ্যকে বহন করে একটি এলাকার নাম সর্বত্র সু-পরিচিত হয়ে উঠেছে। এ এলাকাটি হচ্ছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার অন্তর্গত চাকির পশার ইউনিয়নের জয়দেব হায়াত মৌজায় কালের সাক্ষী হয়ে ঝোঁপ-জঙ্গলের মাঝে মাথা উঁচু করে বিস্তীর্ণভাবে দাঁড়িয়ে আছে একটি বিশাল আকৃতির এ অচিন গাছ। এলাকার লোকদের ভাষ্যমতে গাছটির বয়স কমপক্ষে ৫শ’ বছর হবে। বৃট্রিশ আমলে ‘অচিন গাছ’ হিসেবে গাছটির নাম করণ করা হয়েছে। এর আগে গাছটির শাখা-প্রশাখা বেশ বিস্তীর্ণ ছিল। পার্শ্ববর্তী বাড়িতে এক সময় ওই গাছের ডালপালার জন্য রোদ পাওয়া যেতো না। পার্শ্ববর্তীরা দূর-দূরান্তে ধান-পাট শুকাতো। কালের পরিবর্তে গাছটির বর্তমান শাখা-প্রশাখাগুলো আপনা-আপনি কমে এসেছে। বর্তমানে গাছটি প্রায় ১০ শতাংশ জমির আয়তন ঘিরে রয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে কখনও গাছটির ডাল ভেঙ্গে পড়ার কথা এলাকার লোকজন জানেন না। গাছটিতে পাইকোর গাছের ফলের মতো গোঁটা গোঁটা ফল ধরে এবং এসব ফল পশু-পাখি খায়। ওই গাছটি হতে লাখ লাখ ফল মাটিতে পড়লেও আজ পর্যন্ত ওই ফলের কোন গাছ জন্মায়নি। পূর্বে গাছটিতে বিশাল বিশাল আকৃতির বিষাক্ত শত শত সাপ বসবাস করতো। কিন্তু পার্শ্ববর্তী বাড়ির কোন মানুষের সাপগুলো কখনও কোন ক্ষতি করেননি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী ও দূর-দূরান্তের সনাতন ধর্মের লোকজন মানত করে গাছটির গোঁড়ায় এসে পূজা-অর্চনা করে দান বাক্সে পূর্ণমনে দক্ষিণা দিয়ে দেন এবং দান বাক্সে লেখা রয়েছে গাছটির পাতা কেউ ছিড়বেন না। সনাতন ধর্মালম্বীরা গাছটি সংলগ্ন একটি মন্দির নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মের লোকজন জানিয়েছে। বর্তমানে গাছটির অযত্ন, অবহেলা আর রক্ষণা-বেক্ষণের অভাবে এর চারদিকে জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এর একেকপাশের পাতার আকৃতিও একেক রকম।

এই গাছটির রহস্য মানুষের কাছে আজও রহস্যই রয়ে গেছে। অজানা এই বৃক্ষটির নাম মানুষের মুখে মুখে ‘অচিন গাছ’ হওয়ায় ওই এলাকাটির নামও ‘অচিন গাছ’ হিসেবেই পরিচিত লাভ করেছে শত শত বছর ধরে।