ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

রাশেদ কবির (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

 

 

ছাত্র নেতা বিন ইয়ামিন মোলা বলেন সেলের ভিতর স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ থাকতে পারেনা।

ফাঁসির আসামীদের সেলে রাখা হতো যেখানে আলো বাতাস কিছু প্রবেশ করেনা যাকে কনডেম সেল বলা হয়।একজন ছাত্র নেতাকে এভাবে মানসিক টর্চা করে কি ফ্যাসিবাদ টিকে থাকবে? কখনোই না।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা কে আজ কোর্টে তুলা হয়েছিলো, বিন ইয়ামিন মোল্লা জজ সাহেবের অনুমতি নিয়ে মহামান্য আদালত কে বলেন, মহামান্য আদালত আমাকে নীচ তলার ১০/১২ ফিট সেলের মধ্যে ২৪ ঘন্টা আটকে রাখা হয়েছে, ১৫ দিন পরপর আবেদন করে ৩০ মিনিটের জন্য সাক্ষাৎ করতে পারে আমার পরিবার। আমাকে যে পরিবেশ রাখা হয়েছে, অন্যকোন রাজনৈতিক মামলার আসামি কে এভাবে রাখা হয় নি। জেলের মধ্যে আমি কারও সাথে কথা বলতে পারেনা। সূর্যের আলো কিংবা বাতাস আমার রুমে পৌঁছে না। ২৪ ঘন্টা লকআপ থাকে ছোট্ট সেলটি। ইয়ামিন নিজে কোর্টে জজ সাহেব কে কথা গুলো বলেছেন এবং তিনি আরো বলেন আমি রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না মনে হয় কে যেনো গোলা টিপে ধরছে, মনে হয় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাত, পায়ের শিরা উপশিরা অবশ হয়ে পড়ছে মনে হচ্ছে দিন দিন শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।

 

এমত অবস্থায় একবার নিজের জায়গা থেকে কল্পনা করেন তো কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এই পরিবেশে থাকতে পারে কি?

কেন একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীকে এভাবে কারাগারে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে?

 

তিনি বাংলাদেশের অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত,ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন এজন্য??

 

ইয়ামিন মামুনেরকে বললো মামুন সকলকে আমার সালাম দিবে আমাকে নিয়ে ভাবতে নিষেধ করিও ছাত্র অধিকার পরিষদ/ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য সহ সকল ছাত্র সংগঠন কে সংগ্রাম জারি রাখতে বলিও।

 

আমার কষ্টকে আমি কষ্ট মনে করিনা। দেশের মানুষ মুক্তি পেলেই আমি খুশি।’

 

ইয়ামিনকে যে পরিবেশে রাখা হয়েছে, সেই বর্ণনা শুনে ইয়ামিন ভাইয়ের মা- বাবা, বোন সহ কান্নায় ফেটে পরে সকলে।

কোর্টে থাকা সকল আইনজীবীরা আবেগ আপ্লুত হয়ে যায়। তখন ইয়ামিন বলে তোমরা কেঁদোনা। কই আমি তো কাঁদছিনা দেশের জন্য রাজনীতি করছি দেশের জন্য যারা রাজনীতি করে তাদের পরিবার কখনো কাঁদে না।

 

তোমরা লড়াইটা চালিয়ে যেও , এই ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে দেশ ও জাতির আগামীর ভবিষ্যৎ কে রক্ষা করিও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

 

 

ছাত্র নেতা বিন ইয়ামিন মোলা বলেন সেলের ভিতর স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ থাকতে পারেনা।

ফাঁসির আসামীদের সেলে রাখা হতো যেখানে আলো বাতাস কিছু প্রবেশ করেনা যাকে কনডেম সেল বলা হয়।একজন ছাত্র নেতাকে এভাবে মানসিক টর্চা করে কি ফ্যাসিবাদ টিকে থাকবে? কখনোই না।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা কে আজ কোর্টে তুলা হয়েছিলো, বিন ইয়ামিন মোল্লা জজ সাহেবের অনুমতি নিয়ে মহামান্য আদালত কে বলেন, মহামান্য আদালত আমাকে নীচ তলার ১০/১২ ফিট সেলের মধ্যে ২৪ ঘন্টা আটকে রাখা হয়েছে, ১৫ দিন পরপর আবেদন করে ৩০ মিনিটের জন্য সাক্ষাৎ করতে পারে আমার পরিবার। আমাকে যে পরিবেশ রাখা হয়েছে, অন্যকোন রাজনৈতিক মামলার আসামি কে এভাবে রাখা হয় নি। জেলের মধ্যে আমি কারও সাথে কথা বলতে পারেনা। সূর্যের আলো কিংবা বাতাস আমার রুমে পৌঁছে না। ২৪ ঘন্টা লকআপ থাকে ছোট্ট সেলটি। ইয়ামিন নিজে কোর্টে জজ সাহেব কে কথা গুলো বলেছেন এবং তিনি আরো বলেন আমি রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না মনে হয় কে যেনো গোলা টিপে ধরছে, মনে হয় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাত, পায়ের শিরা উপশিরা অবশ হয়ে পড়ছে মনে হচ্ছে দিন দিন শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।

 

এমত অবস্থায় একবার নিজের জায়গা থেকে কল্পনা করেন তো কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এই পরিবেশে থাকতে পারে কি?

কেন একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীকে এভাবে কারাগারে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে?

 

তিনি বাংলাদেশের অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত,ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন এজন্য??

 

ইয়ামিন মামুনেরকে বললো মামুন সকলকে আমার সালাম দিবে আমাকে নিয়ে ভাবতে নিষেধ করিও ছাত্র অধিকার পরিষদ/ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য সহ সকল ছাত্র সংগঠন কে সংগ্রাম জারি রাখতে বলিও।

 

আমার কষ্টকে আমি কষ্ট মনে করিনা। দেশের মানুষ মুক্তি পেলেই আমি খুশি।’

 

ইয়ামিনকে যে পরিবেশে রাখা হয়েছে, সেই বর্ণনা শুনে ইয়ামিন ভাইয়ের মা- বাবা, বোন সহ কান্নায় ফেটে পরে সকলে।

কোর্টে থাকা সকল আইনজীবীরা আবেগ আপ্লুত হয়ে যায়। তখন ইয়ামিন বলে তোমরা কেঁদোনা। কই আমি তো কাঁদছিনা দেশের জন্য রাজনীতি করছি দেশের জন্য যারা রাজনীতি করে তাদের পরিবার কখনো কাঁদে না।

 

তোমরা লড়াইটা চালিয়ে যেও , এই ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে দেশ ও জাতির আগামীর ভবিষ্যৎ কে রক্ষা করিও।