ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান – সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

সিপন রানা নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান – সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

 

 

আমাদের বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধাও যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন পর্যন্ত এদেশের মাটিতে একজন রাজাকারেরও ঠাঁই হবে না, হতে পারে না এবং আমরা জানি, আমাদের দেলদুয়ার-নাগরপুরে কিছু মানুষ দাবি করে তাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা। এইসব ভুয়া দাবিগুলো করবেন না। স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান। কখনই তা’ করবেন না।’ মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজিত সমাবেশে এমন বক্তব্য রেখেছেন বাংলাদেশ আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এড. তারানা হালিম।

শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে নাগরপুর উপজেলা সদর এলাকার কিছলু মার্কেটের সামনে বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নি সন্ত্রাস ও হরতালের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এড. তারানা হালিম বলেন, ‘আমাকে সেদিন একজন প্রশ্ন করেছিলেন যে, নৌকা মার্কা যাকে দেয়া হবে তার জন্য আপনি হাটে-মাঠে-ঘাটে কিভাবে কত রকম প্রচারণা করবেন? আমি তাকে উত্তর দিয়েছি, নৌকা মার্কা যার হাতে তুলে দেওয়া হবে, আমি নেতাকর্মীদের বলবো- তার প্রতি কাজ করবার জন্য। কিন্তু আমি হয়তো তখন মাঠে থাকবো না, কারণ আমি মিথ্যা কথা বলতে পারি না! আমার সমস্যা আছে! আমি বলতে পারতাম যে, আমি পারবো এই জীবন বাজি রেখে, এইখানে-ওইখানে সেইখানে মিটিং করবো। কারণ আমি ভালোবাসি দেলদুয়ার-নাগরপুর’কে। বার বার, অন্যের হাতে তুলে দিতে আমার তোহ কষ্ট হয়। আমি তো মর্মাহত হই। আমি কি তখন এই মিথ্যা’টা বলতে পারি? যে আমি তার জন্য জান-প্রাণ দিয়ে তাকে বিজয়ী করবো। আমার যেটা করার সেটাই আমি করি। আমি ফোন দিয়ে বলি আমার জন্য কাঁদবেন না, রাস্তায় যান নৌকা মার্কা’কে ভোট দেন। নৌকা মার্কার জন্য কাজ করেন। এইটুকু আমি করি এবং সেইটুকুই আমি বলেছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হামিদুর রহমান ঝন্টু’র সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দস আলী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে প্রায় ৩০ মিনিটের দীর্ঘ বক্তব্যে তারানা হালিম আরো বলেন, আজকে এটাই কিন্তু আমার শেষ জনসভা হবে। মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত। আমরা সতর্ক পাহাড়ায় থাকবো। যেনো কোনো অরাজকতা, নাশকতা না থাকতে পারে।

উক্ত সমাবেশে প্রধান বক্তা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে যথাক্রমে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন এবং নাগরপুর উপজেলা আ.লীগ সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রিয়াজ উদ্দীন তালুকদার। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য রেখেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান – সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান – সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

 

 

আমাদের বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধাও যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন পর্যন্ত এদেশের মাটিতে একজন রাজাকারেরও ঠাঁই হবে না, হতে পারে না এবং আমরা জানি, আমাদের দেলদুয়ার-নাগরপুরে কিছু মানুষ দাবি করে তাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা। এইসব ভুয়া দাবিগুলো করবেন না। স্বীকৃত রাজাকারের সন্তান হয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান। কখনই তা’ করবেন না।’ মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজিত সমাবেশে এমন বক্তব্য রেখেছেন বাংলাদেশ আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এড. তারানা হালিম।

শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে নাগরপুর উপজেলা সদর এলাকার কিছলু মার্কেটের সামনে বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নি সন্ত্রাস ও হরতালের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এড. তারানা হালিম বলেন, ‘আমাকে সেদিন একজন প্রশ্ন করেছিলেন যে, নৌকা মার্কা যাকে দেয়া হবে তার জন্য আপনি হাটে-মাঠে-ঘাটে কিভাবে কত রকম প্রচারণা করবেন? আমি তাকে উত্তর দিয়েছি, নৌকা মার্কা যার হাতে তুলে দেওয়া হবে, আমি নেতাকর্মীদের বলবো- তার প্রতি কাজ করবার জন্য। কিন্তু আমি হয়তো তখন মাঠে থাকবো না, কারণ আমি মিথ্যা কথা বলতে পারি না! আমার সমস্যা আছে! আমি বলতে পারতাম যে, আমি পারবো এই জীবন বাজি রেখে, এইখানে-ওইখানে সেইখানে মিটিং করবো। কারণ আমি ভালোবাসি দেলদুয়ার-নাগরপুর’কে। বার বার, অন্যের হাতে তুলে দিতে আমার তোহ কষ্ট হয়। আমি তো মর্মাহত হই। আমি কি তখন এই মিথ্যা’টা বলতে পারি? যে আমি তার জন্য জান-প্রাণ দিয়ে তাকে বিজয়ী করবো। আমার যেটা করার সেটাই আমি করি। আমি ফোন দিয়ে বলি আমার জন্য কাঁদবেন না, রাস্তায় যান নৌকা মার্কা’কে ভোট দেন। নৌকা মার্কার জন্য কাজ করেন। এইটুকু আমি করি এবং সেইটুকুই আমি বলেছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হামিদুর রহমান ঝন্টু’র সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দস আলী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে প্রায় ৩০ মিনিটের দীর্ঘ বক্তব্যে তারানা হালিম আরো বলেন, আজকে এটাই কিন্তু আমার শেষ জনসভা হবে। মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত। আমরা সতর্ক পাহাড়ায় থাকবো। যেনো কোনো অরাজকতা, নাশকতা না থাকতে পারে।

উক্ত সমাবেশে প্রধান বক্তা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে যথাক্রমে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন এবং নাগরপুর উপজেলা আ.লীগ সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রিয়াজ উদ্দীন তালুকদার। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য রেখেছেন।