ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

রাজনীতিতে জোট সংস্কৃতির মনোয়নে উন্নয়ন বঞ্চিত সংশ্লিষ্ট আসনের জনগণ। 

ফাতেমা আক্তার মাহমুদ ইভা রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ ঃ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতিতে জোট সংস্কৃতির মনোয়নে উন্নয়ন বঞ্চিত সংশ্লিষ্ট আসনের জনগণ।

 

 

 

 

বাংলাদেশে দুইটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল যাদের ভোট প্রায় ৭৫ %। বাকী ৪২টি দলের ভোট মাত্র ২৫%। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুইটি দল ছাড়া জাতীয় সংসদে এককদলের কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করে পাস করে আসা দুঃসাধ্য। আন্দোলন সংগ্রামে সাধারণত ২টি দলই নেতৃত্ব দেয় এবং শরীকরা থাকে সহযোগী হিসেবে। ২টি দলের একে অন্যকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে ফলে একদল অন্যকে ছাড় দিতে নারাজ। এক্ষেত্রে সহযোগী দলগুলো থাকে কিছুটা নিরাপদে এবং তারা সেফ সাইডে খেলে। নির্বাচনের পূর্বে এরা জাগ্রত হয়ে ফ্রন্টে আসে এবং আসনের জন্য দরকষাকষি করে এবং কিছু আসনে নমিনেশন বাগিয়ে নেয়। এইসব আসনে তাদের নিজেদের ৫-৭% ভোট নিয়ে ঐ দুই দলের ভোট ব্যাংকের সহযোগিতায় পাস করে যায়। পাস করার পরে তারা ভাবে আমরা জোটবদ্ধ হয়ে পাস করেছি, এই সমর্থনতো আমার নয়। আবার ইলেকশন আসবে জোটগতভাবে নমিনেশন পাবো, এমপি হবো। এদের জনগণের কাছে কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এরা জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের উপর চেপে বসে। জনগণ কেন্দ্রে নেতৃত্বদানকারী মূল দলগুলোর উপর ক্ষ্যাপা থাকে এবং যতো দোষ সব নন্দঘোষের উপর বর্তায়। অন্যদলের কাঁধে ভর করা এইসব এমপিরা এলাকার উন্নয়নে কাজ করাকে প্রাধান্য না দিয়ে নিজের আখের গুছাতে ব্যস্ত থাকে এবং নিজের সমর্থনকারীদের সহযোগিতা করে। এরকম অবহেলিত আসন অনেক আছে যেখানে ভোটাররা প্রধান দলগুলোর নিজস্ব প্রার্থীর মনোয়ন চায়। এসব আসনে যুগের পর যুগ দলের জন্য কাজ করেও অনেক কেন্দ্রীয় নেতা শুধুমাত্র জোটের কারণে নমিনেশন বঞ্চিত হয়।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই সঠিক না হলে এসব অগ্রহণযোগ্য প্রার্থী পাস করে আসবে বলে মনে হয় না। যে কারণে জোটবোদ্ধ হয়ে নির্বাচন করবে বলে বড় দলগুলো চিন্তা করছে তা এবার সফল হবে বলে মনে করে না সুধীমহল। এ প্রসঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান ও নড়াইল-২ আসনে মিডিয়া কোটায় মনোয়ন প্রত্যাশি লায়ন নূর ইসলাম সহমত পোষণ করেন এবং জোট সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সব শ্রেণি পেশার রাজনীতিবীদ থেকে যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়ার অভিমত প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজনীতিতে জোট সংস্কৃতির মনোয়নে উন্নয়ন বঞ্চিত সংশ্লিষ্ট আসনের জনগণ। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

রাজনীতিতে জোট সংস্কৃতির মনোয়নে উন্নয়ন বঞ্চিত সংশ্লিষ্ট আসনের জনগণ।

 

 

 

 

বাংলাদেশে দুইটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল যাদের ভোট প্রায় ৭৫ %। বাকী ৪২টি দলের ভোট মাত্র ২৫%। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুইটি দল ছাড়া জাতীয় সংসদে এককদলের কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করে পাস করে আসা দুঃসাধ্য। আন্দোলন সংগ্রামে সাধারণত ২টি দলই নেতৃত্ব দেয় এবং শরীকরা থাকে সহযোগী হিসেবে। ২টি দলের একে অন্যকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে ফলে একদল অন্যকে ছাড় দিতে নারাজ। এক্ষেত্রে সহযোগী দলগুলো থাকে কিছুটা নিরাপদে এবং তারা সেফ সাইডে খেলে। নির্বাচনের পূর্বে এরা জাগ্রত হয়ে ফ্রন্টে আসে এবং আসনের জন্য দরকষাকষি করে এবং কিছু আসনে নমিনেশন বাগিয়ে নেয়। এইসব আসনে তাদের নিজেদের ৫-৭% ভোট নিয়ে ঐ দুই দলের ভোট ব্যাংকের সহযোগিতায় পাস করে যায়। পাস করার পরে তারা ভাবে আমরা জোটবদ্ধ হয়ে পাস করেছি, এই সমর্থনতো আমার নয়। আবার ইলেকশন আসবে জোটগতভাবে নমিনেশন পাবো, এমপি হবো। এদের জনগণের কাছে কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এরা জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের উপর চেপে বসে। জনগণ কেন্দ্রে নেতৃত্বদানকারী মূল দলগুলোর উপর ক্ষ্যাপা থাকে এবং যতো দোষ সব নন্দঘোষের উপর বর্তায়। অন্যদলের কাঁধে ভর করা এইসব এমপিরা এলাকার উন্নয়নে কাজ করাকে প্রাধান্য না দিয়ে নিজের আখের গুছাতে ব্যস্ত থাকে এবং নিজের সমর্থনকারীদের সহযোগিতা করে। এরকম অবহেলিত আসন অনেক আছে যেখানে ভোটাররা প্রধান দলগুলোর নিজস্ব প্রার্থীর মনোয়ন চায়। এসব আসনে যুগের পর যুগ দলের জন্য কাজ করেও অনেক কেন্দ্রীয় নেতা শুধুমাত্র জোটের কারণে নমিনেশন বঞ্চিত হয়।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই সঠিক না হলে এসব অগ্রহণযোগ্য প্রার্থী পাস করে আসবে বলে মনে হয় না। যে কারণে জোটবোদ্ধ হয়ে নির্বাচন করবে বলে বড় দলগুলো চিন্তা করছে তা এবার সফল হবে বলে মনে করে না সুধীমহল। এ প্রসঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান ও নড়াইল-২ আসনে মিডিয়া কোটায় মনোয়ন প্রত্যাশি লায়ন নূর ইসলাম সহমত পোষণ করেন এবং জোট সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সব শ্রেণি পেশার রাজনীতিবীদ থেকে যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়ার অভিমত প্রকাশ করেন।