ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মদের ব্যবসা হালাল বলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। 

এম কে খোকন  ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মদের ব্যবসা হালাল বলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ।

 

 

 

২৪ নভেম্বর ২০২৩

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে মদকে মেডিসিন এবং

তার এই ব্যবসাকে হালাল মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয়  অনুভূতিতে আঘাত ও শাস্তি দাবি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সর্বসাধারন মুসলিম জনতার ব্যানারে মানববন্ধন,  বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বাদ জুমার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় সমাবেশ পূর্বমুহুর্তে পৌর শহরের প্রধান প্রধান বিক্ষোভ মিছিল করে প্রেসক্লাব সামনে এসে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

 

 

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন, মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহসহ আলেম-ওলামা মাশায়েখ সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং মুসলিম জনতা।

 

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ওলিও সাহেব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মুসলিম জনতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। আমরা সরকারের কাছে এরকম অপরাধীর মদের ব্যবসা বন্ধসহ শাস্তি দাবি করছি। আগামী নির্বাচনসহ সবধরনে নির্বাচনে যেন প্রার্থী  হতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের কাছে আহবান জানান।

 

 

সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য পদত্যাগকৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন ফিরোজুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন আমি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি যেন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ হতে মনোনয়ন না পায় সেজন্য দলের একটি পক্ষ নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে। এলাকার জনগনের কাছে ভুল তথ্য দিচ্ছে। মদ ব্যবসা হালাল নয়। আমি যে ব্যবসা করি, সেটা হালাল বলতে চেয়েছি। আর সেটা নিয়ে একটা পক্ষ অপপ্রচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

 

 

এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রণাঙ্গনের যুদ্ধ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওলিও’র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন বক্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই।আবার দলীয়ভাবে ওনার প্রতিপক্ষ নেতিবাচক প্রচার করে চলেছে।

 

 

উল্লেখ্য যে, ফেসবুক লাইভে একজনের প্রশ্নের জবাবে ফিরোজুর রহমান ওলিও বলেছিলেন, এটা (মদ) মেডিসিন হিসেবে খায়, তোমাকে (প্রশ্নকারী) ব্যবস্থা করে দেবো, যদি ডাক্তার বলে।

 

তিনি আরও বলেছিলেন, সরকারকে জিজ্ঞেস করেন লাইসেন্স কেন দেয়। সরকারই তো দিচ্ছে, ২০-৩০ বছরের ভেতরে কেউ দেয়নি। আমাদের সরকার এসেই তো লাইসেন্স দিয়ে ভরিয়ে ফেলছে দেখলাম। যদিও আমি এখন এ ব্যবসায় নেই। আমার সন্তানরা থাকা মানেই আমি থাকা, এটা কোনো ব্যাপার না। আমি সরকারকে ট্যাক্স দেয়। তাই ব্যবসা আমার পবিত্র ব্যবসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মদের ব্যবসা হালাল বলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মদের ব্যবসা হালাল বলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ।

 

 

 

২৪ নভেম্বর ২০২৩

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে মদকে মেডিসিন এবং

তার এই ব্যবসাকে হালাল মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয়  অনুভূতিতে আঘাত ও শাস্তি দাবি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সর্বসাধারন মুসলিম জনতার ব্যানারে মানববন্ধন,  বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বাদ জুমার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় সমাবেশ পূর্বমুহুর্তে পৌর শহরের প্রধান প্রধান বিক্ষোভ মিছিল করে প্রেসক্লাব সামনে এসে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

 

 

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন, মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহসহ আলেম-ওলামা মাশায়েখ সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং মুসলিম জনতা।

 

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ওলিও সাহেব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মুসলিম জনতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। আমরা সরকারের কাছে এরকম অপরাধীর মদের ব্যবসা বন্ধসহ শাস্তি দাবি করছি। আগামী নির্বাচনসহ সবধরনে নির্বাচনে যেন প্রার্থী  হতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের কাছে আহবান জানান।

 

 

সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য পদত্যাগকৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন ফিরোজুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন আমি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি যেন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ হতে মনোনয়ন না পায় সেজন্য দলের একটি পক্ষ নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে। এলাকার জনগনের কাছে ভুল তথ্য দিচ্ছে। মদ ব্যবসা হালাল নয়। আমি যে ব্যবসা করি, সেটা হালাল বলতে চেয়েছি। আর সেটা নিয়ে একটা পক্ষ অপপ্রচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

 

 

এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রণাঙ্গনের যুদ্ধ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওলিও’র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন বক্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই।আবার দলীয়ভাবে ওনার প্রতিপক্ষ নেতিবাচক প্রচার করে চলেছে।

 

 

উল্লেখ্য যে, ফেসবুক লাইভে একজনের প্রশ্নের জবাবে ফিরোজুর রহমান ওলিও বলেছিলেন, এটা (মদ) মেডিসিন হিসেবে খায়, তোমাকে (প্রশ্নকারী) ব্যবস্থা করে দেবো, যদি ডাক্তার বলে।

 

তিনি আরও বলেছিলেন, সরকারকে জিজ্ঞেস করেন লাইসেন্স কেন দেয়। সরকারই তো দিচ্ছে, ২০-৩০ বছরের ভেতরে কেউ দেয়নি। আমাদের সরকার এসেই তো লাইসেন্স দিয়ে ভরিয়ে ফেলছে দেখলাম। যদিও আমি এখন এ ব্যবসায় নেই। আমার সন্তানরা থাকা মানেই আমি থাকা, এটা কোনো ব্যাপার না। আমি সরকারকে ট্যাক্স দেয়। তাই ব্যবসা আমার পবিত্র ব্যবসা।