ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

সিপন রানা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালি

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান এর সভাপতিত্বে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

 

উক্ত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক (বীর প্রতীক), যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, দেলদুয়ার উপজেলা আ. লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দেস আলী, পাকুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান সহ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দরা।

 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে বাংলার সূর্য সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে নাগরপুর উপজেলাকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো নাগরপুর উপজেলা। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিবাহিনীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক বাহিনী গড়ে উঠে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী অন্যতম। এই দুই বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী সে সময় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।  সারাদেশের মতো হানাদারদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত টাঙ্গাইলের সর্ব দক্ষিণে ধলেশ্বরী নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন নাগরপুরকে শত্রু মুক্ত করতে কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও চূড়ান্ত সফলতা পেতে সময় লেগে যায় ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালি

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান এর সভাপতিত্বে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

 

উক্ত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক (বীর প্রতীক), যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, দেলদুয়ার উপজেলা আ. লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দেস আলী, পাকুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান সহ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দরা।

 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে বাংলার সূর্য সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে নাগরপুর উপজেলাকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো নাগরপুর উপজেলা। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিবাহিনীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক বাহিনী গড়ে উঠে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী অন্যতম। এই দুই বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী সে সময় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।  সারাদেশের মতো হানাদারদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত টাঙ্গাইলের সর্ব দক্ষিণে ধলেশ্বরী নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন নাগরপুরকে শত্রু মুক্ত করতে কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও চূড়ান্ত সফলতা পেতে সময় লেগে যায় ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।