ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026

শহীদ হত্যা মামলার ২ আসামি জাবত জীবন কারাদণ্ড! 

রিপোর্টার মো: আরাফাত হোসেন 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

শহীদ হত্যা মামলার ২ আসামি জাবত জীবন কারাদণ্ড!

২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসের ৩১ তারিখ রাতে ঢাকা কেরানীগঞ্জে শহীদুল্লাহ কে তার নিজ বাসভবনে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে, আমজাদ এবং শামীম নামের ২ জন ।বালিস চাপা দিয়ে হত্যা করে।এ হত্যা মামলা আমজাদ ও শামীম খুনি প্রমানিত হওয়ায় গত ০৫/০১/২৪ ঢাকা জজ র্কোটে জাবত জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।বর্তমানে আমজাদ এবং শামীম দু জনই পলাতক রয়েছে।এ হত্যা মামলা ছারা ও আমজাদ আরো বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সাথে জরীত।এক সূত্রে যানা গেছে তিনি মাদকদ্রব্য কেনা বেচার ব্যাবসা ও করে থাকেন।তার নামে হত্যা মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে।জনাব শহীদুল্লাহ পরিবার সহ কেরানীগঞ্জ এ থাকার জন্য একটি ৩ তলা বাড়ি তৈরি করেন।শহীদুল্লাহ্ বাসায় একা বসবাস করতেন।আমজাদ সে সুযোগ নিয়ে রাতে বাসায় থাকার কথা বলে শামীম নামের এক যুবককে ভাড়া করে নিয়ে যায়।বাসায় আর কেউ না থাকায় সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে শহীদুল্লাহকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে বাসার সকল কিছু ভেংগে ৭ ভরি স্বন অলংকার, মোবাইল ফোন সহ নগত ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনার কিছুদিন পর ডিবি পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে ধরা পরে এ আসামি।আসামিদের রিমান্ডে দেওয়ার আগে তারা সকল কিছু শিকার করে নেয়।৯ বছর মামলা চলার পর গত ০৪/০১/২৪ এ তাদের জাবত জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।এ রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট নয় বলে যানিয়েছে। তারা আমজাদ ও শামীম এর ফাঁসি চায়। ভুক্তভোগীর পরিবার আমাদের সাথে আলাপ চারিতায় জানান তারা ফাঁসির আবেদনের জন্য উচ্চ আদালতে যাবেন। নিহতের পরিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ জানান যেন আসামিদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শহীদ হত্যা মামলার ২ আসামি জাবত জীবন কারাদণ্ড! 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪

শহীদ হত্যা মামলার ২ আসামি জাবত জীবন কারাদণ্ড!

২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসের ৩১ তারিখ রাতে ঢাকা কেরানীগঞ্জে শহীদুল্লাহ কে তার নিজ বাসভবনে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে, আমজাদ এবং শামীম নামের ২ জন ।বালিস চাপা দিয়ে হত্যা করে।এ হত্যা মামলা আমজাদ ও শামীম খুনি প্রমানিত হওয়ায় গত ০৫/০১/২৪ ঢাকা জজ র্কোটে জাবত জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।বর্তমানে আমজাদ এবং শামীম দু জনই পলাতক রয়েছে।এ হত্যা মামলা ছারা ও আমজাদ আরো বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সাথে জরীত।এক সূত্রে যানা গেছে তিনি মাদকদ্রব্য কেনা বেচার ব্যাবসা ও করে থাকেন।তার নামে হত্যা মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে।জনাব শহীদুল্লাহ পরিবার সহ কেরানীগঞ্জ এ থাকার জন্য একটি ৩ তলা বাড়ি তৈরি করেন।শহীদুল্লাহ্ বাসায় একা বসবাস করতেন।আমজাদ সে সুযোগ নিয়ে রাতে বাসায় থাকার কথা বলে শামীম নামের এক যুবককে ভাড়া করে নিয়ে যায়।বাসায় আর কেউ না থাকায় সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে শহীদুল্লাহকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে বাসার সকল কিছু ভেংগে ৭ ভরি স্বন অলংকার, মোবাইল ফোন সহ নগত ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনার কিছুদিন পর ডিবি পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে ধরা পরে এ আসামি।আসামিদের রিমান্ডে দেওয়ার আগে তারা সকল কিছু শিকার করে নেয়।৯ বছর মামলা চলার পর গত ০৪/০১/২৪ এ তাদের জাবত জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।এ রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট নয় বলে যানিয়েছে। তারা আমজাদ ও শামীম এর ফাঁসি চায়। ভুক্তভোগীর পরিবার আমাদের সাথে আলাপ চারিতায় জানান তারা ফাঁসির আবেদনের জন্য উচ্চ আদালতে যাবেন। নিহতের পরিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ জানান যেন আসামিদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।