ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে আনন্দিত শেরপুরবাসী নারী সাংবাদিক নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিচার চাই শেরপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি

আবারো ব্যাংক এমডির পদত্যাগ!

রিপোর্টার:-মেহেদী হাসান অলি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

আবারো ব্যাংক এমডির পদত্যাগ!
এবার পদ্মা ব্যাংক এমডির পদত্যাগ প্রকাশ আসলো।
সমস্যাগ্রস্ত ফারমার্স থেকে রূপান্তরিত পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) তারেক রিয়াজ খান পদত্যাগ করেছেন বলে শোনা গেছে।এ পদে তাঁর দেড় বছর মেয়াদ অবশিষ্ট থাকতেই তিনি সরে দাঁড়ালেন।গত রোববার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আর প্রতিষ্ঠানটিতে যাননি তিনি।এ নিয়ে চলতি বছর তিন ব্যাংকের এমডি পদত্যাগ করলেন।জানা গেছে তারেক রিয়াজ খান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।এরপর থেকে আর ব্যাংকে যাচ্ছেন না।তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন,নাকি কোনো পক্ষের চাপের মুখে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন তা জানা যায়নি।এর আগে ২০১৩ সালে ফারমার্স নামে যাত্রা শুরুর সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর।বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।
গত বছরের মার্চে তারেক রিয়াজ খান তিন বছরের জন্য পদ্মা ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান।সেখানে যোগদানের আগে তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ডিএমডি ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ছিলেন।পদ্মা ব্যাংকে এমডি হিসেবে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ ছিল।পদত্যাগের কারণ জানতে তাঁকে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।ব্যাংক ও আর্থিক খাতের দুরবস্থা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা আছে। এর মধ্যেই গত ২৬ জুলাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও এমডি আরিফ বিল্লাহ আদিল চৌধুরী। তিন বছরের জন্য গত বছরের নভেম্বরে ওই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেন মেহমুদ হোসেন। এর দু’দিন আগে রাজধানীর বনানীর সিকদার হাউজে তাঁকে ডেকে নেওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করেন।এ নিয়ে সমালোচনা হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতায় তিনি আবার ন্যাশনাল ব্যাংকে ফেরেন।চাপের মুখে ব্যাংকের এমডিদের পদত্যাগ ঠেকাতে বেশ আগে একটি সুরক্ষা নীতিমালা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই নীতিমালা কাজে আসছে না।এমডিরা পদত্যাগের পর সুরক্ষা চাওয়া তো দূরে থাক,অধিকাংশই ভয়ে আর মুখই খোলেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আবারো ব্যাংক এমডির পদত্যাগ!

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আবারো ব্যাংক এমডির পদত্যাগ!
এবার পদ্মা ব্যাংক এমডির পদত্যাগ প্রকাশ আসলো।
সমস্যাগ্রস্ত ফারমার্স থেকে রূপান্তরিত পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) তারেক রিয়াজ খান পদত্যাগ করেছেন বলে শোনা গেছে।এ পদে তাঁর দেড় বছর মেয়াদ অবশিষ্ট থাকতেই তিনি সরে দাঁড়ালেন।গত রোববার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আর প্রতিষ্ঠানটিতে যাননি তিনি।এ নিয়ে চলতি বছর তিন ব্যাংকের এমডি পদত্যাগ করলেন।জানা গেছে তারেক রিয়াজ খান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।এরপর থেকে আর ব্যাংকে যাচ্ছেন না।তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন,নাকি কোনো পক্ষের চাপের মুখে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন তা জানা যায়নি।এর আগে ২০১৩ সালে ফারমার্স নামে যাত্রা শুরুর সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর।বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।
গত বছরের মার্চে তারেক রিয়াজ খান তিন বছরের জন্য পদ্মা ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান।সেখানে যোগদানের আগে তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ডিএমডি ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ছিলেন।পদ্মা ব্যাংকে এমডি হিসেবে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ ছিল।পদত্যাগের কারণ জানতে তাঁকে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।ব্যাংক ও আর্থিক খাতের দুরবস্থা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা আছে। এর মধ্যেই গত ২৬ জুলাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও এমডি আরিফ বিল্লাহ আদিল চৌধুরী। তিন বছরের জন্য গত বছরের নভেম্বরে ওই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেন মেহমুদ হোসেন। এর দু’দিন আগে রাজধানীর বনানীর সিকদার হাউজে তাঁকে ডেকে নেওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করেন।এ নিয়ে সমালোচনা হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতায় তিনি আবার ন্যাশনাল ব্যাংকে ফেরেন।চাপের মুখে ব্যাংকের এমডিদের পদত্যাগ ঠেকাতে বেশ আগে একটি সুরক্ষা নীতিমালা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই নীতিমালা কাজে আসছে না।এমডিরা পদত্যাগের পর সুরক্ষা চাওয়া তো দূরে থাক,অধিকাংশই ভয়ে আর মুখই খোলেন না।