ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

একজন আদর্শ শিক্ষকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করলেনঃ আল আমিন

মোঃআনজার শাহ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫ ২২৬ বার পড়া হয়েছে

একজন আদর্শ শিক্ষকের কখনও মৃ*ত্যু হয় না। তিনি তাঁর সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম, ত্যাগের মহিমা ও নৈতিকতার মাধ্যমে ছাত্রদের মনোজগতে অমরত্বের বীজ বপন করে যান।আলামিন বলেন,আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক,গল্লাক দারুচ্ছুন্নাত আলিম মাদরাসার(প্র:) সাবেক সহকারি শিক্ষক কৃষ্ণলাল দাস বাবু স্যার পরলোক গমন করেছেন।২০০৬ সালে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম দিন দ্বিতীয় ক্লাসে একজন স্যার ক্লাসে আসার সাথে সাথে সবাই নিশ্চুপ হয়ে গেছিল। পরে জানলাম তিনি আমাদের বাবু স্যার। গণিত ক্লাস নিবেন। খুব সুন্দর করে আমাদের ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত গণিত করিয়েছেন। ৪র্থ,৫ম এ ইংরেজি ও ৭ম-৮ম এ বিজ্ঞান পড়িয়েছেন।স্যারের সাথে আমার ব্যক্তিগত একটা অন্যরকম সম্পর্ক ছিল। স্যার রিটায়ার্ডমেন্টের পর এলাকায় গেলে স্যারের সাথে দেখা করতে যেতাম।।খুব খুশি হতেন। আর সবসময় খৃব সাহস দিতেন এবং বলতেন অনেক বড়ো হবা।স্যারের আরেকটা পরিচয় ছিল স্যার একজন পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। এলাকায় মানুষের চিকিৎসা সেবা করতেন। মাদরাসায় কোনো শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষক অসুস্থ হলে স্যার ছিলেন আস্থার জায়গা।স্যার শেষ বয়সে এসে অর্থনৈতিকভাবে খুব সঙ্কটে পড়েছিলেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে শেষ যেদিন স্যারের সাথে কথা হয়েছে স্যার বলেছেন খুব একটা ভালো নেই।আমরা চেষ্টা করেছি ভালো একটা বিদায় অনুষ্ঠান করার জন্য। কিন্তু মাদরাসার স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং আরো বিভিন্ন প্রতিকূলতায় হয়তো আশানুরূপ করতে পারিনি।স্যারের অবসর করেছেন ২০২০ সালের মার্চে। দুঃখজনক হলেও সত্য ২০২৫ এ এসেও অবসরভাতা পাননি। শুধু কল্যাণ ট্রাস্টের টাকাটা সম্ভবত তুলতে পেরেছেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে শেষ যেদিন স্যারের সাথে কথা হয়েছে ।গত কয়েক মাস আগে মাহবুব ভাইয়ের সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেছি স্যারদের অবসরভাতাটা যাতে দ্রুত পাওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমার চেষ্টাটা করেছি হয়তো ব্যর্থ!হঠাৎ করে স্যারের চলে যাওয়াটা কষ্টের। স্যার ভালো থাকবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একজন আদর্শ শিক্ষকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করলেনঃ আল আমিন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

একজন আদর্শ শিক্ষকের কখনও মৃ*ত্যু হয় না। তিনি তাঁর সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম, ত্যাগের মহিমা ও নৈতিকতার মাধ্যমে ছাত্রদের মনোজগতে অমরত্বের বীজ বপন করে যান।আলামিন বলেন,আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক,গল্লাক দারুচ্ছুন্নাত আলিম মাদরাসার(প্র:) সাবেক সহকারি শিক্ষক কৃষ্ণলাল দাস বাবু স্যার পরলোক গমন করেছেন।২০০৬ সালে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম দিন দ্বিতীয় ক্লাসে একজন স্যার ক্লাসে আসার সাথে সাথে সবাই নিশ্চুপ হয়ে গেছিল। পরে জানলাম তিনি আমাদের বাবু স্যার। গণিত ক্লাস নিবেন। খুব সুন্দর করে আমাদের ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত গণিত করিয়েছেন। ৪র্থ,৫ম এ ইংরেজি ও ৭ম-৮ম এ বিজ্ঞান পড়িয়েছেন।স্যারের সাথে আমার ব্যক্তিগত একটা অন্যরকম সম্পর্ক ছিল। স্যার রিটায়ার্ডমেন্টের পর এলাকায় গেলে স্যারের সাথে দেখা করতে যেতাম।।খুব খুশি হতেন। আর সবসময় খৃব সাহস দিতেন এবং বলতেন অনেক বড়ো হবা।স্যারের আরেকটা পরিচয় ছিল স্যার একজন পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। এলাকায় মানুষের চিকিৎসা সেবা করতেন। মাদরাসায় কোনো শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষক অসুস্থ হলে স্যার ছিলেন আস্থার জায়গা।স্যার শেষ বয়সে এসে অর্থনৈতিকভাবে খুব সঙ্কটে পড়েছিলেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে শেষ যেদিন স্যারের সাথে কথা হয়েছে স্যার বলেছেন খুব একটা ভালো নেই।আমরা চেষ্টা করেছি ভালো একটা বিদায় অনুষ্ঠান করার জন্য। কিন্তু মাদরাসার স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং আরো বিভিন্ন প্রতিকূলতায় হয়তো আশানুরূপ করতে পারিনি।স্যারের অবসর করেছেন ২০২০ সালের মার্চে। দুঃখজনক হলেও সত্য ২০২৫ এ এসেও অবসরভাতা পাননি। শুধু কল্যাণ ট্রাস্টের টাকাটা সম্ভবত তুলতে পেরেছেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে শেষ যেদিন স্যারের সাথে কথা হয়েছে ।গত কয়েক মাস আগে মাহবুব ভাইয়ের সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেছি স্যারদের অবসরভাতাটা যাতে দ্রুত পাওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমার চেষ্টাটা করেছি হয়তো ব্যর্থ!হঠাৎ করে স্যারের চলে যাওয়াটা কষ্টের। স্যার ভালো থাকবেন।