কলাতলী ইউনিয়নে, আত্মহত্যা করেন গৃহবধূ জান্নাত বেগম ,

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪ ১০৬ বার পড়া হয়েছে

ভোলা মনপুরা উপজেলা ৫ নং কলাতলী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড নিবাসী আঃ রহমান এর স্ত্রী,বিবি জান্নাত বেগম(৩০), পিতাঃ মোঃ আব্দুল হাই গলায় রশি দিয়ে ফাঁসি দিলেন, জান্নাতের স্বামী মোঃ, আঃ রহমান(৩৫) পিতাঃ আঃ খালেক, কে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে আপনার স্ত্রী জান্নাত কি ভাবে ফাঁসি দিয়ে মারা গেল?তিনি বলেন,আমি সন্ধ্যা যখন বাজারে যায় যাওয়ার পর আমার স্ত্রী জান্নাত বেগম আমাকে মুঠো ফোনের মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করে আপনি বাসায় কখন আসবেন, তখন আমি বললাম আমি আসতে রাত নয়টাবাজবে,জান্নাত বললেন তাহলে আমাকে আমার বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে যাবেন, আঃ রহমান বললেন ঠিক আছে, কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে , এভাবে কয়েকবার, ফোন করে,অবশেষে ৯:৫০মি: আমি বাজার থেকে চলি আসি আসারপর আমি আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে ২টি কোড়াল মাছ নিয়, সেই মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে ২ জন এক সমানে ঘুমিয়ে পরিকিছুক্ষণ পর আমাকে বললো আপনার মোবাইলটি দিন আমি বাহিরে যাব , তখন আমি আমার নকিয়া বাটন ফোনটা দিলাম, এরপর আমি ফ্যান ন ও বাতি দিয়ে ঘুমিয়ে গেলামকিছুক্ষণ পর আবার যখন আমার ঘুম ভাঙ্গল তখন দেখি ফ্যান ও বাতি বন্ধ, আমি আবার ফ্যান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম,এর পর সকাল হলো, আমার, মেয়ে সুমাইয়া(৭), আমার ছেলে আঃরহিম(৪) আসল আমাকে বলল বাবা আমার মা মরি গেছে আমি এ কথা শুনে চমকে উঠলাম এরপর দেখি রান্না ঘরে আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে ফাঁসি দিলেন আমি আড়া থেকে রশি ছেড়ে দিয়ে, এবার আমার মামা জামালের নিকট দৌড়ে গিয়ে বললাম আপনার ভাইগ্না বৌ গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন এখন আমি কি করবো,তখন আঃ রহমান ও তার মামা জামাল জান্নাতের বাবার বাড়ি আসে এবং বলল আপনার মেয়ে জান্নাত গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায়, এরপর, কলাতলী তদন্ত ও পাড়ি থানার এসআই, মোঃ ইকবাল স্যার কে,৬ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার, মোঃ বাদশা আলম নিক্সন এর মাধ্যমে অবগত করি , এরপর এসাআই, ইকবাল হোসেন, ও তার ২ জন পুলিশ সদস্য ও বাদশা আলম নিক্সন মেম্বার ৬ নং ওয়ার্ড ও মোঃ সাহাবুদ্দিন মেম্বার ৮ নং ওয়ার্ড ৫ নং কলাতলী ইউনিয়ন পরিষদ,কে নিয়ে, আত্মহত্যা কারী জান্নাতের বাড়িতে আসেন এবং বিস্তারিত জানেন, এবং ফাইলে লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন। এরপর এসাআই মোঃ ইকবাল স্যার, মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ, এসআই জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম স্যার কে অবগত করেন এবং এসআই জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম স্যার বলেন , আত্মহত্যা কারী জান্নাতের অভিভাবক আমার নিকট পাঠান,তখন আত্মহত্যা কারী জান্নাতের স্বামী আঃ রহমান, নিক্সন মেম্বার ও সাহাবুদ্দিন মেম্বার, মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ এসআই মোঃ জহিরুল ইসলাম সাথে দেখা করেন এবং আত্মহত্যা কারী জান্নাতের ঘটনাটি বিস্তারিত বলেন,ঘটনাটি শুনে এসআই মোঃ জহিরুল ইসলাম স্যার জান্নাতের লাশকে অপমৃত্যুর ঘোষণা করেন এবং (পিএম) করার জন্যে ভোলা মর্গে পাঠানো জন্য বলেন।
















