ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

কাঁদা ছোড়াছুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বলেলেন রাশেদ খাঁন।

রিপোর্টার:-রাশেদ কবির
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

কাঁদা ছোড়াছুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বলেলেন রাশেদ খাঁন।

সোমবার (১৮সেপ্টেবর) গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন রেজাকিবরিয়া গংদের উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন-

গণঅধিকার পরিষদ কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত নেতৃত্বের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। অথচ গতকাল তাদের একজন আবারও গণমাধ্যমে দাবি করেছে তারাই একমাত্র বৈধ গণঅধিকার পরিষদ, বাকিরা অবৈধ! তাদের এতো রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সক্ষমতা থাকলে সারাদেশের জেলার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের ভোটের মাধ্যমে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত করে না কেন? তখন দেখা যাবে কত শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়। এরপর নিজেদের বৈধ দাবি করতে পারবে। এখন কথা হলো, যারা মুখে সারাক্ষণ গঠনতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু ১ নং যুগ্ম সদস্য সচিব থাকার পরেও, ২ নং যুগ্ম আহ্বায়ক কিভাবে ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হয়, সেই ব্যাখা তাদের গঠনতন্ত্র দিতে পারবে?

রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে। একসাথে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কেউ কারও ব্যক্তিগত শত্রু না। কিন্তু তারা যা করছে নোংরামির সীমা অতিক্রম করেছে। আমরা যেখানে নিশ্চুপ আছি, ডেড ইস্যু নিয়ে কোন আলোচনা করিনা। সেখানে তারা জেলায় জেলায় এখনো তারা কান পড়া দিচ্ছে, নোংরামি করছে, কতিপয় নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন লোভ দেখাচ্ছে। তারা এখন কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত নেতৃত্বের মাধ্যমে যে ছাত্র, যুব, শ্রমিক, পেশাজীবি অধিকার পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে, সেটা ষড়যন্ত্র করে ভাঙতে না পেরে ২-৪ জন বহিষ্কৃত ও নিষ্ক্রিয়দের নিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি দিতে চেষ্টা করছে।

তাদের বোঝা উচিত অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের লিডারশীপ তাদের সাথে নেই। সুতরাং এগুলো নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে হিতে বিপরীত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। সারাদেশে দল ও অঙ্গ- সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে, এসব বিষয়ে আপনারা সতর্ক ও সোচ্চার থাকবেন। কোন নেতাকর্মীকে যাতে তারা বিভ্রান্ত না করতে পারে।
আমরা কারও সাথে বৈরিতা ও শত্রুতা রেখে রাজনীতি করতে চাইনা। আমরা আমাদের থেকে বের হয়ে যাওয়া তরুণ বন্ধুদের প্রতি আহ্বান করবো, ষড়যন্ত্র, নোংরামি, কাঁদা ছোড়াছুড়ির তত্ত্ব থেকে বের হয়ে এসে পজিটিভ রাজনীতি করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কাঁদা ছোড়াছুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বলেলেন রাশেদ খাঁন।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কাঁদা ছোড়াছুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বলেলেন রাশেদ খাঁন।

সোমবার (১৮সেপ্টেবর) গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন রেজাকিবরিয়া গংদের উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন-

গণঅধিকার পরিষদ কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত নেতৃত্বের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। অথচ গতকাল তাদের একজন আবারও গণমাধ্যমে দাবি করেছে তারাই একমাত্র বৈধ গণঅধিকার পরিষদ, বাকিরা অবৈধ! তাদের এতো রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সক্ষমতা থাকলে সারাদেশের জেলার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের ভোটের মাধ্যমে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত করে না কেন? তখন দেখা যাবে কত শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়। এরপর নিজেদের বৈধ দাবি করতে পারবে। এখন কথা হলো, যারা মুখে সারাক্ষণ গঠনতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু ১ নং যুগ্ম সদস্য সচিব থাকার পরেও, ২ নং যুগ্ম আহ্বায়ক কিভাবে ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হয়, সেই ব্যাখা তাদের গঠনতন্ত্র দিতে পারবে?

রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে। একসাথে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কেউ কারও ব্যক্তিগত শত্রু না। কিন্তু তারা যা করছে নোংরামির সীমা অতিক্রম করেছে। আমরা যেখানে নিশ্চুপ আছি, ডেড ইস্যু নিয়ে কোন আলোচনা করিনা। সেখানে তারা জেলায় জেলায় এখনো তারা কান পড়া দিচ্ছে, নোংরামি করছে, কতিপয় নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন লোভ দেখাচ্ছে। তারা এখন কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত নেতৃত্বের মাধ্যমে যে ছাত্র, যুব, শ্রমিক, পেশাজীবি অধিকার পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে, সেটা ষড়যন্ত্র করে ভাঙতে না পেরে ২-৪ জন বহিষ্কৃত ও নিষ্ক্রিয়দের নিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি দিতে চেষ্টা করছে।

তাদের বোঝা উচিত অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের লিডারশীপ তাদের সাথে নেই। সুতরাং এগুলো নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে হিতে বিপরীত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। সারাদেশে দল ও অঙ্গ- সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে, এসব বিষয়ে আপনারা সতর্ক ও সোচ্চার থাকবেন। কোন নেতাকর্মীকে যাতে তারা বিভ্রান্ত না করতে পারে।
আমরা কারও সাথে বৈরিতা ও শত্রুতা রেখে রাজনীতি করতে চাইনা। আমরা আমাদের থেকে বের হয়ে যাওয়া তরুণ বন্ধুদের প্রতি আহ্বান করবো, ষড়যন্ত্র, নোংরামি, কাঁদা ছোড়াছুড়ির তত্ত্ব থেকে বের হয়ে এসে পজিটিভ রাজনীতি করুন।