ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

কে জানতো এই মেয়ে এতো বড় হবে? বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবো — ডা. তাসনিম জারা

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫ ১১০ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

“কে জানতো এই মেয়ে একদিন এতো বড় হবে? বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবে?”— এমনই দৃঢ় প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন ডা. তাসনিম জারা। চিকিৎসক, লেখক ও সমাজসেবক পরিচয়ের বাইরে তিনি এখন এক নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, কারণ তাঁর কর্মপ্রচেষ্টা দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
ডা. জারার জীবনের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ। গ্রামীণ পটভূমি থেকে উঠে এসে চিকিৎসা শিক্ষায় অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করার পাশাপাশি লেখালেখি ও সমাজসেবায় যুক্ত হয়ে তিনি তরুণদের মাঝে নতুন চিন্তার সঞ্চার করেছেন। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারে তাঁর কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, পরিবর্তন শুরু হয় সচেতনতা থেকে। তাই নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় তিনি সর্বদা জোর দিয়ে আসছেন একটি মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মকে সুসংগঠিত ও শিক্ষিত করে তুলতে পারলেই বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
তাসনিম জারার স্বপ্ন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি চান বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ন্যায়ের সমান সুযোগ পায়। তিনি বলেন—
“আমরা যদি চাই, আমাদের দেশকে নতুনভাবে গড়তে পারি। আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবে, আর সেই ইতিহাস বদলাবে তরুণদের হাত ধরে।”
রাজনীতি থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলন— সর্বত্র তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তিনি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর মতে, সময় এসেছে প্রথাগত সীমাবদ্ধতা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার।
ডা. তাসনিম জারার এই প্রত্যয় ও কর্মতৎপরতা প্রমাণ করছে, সত্যিই কে জানতো— একদিন এই মেয়ে দেশের ইতিহাস বদলে দেওয়ার স্বপ্ন বুনবে এবং লক্ষ লক্ষ তরুণের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কে জানতো এই মেয়ে এতো বড় হবে? বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবো — ডা. তাসনিম জারা

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

“কে জানতো এই মেয়ে একদিন এতো বড় হবে? বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবে?”— এমনই দৃঢ় প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন ডা. তাসনিম জারা। চিকিৎসক, লেখক ও সমাজসেবক পরিচয়ের বাইরে তিনি এখন এক নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, কারণ তাঁর কর্মপ্রচেষ্টা দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
ডা. জারার জীবনের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ। গ্রামীণ পটভূমি থেকে উঠে এসে চিকিৎসা শিক্ষায় অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করার পাশাপাশি লেখালেখি ও সমাজসেবায় যুক্ত হয়ে তিনি তরুণদের মাঝে নতুন চিন্তার সঞ্চার করেছেন। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারে তাঁর কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, পরিবর্তন শুরু হয় সচেতনতা থেকে। তাই নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় তিনি সর্বদা জোর দিয়ে আসছেন একটি মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মকে সুসংগঠিত ও শিক্ষিত করে তুলতে পারলেই বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
তাসনিম জারার স্বপ্ন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি চান বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ন্যায়ের সমান সুযোগ পায়। তিনি বলেন—
“আমরা যদি চাই, আমাদের দেশকে নতুনভাবে গড়তে পারি। আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশের ইতিহাস বদলাবে, আর সেই ইতিহাস বদলাবে তরুণদের হাত ধরে।”
রাজনীতি থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলন— সর্বত্র তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তিনি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর মতে, সময় এসেছে প্রথাগত সীমাবদ্ধতা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার।
ডা. তাসনিম জারার এই প্রত্যয় ও কর্মতৎপরতা প্রমাণ করছে, সত্যিই কে জানতো— একদিন এই মেয়ে দেশের ইতিহাস বদলে দেওয়ার স্বপ্ন বুনবে এবং লক্ষ লক্ষ তরুণের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে