ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা: ডাঃ সাবরিনা হোসেন মিষ্টির বহিষ্কারাদেশ বহাল — সকল ইউনিটকে পুনরায় সতর্কতা

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে যে, ডাঃ সাবরিনা হোসেন মিষ্টিকে গঠনতন্ত্র-বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১২ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে সংগঠনের সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। সংগঠনের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে—উক্ত বহিষ্কারাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এতে কোনো পরিবর্তন বা শিথিলতা আনা হয়নি।
জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী অজ্ঞতাবশত বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ স্থাপন করছেন, যা সম্পূর্ণরূপে বিধিবহির্ভূত এবং নীতিমালা লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের যোগাযোগ সংগঠনের শৃঙ্খলার প্রতি চরম অবমাননা বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়—জিসাসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যেকোনো বহিষ্কৃত ব্যক্তির নাম, পরিচয়, ছবি বা উপস্থিতি কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমে ব্যবহার করা যাবে না। কেন্দ্রীয় কমিটি তাই পুনরায় সকল বিভাগ, জেলা, মহানগর ও ইউনিট পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে।
সংগঠন জানায়, জিসাস তার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও আদর্শ রক্ষায় সর্বদা আপসহীন। সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং ঐক্য অটুট রাখতে এই সিদ্ধান্তের প্রতি সবাইকে কঠোরভাবে অনুগত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও কোনো বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষা বা তাদের মাধ্যমে কোনো কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জিসাসের এই ঘোষণা দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভেতরের অস্থিতিশীলতা রোধ করতে কঠোর সিদ্ধান্ত প্রয়োজন ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা: ডাঃ সাবরিনা হোসেন মিষ্টির বহিষ্কারাদেশ বহাল — সকল ইউনিটকে পুনরায় সতর্কতা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে যে, ডাঃ সাবরিনা হোসেন মিষ্টিকে গঠনতন্ত্র-বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১২ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে সংগঠনের সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। সংগঠনের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে—উক্ত বহিষ্কারাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এতে কোনো পরিবর্তন বা শিথিলতা আনা হয়নি।
জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী অজ্ঞতাবশত বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ স্থাপন করছেন, যা সম্পূর্ণরূপে বিধিবহির্ভূত এবং নীতিমালা লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের যোগাযোগ সংগঠনের শৃঙ্খলার প্রতি চরম অবমাননা বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়—জিসাসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যেকোনো বহিষ্কৃত ব্যক্তির নাম, পরিচয়, ছবি বা উপস্থিতি কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমে ব্যবহার করা যাবে না। কেন্দ্রীয় কমিটি তাই পুনরায় সকল বিভাগ, জেলা, মহানগর ও ইউনিট পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে।
সংগঠন জানায়, জিসাস তার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও আদর্শ রক্ষায় সর্বদা আপসহীন। সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং ঐক্য অটুট রাখতে এই সিদ্ধান্তের প্রতি সবাইকে কঠোরভাবে অনুগত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও কোনো বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষা বা তাদের মাধ্যমে কোনো কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জিসাসের এই ঘোষণা দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভেতরের অস্থিতিশীলতা রোধ করতে কঠোর সিদ্ধান্ত প্রয়োজন ছিল।