ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

টানা ৩৭ দিন তাপপ্রবাহের পর চুয়াডাঙ্গায় নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

টানা ৩৭ দিন তাপপ্রবাহের পর চুয়াডাঙ্গায় নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি। গতকাল সোমবার দুপুর ৩টা ৩৭ মিনিট থেকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত। চলে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। বৃষ্টির সাথে ছিল শিলা ও বজ্রপাত। বয়ে গেছে দমকা বাতাসও। এর আগে গতকাল সকাল চুয়াডাঙ্গার আকাশে ছিল মেঘের লুকোচুরি। দুপুর ৩টা থেকে মেঘের আনাগোনা বেড়ে যায়। এরপর ঝরতে থাকে বৃষ্টিধারা। এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির পর শান্তির পরশ ছুঁয়ে যায় জনজীবনে। কমে যায় গরমের অনুভূতিও। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয় ২৪ মিলিমিটার আর শিলা রেকর্ড করা হয়েছে যার ডায়ামিটার ১ সেন্টিমিটার।গত এপ্রিল মাসজুড়ে এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে অতি তীব্র আকারের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। গত এক মাসের মধ্যে মাত্র ৪দিন স্বাভাবিক তাপমাত্রা বিরাজ করছিল এ জেলায়। টানা এ খরতাপের মধ্যে বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছিল মানুষ। অবশেষে সেই বহুল কাক্সিক্ষত বৃষ্টির দেখা মেলায় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। অনেকে বৃষ্টি বিলাশে মেতে ওঠেন। অনেকে আবার শান্তির পরশ ছুঁতে বৃষ্টির পানিতে গা ভেজান।চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার এলাকার চা দোকানী আশাদুল আলম জানান, সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও ভ্যাপসা গরম ছিল। কিন্তু দুপুরের পর বৃষ্টি শুরু হলে পরিবেশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। খুব গরমের কষ্ট মুছে গেল এক বৃষ্টিতেই।বেসরকারি চাকরিজীবী আহসানুল হক জানান, চুয়াডাঙ্গায় গরমের অনুভূতি অনেক বেশি। দিন রাতে যেভাবে গরম সহ্য করতে হলো আজকের দিনটা অন্তত ভালো কাটবে। বৃষ্টির পরশে হিম হিম বাতাসে প্রাণটা জুড়িয়ে গেল।চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া যায়। কোথাও কোথাও আগে থেকেই বৃষ্টি ও ঝড়ের খবর পাওয়া গেলেও সোমবার দুপুরের পর থেকে চুয়াডাঙ্গায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আগামী ১২ মে পযন্ত বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টানা ৩৭ দিন তাপপ্রবাহের পর চুয়াডাঙ্গায় নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

টানা ৩৭ দিন তাপপ্রবাহের পর চুয়াডাঙ্গায় নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি। গতকাল সোমবার দুপুর ৩টা ৩৭ মিনিট থেকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত। চলে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। বৃষ্টির সাথে ছিল শিলা ও বজ্রপাত। বয়ে গেছে দমকা বাতাসও। এর আগে গতকাল সকাল চুয়াডাঙ্গার আকাশে ছিল মেঘের লুকোচুরি। দুপুর ৩টা থেকে মেঘের আনাগোনা বেড়ে যায়। এরপর ঝরতে থাকে বৃষ্টিধারা। এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির পর শান্তির পরশ ছুঁয়ে যায় জনজীবনে। কমে যায় গরমের অনুভূতিও। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয় ২৪ মিলিমিটার আর শিলা রেকর্ড করা হয়েছে যার ডায়ামিটার ১ সেন্টিমিটার।গত এপ্রিল মাসজুড়ে এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে অতি তীব্র আকারের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। গত এক মাসের মধ্যে মাত্র ৪দিন স্বাভাবিক তাপমাত্রা বিরাজ করছিল এ জেলায়। টানা এ খরতাপের মধ্যে বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছিল মানুষ। অবশেষে সেই বহুল কাক্সিক্ষত বৃষ্টির দেখা মেলায় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। অনেকে বৃষ্টি বিলাশে মেতে ওঠেন। অনেকে আবার শান্তির পরশ ছুঁতে বৃষ্টির পানিতে গা ভেজান।চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার এলাকার চা দোকানী আশাদুল আলম জানান, সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও ভ্যাপসা গরম ছিল। কিন্তু দুপুরের পর বৃষ্টি শুরু হলে পরিবেশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। খুব গরমের কষ্ট মুছে গেল এক বৃষ্টিতেই।বেসরকারি চাকরিজীবী আহসানুল হক জানান, চুয়াডাঙ্গায় গরমের অনুভূতি অনেক বেশি। দিন রাতে যেভাবে গরম সহ্য করতে হলো আজকের দিনটা অন্তত ভালো কাটবে। বৃষ্টির পরশে হিম হিম বাতাসে প্রাণটা জুড়িয়ে গেল।চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া যায়। কোথাও কোথাও আগে থেকেই বৃষ্টি ও ঝড়ের খবর পাওয়া গেলেও সোমবার দুপুরের পর থেকে চুয়াডাঙ্গায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আগামী ১২ মে পযন্ত বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।