ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

নওতাপের ভয়ানক প্রভাব চুয়াডাঙ্গা জেলায়।।নাভিশ্বাস নিন্ম আয়ের জনগণের

শাকিল আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তীব্র দাবদাহ,সেইসঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ।শুক্রবার (২৪ মে) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, ১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠল। এ কয়দিন তাপমাত্রা ৩২-৩৯ ডিগ্রির মধ্য উঠানামা করছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ। আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরম বেশি লাগছে।তিনি বলেন, গত ৬ মে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ মে এ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।প্রসঙ্গত, গত ৩০ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।গরমে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সকল পেশাজীবী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের আইনজীবী তসলিম আহমেদ ফিরোজ বলেন, দিনে-রাতে সমান গরম লাগছে। বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশুরা গরমে অস্থির হয়ে পড়ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি যখন ছিল তখনও এত বেশি গরম অনুভূত হয়নি।চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়িপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল শেখ বলেন, ভ্যাপসা গরমে কোথাও শান্তি পাচ্ছি না। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি আসবেনা।চুয়াডাঙ্গা জয়রামপুর গ্রামের ভ্যানচালক অহিদ জানান, মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়ছে। সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম। ভাড়া নেই বললেই চলে। গরমের কারণে রোজগার কম হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নওতাপের ভয়ানক প্রভাব চুয়াডাঙ্গা জেলায়।।নাভিশ্বাস নিন্ম আয়ের জনগণের

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তীব্র দাবদাহ,সেইসঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ।শুক্রবার (২৪ মে) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, ১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠল। এ কয়দিন তাপমাত্রা ৩২-৩৯ ডিগ্রির মধ্য উঠানামা করছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ। আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরম বেশি লাগছে।তিনি বলেন, গত ৬ মে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ মে এ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।প্রসঙ্গত, গত ৩০ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।গরমে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সকল পেশাজীবী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের আইনজীবী তসলিম আহমেদ ফিরোজ বলেন, দিনে-রাতে সমান গরম লাগছে। বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশুরা গরমে অস্থির হয়ে পড়ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি যখন ছিল তখনও এত বেশি গরম অনুভূত হয়নি।চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়িপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল শেখ বলেন, ভ্যাপসা গরমে কোথাও শান্তি পাচ্ছি না। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি আসবেনা।চুয়াডাঙ্গা জয়রামপুর গ্রামের ভ্যানচালক অহিদ জানান, মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়ছে। সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম। ভাড়া নেই বললেই চলে। গরমের কারণে রোজগার কম হচ্ছে।