ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

নওতাপের ভয়ানক প্রভাব চুয়াডাঙ্গা জেলায়।।নাভিশ্বাস নিন্ম আয়ের জনগণের

শাকিল আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তীব্র দাবদাহ,সেইসঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ।শুক্রবার (২৪ মে) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, ১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠল। এ কয়দিন তাপমাত্রা ৩২-৩৯ ডিগ্রির মধ্য উঠানামা করছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ। আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরম বেশি লাগছে।তিনি বলেন, গত ৬ মে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ মে এ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।প্রসঙ্গত, গত ৩০ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।গরমে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সকল পেশাজীবী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের আইনজীবী তসলিম আহমেদ ফিরোজ বলেন, দিনে-রাতে সমান গরম লাগছে। বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশুরা গরমে অস্থির হয়ে পড়ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি যখন ছিল তখনও এত বেশি গরম অনুভূত হয়নি।চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়িপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল শেখ বলেন, ভ্যাপসা গরমে কোথাও শান্তি পাচ্ছি না। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি আসবেনা।চুয়াডাঙ্গা জয়রামপুর গ্রামের ভ্যানচালক অহিদ জানান, মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়ছে। সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম। ভাড়া নেই বললেই চলে। গরমের কারণে রোজগার কম হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নওতাপের ভয়ানক প্রভাব চুয়াডাঙ্গা জেলায়।।নাভিশ্বাস নিন্ম আয়ের জনগণের

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তীব্র দাবদাহ,সেইসঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ।শুক্রবার (২৪ মে) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, ১৮ দিন পর ফের চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠল। এ কয়দিন তাপমাত্রা ৩২-৩৯ ডিগ্রির মধ্য উঠানামা করছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ। আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরম বেশি লাগছে।তিনি বলেন, গত ৬ মে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ মে এ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।প্রসঙ্গত, গত ৩০ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।গরমে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সকল পেশাজীবী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের আইনজীবী তসলিম আহমেদ ফিরোজ বলেন, দিনে-রাতে সমান গরম লাগছে। বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশুরা গরমে অস্থির হয়ে পড়ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি যখন ছিল তখনও এত বেশি গরম অনুভূত হয়নি।চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়িপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল শেখ বলেন, ভ্যাপসা গরমে কোথাও শান্তি পাচ্ছি না। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি আসবেনা।চুয়াডাঙ্গা জয়রামপুর গ্রামের ভ্যানচালক অহিদ জানান, মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়ছে। সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম। ভাড়া নেই বললেই চলে। গরমের কারণে রোজগার কম হচ্ছে।