ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

নাগরপুরের বুদ্দু মিয়ার বাঁচার আকুতি: “একটু সাহায্য পেলে বাঁচতে পারে একটি পরিবার”

সিপন রানা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫ ৯০ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুয়াজানি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বুদ্দু মিয়া (৪০) বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। মেরুদণ্ডের গুরুতর সমস্যায় তিনি এখন সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মেরুদণ্ডের জয়েন্ট আলাদা হয়ে গেছে—দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। খরচ আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা।দীর্ঘদিন ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালিয়েছেন বুদ্দু মিয়া। স্ত্রী জহুরা বেগম (৩০) ও দুই শিশু সন্তান জহিরুল (৯) এবং জিসান (৬) কে নিয়ে তার ছোট্ট সংসারে একসময় অভাব ছিল, কিন্তু হতাশা ছিল না। কিন্তু এখন তিনি নিজের শরীরটাই ব্যবহার করতে পারেন না। চিকিৎসার খরচ চালাতে একমাত্র থাকার ঘরটিও বিক্রি করে দিয়েছেন।স্ত্রী জহুরা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন,“আমরা ঘর বিক্রি করেছি, এখন মাথা গোঁজার জায়গাও নেই। স্বামী একেবারে অচল হয়ে গেছে। দুই বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবো? দয়ালু মানুষরা যদি একটু সাহায্য করেন, হয়তো স্বামীকে বাঁচানো যাবে।”বড় ছেলে জহিরুল চোখ মুছে বলে,“আমার বাবা আমাদের জন্য দিন-রাত কাজ করতেন। এখন বিছানা থেকে উঠতেই পারেন না। শুধু চাই, বাবা আবার হাঁটুন, আমাদের পাশে থাকুন।”প্রতিবেশীরা বলছেন, বুদ্দু মিয়া একজন সৎ, পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। দুঃসময়ে তিনি সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখন তিনি নিজেই সাহায্যের অপেক্ষায়।পিতা মোঃ শুকুর মিয়া (৮০) কাঁপা কণ্ঠে বলেন,“আমি অসহায়। ছেলে সারাজীবন খেটেছে, আজ সে পড়ে আছে। তার চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। সবার কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি—আমার ছেলেকে বাঁচান।”স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল মিয়া বলেন,“এই মানুষটি জীবনের প্রতিটি দিন শ্রম দিয়ে পার করেছেন। আজ তিনি জীবনযুদ্ধে হেরে যাচ্ছেন। আমি সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও দয়ালু হৃদয়ের মানুষদের অনুরোধ করছি—এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।”

📞 সহযোগিতার বিকাশ নম্বর (পারসোনাল): ০১৩২৭-৩৯১৭৫১
(জহুরা বেগম, স্ত্রী)একটি ছোট সহানুভূতি ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবন।আসুন, আমরা একসাথে বুদ্দু মিয়ার পাশে দাঁড়াই। জীবন ফিরিয়ে দিই একটি অসহায় পরিবারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরের বুদ্দু মিয়ার বাঁচার আকুতি: “একটু সাহায্য পেলে বাঁচতে পারে একটি পরিবার”

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুয়াজানি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বুদ্দু মিয়া (৪০) বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। মেরুদণ্ডের গুরুতর সমস্যায় তিনি এখন সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মেরুদণ্ডের জয়েন্ট আলাদা হয়ে গেছে—দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। খরচ আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা।দীর্ঘদিন ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালিয়েছেন বুদ্দু মিয়া। স্ত্রী জহুরা বেগম (৩০) ও দুই শিশু সন্তান জহিরুল (৯) এবং জিসান (৬) কে নিয়ে তার ছোট্ট সংসারে একসময় অভাব ছিল, কিন্তু হতাশা ছিল না। কিন্তু এখন তিনি নিজের শরীরটাই ব্যবহার করতে পারেন না। চিকিৎসার খরচ চালাতে একমাত্র থাকার ঘরটিও বিক্রি করে দিয়েছেন।স্ত্রী জহুরা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন,“আমরা ঘর বিক্রি করেছি, এখন মাথা গোঁজার জায়গাও নেই। স্বামী একেবারে অচল হয়ে গেছে। দুই বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবো? দয়ালু মানুষরা যদি একটু সাহায্য করেন, হয়তো স্বামীকে বাঁচানো যাবে।”বড় ছেলে জহিরুল চোখ মুছে বলে,“আমার বাবা আমাদের জন্য দিন-রাত কাজ করতেন। এখন বিছানা থেকে উঠতেই পারেন না। শুধু চাই, বাবা আবার হাঁটুন, আমাদের পাশে থাকুন।”প্রতিবেশীরা বলছেন, বুদ্দু মিয়া একজন সৎ, পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। দুঃসময়ে তিনি সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখন তিনি নিজেই সাহায্যের অপেক্ষায়।পিতা মোঃ শুকুর মিয়া (৮০) কাঁপা কণ্ঠে বলেন,“আমি অসহায়। ছেলে সারাজীবন খেটেছে, আজ সে পড়ে আছে। তার চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। সবার কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি—আমার ছেলেকে বাঁচান।”স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল মিয়া বলেন,“এই মানুষটি জীবনের প্রতিটি দিন শ্রম দিয়ে পার করেছেন। আজ তিনি জীবনযুদ্ধে হেরে যাচ্ছেন। আমি সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও দয়ালু হৃদয়ের মানুষদের অনুরোধ করছি—এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।”

📞 সহযোগিতার বিকাশ নম্বর (পারসোনাল): ০১৩২৭-৩৯১৭৫১
(জহুরা বেগম, স্ত্রী)একটি ছোট সহানুভূতি ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবন।আসুন, আমরা একসাথে বুদ্দু মিয়ার পাশে দাঁড়াই। জীবন ফিরিয়ে দিই একটি অসহায় পরিবারে।