ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

পল্টনে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিল পুলিশ কর্মকর্তা।

মোঃআরাফাত হোসেন(জেলা প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

পল্টনে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা

এসি পেট্রোল মামুন

 

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

 

 

দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রী কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

 

এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

 

এসময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইলে ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এসময় সাংবাদিকরা এসির কাছে জানতে জানতে চান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না? জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পল্টনে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিল পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩

পল্টনে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা

এসি পেট্রোল মামুন

 

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

 

 

দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রী কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

 

এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

 

এসময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইলে ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এসময় সাংবাদিকরা এসির কাছে জানতে জানতে চান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না? জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।