ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

পল্টনে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিল পুলিশ কর্মকর্তা।

মোঃআরাফাত হোসেন(জেলা প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩ ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

পল্টনে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা

এসি পেট্রোল মামুন

 

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

 

 

দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রী কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

 

এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

 

এসময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইলে ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এসময় সাংবাদিকরা এসির কাছে জানতে জানতে চান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না? জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পল্টনে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিল পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩

পল্টনে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা

এসি পেট্রোল মামুন

 

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

 

 

দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রী কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

 

এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

 

এসময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইলে ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এসময় সাংবাদিকরা এসির কাছে জানতে জানতে চান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না? জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।