ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি

রিপোর্টার:-সৈয়দ আল ইমরান
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি..???

লিখছেন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশা

শুধু আমি না, প্রত্যেক টা হলের পদ প্রাপ্ত মেয়েদের একি অবস্থা..
কত সিনিয়র ভাইকে খুশী করে এই পদটা পেয়েছি সেটা আমি জানি.. যাইহোক, পদটা পেলাম, ভাবলাম এইবার তাহলে সব খেলা শেষ.. ও মাহ..! এ দেখি আরো কঠিন অবস্থা..!!
বড় ভাইয়েরা যুক্তি দিয়ে বলে…
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন…।
বুঝে গেলাম, পদটা রক্ষা করার জন্য ক্রমশই তাদের খুশী করতে হবে.. !! অনিচ্চা স্বত্তেও মেনে নিলাম..
ভাবলাম আর কি করবি..!!!
আমার সাথে ফুর্তি করবি,কর অসুবিধা নেই..দেখি কতদিন এভাবে চালাতে পারিস..?
কিছু দিন পর বুঝলাম, এটুকুতেই শেষ নয়..। নতুন নতুন সব সুন্দরী মেয়েদেরকে ম্যানেজ করে দেওয়ার দায়িত্বটাও সভাপতির..! তাই অনিচ্ছা স্বত্তেও অনেক কে মেনেজ করে দিতে হতো..!!!
যদি কথা না শুনি, তাহলে ওই দিন রাতে তাদের হাতেই ধর্ষিত হতে হয় অনেক বার…
তাই নিজেকে একটু বাচিয়ে রাখার জন্য ওদের কে বুঝিয়ে ভাইদের কাছে পাঠাতাম..। কেউ না গেলে মারধর করতাম..! বেছ এত টুকুই..
এখন তো সবাই আমাকে দোষারুপ করছেন..? আমি আর কি করবো? ভাইদের খুশী করার জন্য অই মেয়ের সাথে গেঞ্জাম করেছিলাম, এখন আমি নিজেই বহিষ্কৃত.. বাহ! বাহ! বাহ
শুধু আমার এই অবস্থা হলে কোন কথা ছিলো না..। খেয়াল করে দেখবেন প্রত্যেকটি কমিটির পদপ্রাপ্ত প্রত্যেকটা মেয়েই সুন্দরী, কারণ সুন্দরী ছাড়া পদ পাওয়া যায় না..! আর বড় ভাইয়েরা সুন্দরী ছাড়া ভোগ ও করতে চায় না..!
প্রত্যেক কমিটির পদ প্রাপ্ত প্রত্যেকটি মেয়ে ভাইদেরকে ক্রমশই খুশী করে আসতেছে..। আর যখন ই কেউ নাকুচ করে, অথবা করতে চায় না, তখনই শুরু হয় অপমান হওয়া আর অবাঞ্চিত ঘোষণা..
সহ্যের বাঁধ টা ভেংগে গেলো..
ভাইদের খুশী করে ও পারলাম না..!!
পদটা ও হারালাম,সম্মান-ইজ্জত সবই শেষ !
এখন আর সত্য বলতে দ্বিধা কিসের? প্রাণ টা যাবে…। যাক না…!!!
তবু বেচে যাক কয়েক হাজার তরুনীর ইজ্জত..!!
———ইতি বহিষ্কৃত আপনাদের এশা
গতকাল ভোর ৬.১৯ মিনিটে পোস্ট টা তার ওয়ালে ছিলো ৪০ সেকেন্ডের মতো, তার পরক্ষণেই উধাও…!!!

কাকে যে কি বলবো?
এই হলো জাগতিক ছাত্র রাজনীতির নোংরা অবস্থা।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি..???

লিখছেন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশা

শুধু আমি না, প্রত্যেক টা হলের পদ প্রাপ্ত মেয়েদের একি অবস্থা..
কত সিনিয়র ভাইকে খুশী করে এই পদটা পেয়েছি সেটা আমি জানি.. যাইহোক, পদটা পেলাম, ভাবলাম এইবার তাহলে সব খেলা শেষ.. ও মাহ..! এ দেখি আরো কঠিন অবস্থা..!!
বড় ভাইয়েরা যুক্তি দিয়ে বলে…
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন…।
বুঝে গেলাম, পদটা রক্ষা করার জন্য ক্রমশই তাদের খুশী করতে হবে.. !! অনিচ্চা স্বত্তেও মেনে নিলাম..
ভাবলাম আর কি করবি..!!!
আমার সাথে ফুর্তি করবি,কর অসুবিধা নেই..দেখি কতদিন এভাবে চালাতে পারিস..?
কিছু দিন পর বুঝলাম, এটুকুতেই শেষ নয়..। নতুন নতুন সব সুন্দরী মেয়েদেরকে ম্যানেজ করে দেওয়ার দায়িত্বটাও সভাপতির..! তাই অনিচ্ছা স্বত্তেও অনেক কে মেনেজ করে দিতে হতো..!!!
যদি কথা না শুনি, তাহলে ওই দিন রাতে তাদের হাতেই ধর্ষিত হতে হয় অনেক বার…
তাই নিজেকে একটু বাচিয়ে রাখার জন্য ওদের কে বুঝিয়ে ভাইদের কাছে পাঠাতাম..। কেউ না গেলে মারধর করতাম..! বেছ এত টুকুই..
এখন তো সবাই আমাকে দোষারুপ করছেন..? আমি আর কি করবো? ভাইদের খুশী করার জন্য অই মেয়ের সাথে গেঞ্জাম করেছিলাম, এখন আমি নিজেই বহিষ্কৃত.. বাহ! বাহ! বাহ
শুধু আমার এই অবস্থা হলে কোন কথা ছিলো না..। খেয়াল করে দেখবেন প্রত্যেকটি কমিটির পদপ্রাপ্ত প্রত্যেকটা মেয়েই সুন্দরী, কারণ সুন্দরী ছাড়া পদ পাওয়া যায় না..! আর বড় ভাইয়েরা সুন্দরী ছাড়া ভোগ ও করতে চায় না..!
প্রত্যেক কমিটির পদ প্রাপ্ত প্রত্যেকটি মেয়ে ভাইদেরকে ক্রমশই খুশী করে আসতেছে..। আর যখন ই কেউ নাকুচ করে, অথবা করতে চায় না, তখনই শুরু হয় অপমান হওয়া আর অবাঞ্চিত ঘোষণা..
সহ্যের বাঁধ টা ভেংগে গেলো..
ভাইদের খুশী করে ও পারলাম না..!!
পদটা ও হারালাম,সম্মান-ইজ্জত সবই শেষ !
এখন আর সত্য বলতে দ্বিধা কিসের? প্রাণ টা যাবে…। যাক না…!!!
তবু বেচে যাক কয়েক হাজার তরুনীর ইজ্জত..!!
———ইতি বহিষ্কৃত আপনাদের এশা
গতকাল ভোর ৬.১৯ মিনিটে পোস্ট টা তার ওয়ালে ছিলো ৪০ সেকেন্ডের মতো, তার পরক্ষণেই উধাও…!!!

কাকে যে কি বলবো?
এই হলো জাগতিক ছাত্র রাজনীতির নোংরা অবস্থা।।