ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি

রিপোর্টার:-সৈয়দ আল ইমরান
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি..???

লিখছেন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশা

শুধু আমি না, প্রত্যেক টা হলের পদ প্রাপ্ত মেয়েদের একি অবস্থা..
কত সিনিয়র ভাইকে খুশী করে এই পদটা পেয়েছি সেটা আমি জানি.. যাইহোক, পদটা পেলাম, ভাবলাম এইবার তাহলে সব খেলা শেষ.. ও মাহ..! এ দেখি আরো কঠিন অবস্থা..!!
বড় ভাইয়েরা যুক্তি দিয়ে বলে…
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন…।
বুঝে গেলাম, পদটা রক্ষা করার জন্য ক্রমশই তাদের খুশী করতে হবে.. !! অনিচ্চা স্বত্তেও মেনে নিলাম..
ভাবলাম আর কি করবি..!!!
আমার সাথে ফুর্তি করবি,কর অসুবিধা নেই..দেখি কতদিন এভাবে চালাতে পারিস..?
কিছু দিন পর বুঝলাম, এটুকুতেই শেষ নয়..। নতুন নতুন সব সুন্দরী মেয়েদেরকে ম্যানেজ করে দেওয়ার দায়িত্বটাও সভাপতির..! তাই অনিচ্ছা স্বত্তেও অনেক কে মেনেজ করে দিতে হতো..!!!
যদি কথা না শুনি, তাহলে ওই দিন রাতে তাদের হাতেই ধর্ষিত হতে হয় অনেক বার…
তাই নিজেকে একটু বাচিয়ে রাখার জন্য ওদের কে বুঝিয়ে ভাইদের কাছে পাঠাতাম..। কেউ না গেলে মারধর করতাম..! বেছ এত টুকুই..
এখন তো সবাই আমাকে দোষারুপ করছেন..? আমি আর কি করবো? ভাইদের খুশী করার জন্য অই মেয়ের সাথে গেঞ্জাম করেছিলাম, এখন আমি নিজেই বহিষ্কৃত.. বাহ! বাহ! বাহ
শুধু আমার এই অবস্থা হলে কোন কথা ছিলো না..। খেয়াল করে দেখবেন প্রত্যেকটি কমিটির পদপ্রাপ্ত প্রত্যেকটা মেয়েই সুন্দরী, কারণ সুন্দরী ছাড়া পদ পাওয়া যায় না..! আর বড় ভাইয়েরা সুন্দরী ছাড়া ভোগ ও করতে চায় না..!
প্রত্যেক কমিটির পদ প্রাপ্ত প্রত্যেকটি মেয়ে ভাইদেরকে ক্রমশই খুশী করে আসতেছে..। আর যখন ই কেউ নাকুচ করে, অথবা করতে চায় না, তখনই শুরু হয় অপমান হওয়া আর অবাঞ্চিত ঘোষণা..
সহ্যের বাঁধ টা ভেংগে গেলো..
ভাইদের খুশী করে ও পারলাম না..!!
পদটা ও হারালাম,সম্মান-ইজ্জত সবই শেষ !
এখন আর সত্য বলতে দ্বিধা কিসের? প্রাণ টা যাবে…। যাক না…!!!
তবু বেচে যাক কয়েক হাজার তরুনীর ইজ্জত..!!
———ইতি বহিষ্কৃত আপনাদের এশা
গতকাল ভোর ৬.১৯ মিনিটে পোস্ট টা তার ওয়ালে ছিলো ৪০ সেকেন্ডের মতো, তার পরক্ষণেই উধাও…!!!

কাকে যে কি বলবো?
এই হলো জাগতিক ছাত্র রাজনীতির নোংরা অবস্থা।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশার প্রশ্ন, সভাপতি কি আমি এম্নে এম্নেই হয়েছি..???

লিখছেন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী এশা

শুধু আমি না, প্রত্যেক টা হলের পদ প্রাপ্ত মেয়েদের একি অবস্থা..
কত সিনিয়র ভাইকে খুশী করে এই পদটা পেয়েছি সেটা আমি জানি.. যাইহোক, পদটা পেলাম, ভাবলাম এইবার তাহলে সব খেলা শেষ.. ও মাহ..! এ দেখি আরো কঠিন অবস্থা..!!
বড় ভাইয়েরা যুক্তি দিয়ে বলে…
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন…।
বুঝে গেলাম, পদটা রক্ষা করার জন্য ক্রমশই তাদের খুশী করতে হবে.. !! অনিচ্চা স্বত্তেও মেনে নিলাম..
ভাবলাম আর কি করবি..!!!
আমার সাথে ফুর্তি করবি,কর অসুবিধা নেই..দেখি কতদিন এভাবে চালাতে পারিস..?
কিছু দিন পর বুঝলাম, এটুকুতেই শেষ নয়..। নতুন নতুন সব সুন্দরী মেয়েদেরকে ম্যানেজ করে দেওয়ার দায়িত্বটাও সভাপতির..! তাই অনিচ্ছা স্বত্তেও অনেক কে মেনেজ করে দিতে হতো..!!!
যদি কথা না শুনি, তাহলে ওই দিন রাতে তাদের হাতেই ধর্ষিত হতে হয় অনেক বার…
তাই নিজেকে একটু বাচিয়ে রাখার জন্য ওদের কে বুঝিয়ে ভাইদের কাছে পাঠাতাম..। কেউ না গেলে মারধর করতাম..! বেছ এত টুকুই..
এখন তো সবাই আমাকে দোষারুপ করছেন..? আমি আর কি করবো? ভাইদের খুশী করার জন্য অই মেয়ের সাথে গেঞ্জাম করেছিলাম, এখন আমি নিজেই বহিষ্কৃত.. বাহ! বাহ! বাহ
শুধু আমার এই অবস্থা হলে কোন কথা ছিলো না..। খেয়াল করে দেখবেন প্রত্যেকটি কমিটির পদপ্রাপ্ত প্রত্যেকটা মেয়েই সুন্দরী, কারণ সুন্দরী ছাড়া পদ পাওয়া যায় না..! আর বড় ভাইয়েরা সুন্দরী ছাড়া ভোগ ও করতে চায় না..!
প্রত্যেক কমিটির পদ প্রাপ্ত প্রত্যেকটি মেয়ে ভাইদেরকে ক্রমশই খুশী করে আসতেছে..। আর যখন ই কেউ নাকুচ করে, অথবা করতে চায় না, তখনই শুরু হয় অপমান হওয়া আর অবাঞ্চিত ঘোষণা..
সহ্যের বাঁধ টা ভেংগে গেলো..
ভাইদের খুশী করে ও পারলাম না..!!
পদটা ও হারালাম,সম্মান-ইজ্জত সবই শেষ !
এখন আর সত্য বলতে দ্বিধা কিসের? প্রাণ টা যাবে…। যাক না…!!!
তবু বেচে যাক কয়েক হাজার তরুনীর ইজ্জত..!!
———ইতি বহিষ্কৃত আপনাদের এশা
গতকাল ভোর ৬.১৯ মিনিটে পোস্ট টা তার ওয়ালে ছিলো ৪০ সেকেন্ডের মতো, তার পরক্ষণেই উধাও…!!!

কাকে যে কি বলবো?
এই হলো জাগতিক ছাত্র রাজনীতির নোংরা অবস্থা।।