ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র

সিপন রানা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র

 

সহিংসতার নিন্দা, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র: মুখপাত্র মিলার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনে হলে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।সোমবার অনুষ্ঠিত স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা এবং সহিংসতার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহবান জানিয়েছেন তিনি।আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলার বলেন, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সকলের দায়িত্ব। ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, সুশীল সমাজ এবং মিডিয়া–এটা সকলের দায়িত্ব।

বিরোধীদলের সমাবেশে হামলা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের

ধরপাকড়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ব্রিফিংয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট

করেসপন্ডেন্ট মুশফিকুল ফজল আনসারী জানতে চান,”বাংলাদেশে বিরোধীদলের সমাবেশে হামলা এবং সহিংসতা নিয়ে আপনার বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি। পুলিশ অনেকটা

পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালিয়েছে। তারা সমাবেশের পূর্বে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর বিএনপির মহাসচিবসহ

দলটির শতশত নেতাকর্মীকে আটক করেছে, আটক থেকে বাদ পড়েনি বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যরাও। বিরোধী নেতাকর্মীদের দেশজুড়ে বিরুদ্ধে শত শত মামলা দায়ের

করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে দেখছে?”জবাবে মিলার বলেন, “২৮ অক্টোবর ঢাকায় সংগঠিত রাজনৈতিক সহিংসতায় আমরা নিন্দা জানাই। পুলিশ সদস্য এবং রাজনৈতিক কর্মীর নিহত হওয়া, হাসপাতাল ও বাসে আগুন দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। একইভাবে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের ওপর হামলা অগ্রহণযোগ্য। আমরা কর্তৃপক্ষকে আহবান জানাই তারা যেনো ২৮ অক্টোবরের সমাবেশে সহিংসতার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে এবং দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসে। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সকলের দায়িত্ব। ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, সুশীল সমাজ এবং মিডিয়া–এটা সকলের দায়িত্ব।”

অপর এক প্রশ্নে মুশফিক জানতে চান, “সম্প্রতি বিরোধীদলের বিভিন্ন নেতা এবং ভিন্নমতের মানুষদের সঙ্গে বৈঠক করা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেছে সরকারের মদদপুষ্ট কিছু মিডিয়া এবং তাদের সমর্থকরা। এইসব মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে সরকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কূটনৈতিকদের ওপর নজরদারি করছে। যুক্তরাষ্ট্র কী এ ধরনের নজরদারি করার অনুমতি দিবে?”

জবাবে মিলার বলেন, “আমাদের কূটনীতিকদের বিস্তৃত পরিসরে যোগোযোগ করতে হয়, যেমন সুশীল সমাজ, পেশাজীবি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে হয়। এটা তাদের নিয়মিত কাজের অংশ এবং কূটনীতিকরা তাদের এই কাজ অব্যাহত রাখবেন।”সহিংস কর্মকান্ড এবং প্রাণহানির দায়ে ক্ষমতাসীন দলের

অংগসংগঠন ছাত্রলীগ এবং যুবলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কী না–বাংলাদেশি এক সাংবাদিকের করা অপর এক প্রশ্নের

জবাবে মিলার বলেন, “আমি বাংলাদেশ নিয়ে এর আগে করা প্রশ্নের উত্তরে যা বলেছি সেটা এক্ষেত্রেও কার্যকর। আমরা এটা স্পষ্ট করে বলেছি যে– বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সমর্থনে প্রয়োজনে হলে আমরা যেকোনো পদক্ষেপ নেবো। যা আমি পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে এই মুহুর্তে পর্যালোচনা করছিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র

 

সহিংসতার নিন্দা, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিবে যুক্তরাষ্ট্র: মুখপাত্র মিলার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনে হলে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।সোমবার অনুষ্ঠিত স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা এবং সহিংসতার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহবান জানিয়েছেন তিনি।আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলার বলেন, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সকলের দায়িত্ব। ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, সুশীল সমাজ এবং মিডিয়া–এটা সকলের দায়িত্ব।

বিরোধীদলের সমাবেশে হামলা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের

ধরপাকড়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ব্রিফিংয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট

করেসপন্ডেন্ট মুশফিকুল ফজল আনসারী জানতে চান,”বাংলাদেশে বিরোধীদলের সমাবেশে হামলা এবং সহিংসতা নিয়ে আপনার বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি। পুলিশ অনেকটা

পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালিয়েছে। তারা সমাবেশের পূর্বে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর বিএনপির মহাসচিবসহ

দলটির শতশত নেতাকর্মীকে আটক করেছে, আটক থেকে বাদ পড়েনি বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যরাও। বিরোধী নেতাকর্মীদের দেশজুড়ে বিরুদ্ধে শত শত মামলা দায়ের

করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে দেখছে?”জবাবে মিলার বলেন, “২৮ অক্টোবর ঢাকায় সংগঠিত রাজনৈতিক সহিংসতায় আমরা নিন্দা জানাই। পুলিশ সদস্য এবং রাজনৈতিক কর্মীর নিহত হওয়া, হাসপাতাল ও বাসে আগুন দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। একইভাবে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের ওপর হামলা অগ্রহণযোগ্য। আমরা কর্তৃপক্ষকে আহবান জানাই তারা যেনো ২৮ অক্টোবরের সমাবেশে সহিংসতার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে এবং দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসে। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সকলের দায়িত্ব। ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, সুশীল সমাজ এবং মিডিয়া–এটা সকলের দায়িত্ব।”

অপর এক প্রশ্নে মুশফিক জানতে চান, “সম্প্রতি বিরোধীদলের বিভিন্ন নেতা এবং ভিন্নমতের মানুষদের সঙ্গে বৈঠক করা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেছে সরকারের মদদপুষ্ট কিছু মিডিয়া এবং তাদের সমর্থকরা। এইসব মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে সরকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কূটনৈতিকদের ওপর নজরদারি করছে। যুক্তরাষ্ট্র কী এ ধরনের নজরদারি করার অনুমতি দিবে?”

জবাবে মিলার বলেন, “আমাদের কূটনীতিকদের বিস্তৃত পরিসরে যোগোযোগ করতে হয়, যেমন সুশীল সমাজ, পেশাজীবি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে হয়। এটা তাদের নিয়মিত কাজের অংশ এবং কূটনীতিকরা তাদের এই কাজ অব্যাহত রাখবেন।”সহিংস কর্মকান্ড এবং প্রাণহানির দায়ে ক্ষমতাসীন দলের

অংগসংগঠন ছাত্রলীগ এবং যুবলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কী না–বাংলাদেশি এক সাংবাদিকের করা অপর এক প্রশ্নের

জবাবে মিলার বলেন, “আমি বাংলাদেশ নিয়ে এর আগে করা প্রশ্নের উত্তরে যা বলেছি সেটা এক্ষেত্রেও কার্যকর। আমরা এটা স্পষ্ট করে বলেছি যে– বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সমর্থনে প্রয়োজনে হলে আমরা যেকোনো পদক্ষেপ নেবো। যা আমি পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে এই মুহুর্তে পর্যালোচনা করছিনা।