ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

বাংলাদেশের নীলাকাশে “তিস্তা” যেন এক বিশাল কালো মেঘ

দেলোয়ার খান (সিরাজদিখান প্রতিনিধি) 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪ ৯১ বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনের পর যখন ভারতীয় সৈন্যদল বাংলাদেশের সব জিনিষ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে, তখন সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল অস্ত্র উচিয়ে বলেছিলেনঃ আমাদের আরও একটি মুক্তিযুদ্ধের দরকার। স্বাধীনের পর শুরু হল ভারতের যুদ্ধের বিনিময়। নয় মাস আগে শেখ সাহেবের সাথে কথা বলতে গান্ধীর বুক কাঁপত। সেই গান্ধীই অত্যন্ত সুকৌশলে শেখ সাহেবকে ২৫ বছরের গোলামীর চুক্তি করাইলো। এখনো অনেকেরই অজানা এই গোলামীর চুক্তিতে আসলে কী লিখা ছিল? সেখানে ছিলো শেখ সাহেবকে গান্ধী বললঃ ফারাক্কা বাঁধটি একটু খুলে দাও শুধু পানির কিউচেক পরীক্ষা করার জন্য। ৭ দিন পর আবার বন্ধ করে ফেলবো।কিন্তু আজ ৫৫ বছর হয়ে গেলো, এখনও সেই ৭দিন শেষ হলো না, যার দরুন আজ বর্ষকালে বাংলাদেশকে বন্যায় ভাসতে হয় আর খরায় বাংলাদেশের বুক ফেটে চৌচির হয়ে যায়। হঠাৎ আমরা হয়ে গেলাম এক হিন্দু রাজার গোলাম। এই গোলামীর বোঝা বহন করে এখনও চলছি। বাংলাদেশের জনগণকে বলবো আরও সাবধান হও, আমরা যেন আবারও নিজ আবেগের কাছে বন্দী হয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রকে পরাধীনতার শিকল না পরায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের নীলাকাশে “তিস্তা” যেন এক বিশাল কালো মেঘ

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

স্বাধীনের পর যখন ভারতীয় সৈন্যদল বাংলাদেশের সব জিনিষ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে, তখন সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল অস্ত্র উচিয়ে বলেছিলেনঃ আমাদের আরও একটি মুক্তিযুদ্ধের দরকার। স্বাধীনের পর শুরু হল ভারতের যুদ্ধের বিনিময়। নয় মাস আগে শেখ সাহেবের সাথে কথা বলতে গান্ধীর বুক কাঁপত। সেই গান্ধীই অত্যন্ত সুকৌশলে শেখ সাহেবকে ২৫ বছরের গোলামীর চুক্তি করাইলো। এখনো অনেকেরই অজানা এই গোলামীর চুক্তিতে আসলে কী লিখা ছিল? সেখানে ছিলো শেখ সাহেবকে গান্ধী বললঃ ফারাক্কা বাঁধটি একটু খুলে দাও শুধু পানির কিউচেক পরীক্ষা করার জন্য। ৭ দিন পর আবার বন্ধ করে ফেলবো।কিন্তু আজ ৫৫ বছর হয়ে গেলো, এখনও সেই ৭দিন শেষ হলো না, যার দরুন আজ বর্ষকালে বাংলাদেশকে বন্যায় ভাসতে হয় আর খরায় বাংলাদেশের বুক ফেটে চৌচির হয়ে যায়। হঠাৎ আমরা হয়ে গেলাম এক হিন্দু রাজার গোলাম। এই গোলামীর বোঝা বহন করে এখনও চলছি। বাংলাদেশের জনগণকে বলবো আরও সাবধান হও, আমরা যেন আবারও নিজ আবেগের কাছে বন্দী হয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রকে পরাধীনতার শিকল না পরায়।