ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

বাবার কাছে ছেলের আবদার

রিপোর্টার মেহেদুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪ ১১১ বার পড়া হয়েছে

ছোট্ট ছেলের আবদার ছিল তার বাবার কাছে। ঈদে বাড়ি আসার সময় তার জন্য সাইকেল কিনে আনতে হবে। বাবা নিমতলীর পেপার দোকানের সামান্য কর্মচারী। হোক সামান্য কর্মী কিন্তু ছেলের কাছে তো বাবা রাজা। মহাপুরুষ।ঈদের বাড়তি পরিশ্রম, বোনাস আর হয়তো কিছু সঙ্চয় মিলিয়ে ছেলের জন্য কিনেছিলেন এই গোলাপী সাইকেল। তার রাজপুত্র যখন এই সাইকেলে চড়ে সারাবাড়ি দাপিয়ে বেড়াবে বাবার কাছে এরচেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে! চালাতে চালাতে রাজপুত্র বেল বাজাবে বাবা সরে গিয়ে হাসতে হাসতে জায়গা করে দেবে। মা বিরক্ত হয়ে কপট রাগ করবে হয়তো। সন্তান হাসবে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেই হাসিমুখ।বাবা মা দুজনেরই একসঙ্গে দেখার কথা ছিলো প্রিয় সন্তানের সেই হাসিমুখ।কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা সেটা চাননি বোধহয়। গতকাল ইফতার করে বাসায় ফেরার পর বুকে ব্যাথা ওঠে বাবার। তারপর স্ট্রোক। না ফেরার দেশে চলে যান বাবা। আজ ভোর রাতের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে ঠিকই বাসায় ফেরেন বাবা। গোলাপী সাইকেলটাও সঙ্গে। কিন্তু বাবার আর কখনোই দেখা হবে না সন্তান তার কিনে দিয়ে আসা সাইকেলে চড়ে কিভাবে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবার কাছে ছেলের আবদার

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

ছোট্ট ছেলের আবদার ছিল তার বাবার কাছে। ঈদে বাড়ি আসার সময় তার জন্য সাইকেল কিনে আনতে হবে। বাবা নিমতলীর পেপার দোকানের সামান্য কর্মচারী। হোক সামান্য কর্মী কিন্তু ছেলের কাছে তো বাবা রাজা। মহাপুরুষ।ঈদের বাড়তি পরিশ্রম, বোনাস আর হয়তো কিছু সঙ্চয় মিলিয়ে ছেলের জন্য কিনেছিলেন এই গোলাপী সাইকেল। তার রাজপুত্র যখন এই সাইকেলে চড়ে সারাবাড়ি দাপিয়ে বেড়াবে বাবার কাছে এরচেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে! চালাতে চালাতে রাজপুত্র বেল বাজাবে বাবা সরে গিয়ে হাসতে হাসতে জায়গা করে দেবে। মা বিরক্ত হয়ে কপট রাগ করবে হয়তো। সন্তান হাসবে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেই হাসিমুখ।বাবা মা দুজনেরই একসঙ্গে দেখার কথা ছিলো প্রিয় সন্তানের সেই হাসিমুখ।কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা সেটা চাননি বোধহয়। গতকাল ইফতার করে বাসায় ফেরার পর বুকে ব্যাথা ওঠে বাবার। তারপর স্ট্রোক। না ফেরার দেশে চলে যান বাবা। আজ ভোর রাতের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে ঠিকই বাসায় ফেরেন বাবা। গোলাপী সাইকেলটাও সঙ্গে। কিন্তু বাবার আর কখনোই দেখা হবে না সন্তান তার কিনে দিয়ে আসা সাইকেলে চড়ে কিভাবে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে।