ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

বিসিএস জয় দুই বোনের একসঙ্গে রাজবাড়ীতে

রিপোর্টার রেশমা
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৮১ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রেশমা

৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারে রাজবাড়ীর আপন দুই বোন ডা. সিলমা সারিকা শশী এবং ডা. সিলমা সুবাহ আরশি স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। বিসিএসে একসঙ্গে দুই বোনের সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবারটি।

শশী ও আরশি রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর নিবাসী রাজবাড়ী সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আক্কাস আলী মোল্লা এবং বালিয়াকান্দির মীর মশাররফ হোসেন কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মালেকা আক্তার শিখা দম্পতির মেয়ে। এসএসসি এবং ২০১৭ সালে রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর সিলমা সারিকা শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং সিলমা সুবাহ আরশি ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তারা ২০২২ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর তারা ইন্টার্নশীপ করেন। পরে তারা দুজনই বিসিএসের প্রস্তুতি নেন এবং ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেন।

পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের সেই ফরহাদ হলেন ডাকসুর জিএস

ছয়বারের চেষ্টায় অবশেষে সফল আরিফা, সংসার সামলে হলেন বিসিএস ক্যাডার

হাল ছাড়েননি ফরহাদ, অবশেষে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম

শশী ও আরশির বাবা আক্কাস আলী বলেন, আমার দুই মেয়ে ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল। তাদের স্বপ্ন ছিলো তারা বড় হয়ে চিকিৎসক হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে তারা পড়ালেখা করেছে। আমি এবং তাদের মা আমরা দু’জনই আমার দুই মেয়েকে মানসিকভাবে সবসময় সাপোর্ট করেছি। তারা দুই বোনই একই বয়সী হওয়ায় এসএসসি এবং এইচএসসি একই স্কুলে একইসঙ্গে পড়েছে। সেখানে তারা দু’জনই জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করে। শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল ও আরশী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে। পরে তারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেয়। গত বৃহস্পতিবার তাদের ফলাফল দিয়েছে। তারা দু’জনই স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। তাদের জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষা ছিল এটি। আমি আমার দুই মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
শশী ও আরশীর মামা রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও রাজবাড়ী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রকিবুল হাসান পিয়াল বলেন, আমার দুই ভাগ্নির একসঙ্গে বিসিএস জয়ে আমরা আনন্দিত। তারা যেন মানবিক চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমরা প্রত্যাশা।

দুই বোনের একসঙ্গে বিসিএস জয়ের এই সাফল্যে তাদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন সবার পাশাপাশি রাজবাড়ীবাসী আনন্দিত। তারা দেশবাসীর সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিসিএস জয় দুই বোনের একসঙ্গে রাজবাড়ীতে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার রেশমা

৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারে রাজবাড়ীর আপন দুই বোন ডা. সিলমা সারিকা শশী এবং ডা. সিলমা সুবাহ আরশি স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। বিসিএসে একসঙ্গে দুই বোনের সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবারটি।

শশী ও আরশি রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর নিবাসী রাজবাড়ী সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আক্কাস আলী মোল্লা এবং বালিয়াকান্দির মীর মশাররফ হোসেন কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মালেকা আক্তার শিখা দম্পতির মেয়ে। এসএসসি এবং ২০১৭ সালে রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর সিলমা সারিকা শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং সিলমা সুবাহ আরশি ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তারা ২০২২ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর তারা ইন্টার্নশীপ করেন। পরে তারা দুজনই বিসিএসের প্রস্তুতি নেন এবং ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেন।

পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের সেই ফরহাদ হলেন ডাকসুর জিএস

ছয়বারের চেষ্টায় অবশেষে সফল আরিফা, সংসার সামলে হলেন বিসিএস ক্যাডার

হাল ছাড়েননি ফরহাদ, অবশেষে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম

শশী ও আরশির বাবা আক্কাস আলী বলেন, আমার দুই মেয়ে ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল। তাদের স্বপ্ন ছিলো তারা বড় হয়ে চিকিৎসক হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে তারা পড়ালেখা করেছে। আমি এবং তাদের মা আমরা দু’জনই আমার দুই মেয়েকে মানসিকভাবে সবসময় সাপোর্ট করেছি। তারা দুই বোনই একই বয়সী হওয়ায় এসএসসি এবং এইচএসসি একই স্কুলে একইসঙ্গে পড়েছে। সেখানে তারা দু’জনই জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করে। শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল ও আরশী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে। পরে তারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেয়। গত বৃহস্পতিবার তাদের ফলাফল দিয়েছে। তারা দু’জনই স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। তাদের জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষা ছিল এটি। আমি আমার দুই মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
শশী ও আরশীর মামা রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও রাজবাড়ী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রকিবুল হাসান পিয়াল বলেন, আমার দুই ভাগ্নির একসঙ্গে বিসিএস জয়ে আমরা আনন্দিত। তারা যেন মানবিক চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমরা প্রত্যাশা।

দুই বোনের একসঙ্গে বিসিএস জয়ের এই সাফল্যে তাদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন সবার পাশাপাশি রাজবাড়ীবাসী আনন্দিত। তারা দেশবাসীর সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী।