ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ নুরুল হক নুর।  জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে ঐক্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেড়েছে দুর্ভোগ বিপদসীমার নিচে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি

রিপোর্টার রোজিনা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে আবারও কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। ফলে জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।শুক্রবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুয়ায়ী ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুয়ায়ী কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২৮ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিন ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।এদিকে, ধরলা, দুধকুমার ও তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ১২ দিন ধরে পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন জেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের দুই লক্ষাধিক মানুষ।বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার ও গবাদিপশুর খাদ্য সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার তিন শতাধিক চরাঞ্চলের মানুষ। চরাঞ্চলের অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। আবার অনেক পরিবার ঘরেই নৌকায় বসবাস করছে।সরকারি-বেসরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।বাড়ছে পানি ডুবছে জনপদ, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের মানুষনাগেশ্বরীর ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি বলেন, আমার ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি। তাদের তালিকা করে পাঠিয়েছি। মাত্র ৪ টন চাল দিয়েছে, যা সব পরিবারকে দেয়া সম্ভব হয়নি। আরও সহায়তা দরকার।কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, জেলার ৯ উপজেলায় বন্যার্ত মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৩৫ লাখ টাকা ও ২৩ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বেড়েছে দুর্ভোগ বিপদসীমার নিচে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

কুড়িগ্রামে আবারও কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। ফলে জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।শুক্রবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুয়ায়ী ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুয়ায়ী কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২৮ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিন ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।এদিকে, ধরলা, দুধকুমার ও তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ১২ দিন ধরে পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন জেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের দুই লক্ষাধিক মানুষ।বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার ও গবাদিপশুর খাদ্য সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার তিন শতাধিক চরাঞ্চলের মানুষ। চরাঞ্চলের অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। আবার অনেক পরিবার ঘরেই নৌকায় বসবাস করছে।সরকারি-বেসরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।বাড়ছে পানি ডুবছে জনপদ, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের মানুষনাগেশ্বরীর ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি বলেন, আমার ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি। তাদের তালিকা করে পাঠিয়েছি। মাত্র ৪ টন চাল দিয়েছে, যা সব পরিবারকে দেয়া সম্ভব হয়নি। আরও সহায়তা দরকার।কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, জেলার ৯ উপজেলায় বন্যার্ত মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৩৫ লাখ টাকা ও ২৩ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।