ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন 

এম কে খোকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের  ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই মানববন্ধন পালিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. কাউসার, শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ টিপু, রুবি জাহান, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। মানববন্দনে বক্তারা বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষকরা হলেন জাতি গড়ার কারিগর। শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। উন্নত বিশ্বে শিক্ষকদের প্রশাসনিক ও সমাজিকভাবে যে সম্মান করা হয় তা আমাদের দেশে করতে পারছে না। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন যদি বৈষম্য দূর না হয় তাহলে আমাদের ছাত্ররা জীবন দিয়ে লাভ কি হলো প্রশ্ন রাখেন। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতায় পুলিশের এসাই, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ডিপ্লোমাধারী নার্স, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০’ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হচ্ছে। সেখানে একই যোগ্যতার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩’তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হচ্ছে। যেখানে ৮ম শ্রেণি পাশের একজন গাড়িচালক বেতন পায় ১২তম গ্রেডে। এ থেকে বোঝা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কতটা অবহেলিত। এছাড়াও সমন্বয়ক মো. লোকমান হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন, আমরিনা বেগম, মো. খালেদ হাসান, মো.  সাদেকুর রহমান, মো. লোকমান হোসেন, জাহানার বেগম, মাসুদ মিয়া, মো. শাহজালাল, সুমন সেন গুপ্ত, মো. জাহাঙ্গীর, প্রণয় দেবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। পরে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের  ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই মানববন্ধন পালিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. কাউসার, শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ টিপু, রুবি জাহান, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। মানববন্দনে বক্তারা বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষকরা হলেন জাতি গড়ার কারিগর। শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। উন্নত বিশ্বে শিক্ষকদের প্রশাসনিক ও সমাজিকভাবে যে সম্মান করা হয় তা আমাদের দেশে করতে পারছে না। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন যদি বৈষম্য দূর না হয় তাহলে আমাদের ছাত্ররা জীবন দিয়ে লাভ কি হলো প্রশ্ন রাখেন। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতায় পুলিশের এসাই, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ডিপ্লোমাধারী নার্স, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০’ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হচ্ছে। সেখানে একই যোগ্যতার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩’তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হচ্ছে। যেখানে ৮ম শ্রেণি পাশের একজন গাড়িচালক বেতন পায় ১২তম গ্রেডে। এ থেকে বোঝা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কতটা অবহেলিত। এছাড়াও সমন্বয়ক মো. লোকমান হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন, আমরিনা বেগম, মো. খালেদ হাসান, মো.  সাদেকুর রহমান, মো. লোকমান হোসেন, জাহানার বেগম, মাসুদ মিয়া, মো. শাহজালাল, সুমন সেন গুপ্ত, মো. জাহাঙ্গীর, প্রণয় দেবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। পরে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।