ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

যশোরের দুঃখ “ভবদহ” এলাকার জলাবদ্ধতা দূর্ভোগ নিরসনে মানববন্ধন।

স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আক্তার 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

যশোরের ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ভুক্তভোগীরা।আজ ২৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব সম্মুখে এই মানববন্ধন করে তারা।জনা যায়,৪ দশক ধরে এই দূর্ভোগে মধ্যে আছে তারা। কিন্তু এখনো অব্দি কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় নি। দীর্ঘদিন জলমগ্ন এ অঞ্চলে বাড়ছে চর্মরোগের প্রকোপ। একরাশ ক্ষোভ নিয়ে তাদের আক্ষেপ, তাদের এই দুঃখ কি কোনোদিন শেষ হবে না?তাদের ভাষ্য মতে যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহপাড়ের ৪ লক্ষাধিক মানুষের এমন দুর্দশা। যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ মিনো উইদহ অঞ্চল। পলি পড়ে এই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদী নাব্য হারিয়েছে। ফলে নদী দিয়ে পানি নামছে না। এ অঞ্চলে যত দূর চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। ক্ষেতের ফসল, ঘেরের মাছ সবই কেড়ে নিয়েছে এই পানি। কেড়ে নিয়েছে মানুষের থাকার জায়গাটুকুও। ৪০০ গ্রামের বেশির ভাগ ঘরবাড়ি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি এবং মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। পানির কাছে হেরে যাচ্ছে ভবদহ অঞ্চলের ৪ লাখ মানুষ। তাদের অনেকের ঠাঁই হয়েছে মহাসড়কের ধারে, স্কুল বা আশ্রয়কেন্দ্রে, কেউ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন ভিন্ন এলাকায়।অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চার দশকে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হয়নি। তবে পানি সংগ্রাম কমিটির নেতাদের দাবি, চার দশকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। যার সিংহভাগই হয়ে গেছে লুটপাট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যশোরের দুঃখ “ভবদহ” এলাকার জলাবদ্ধতা দূর্ভোগ নিরসনে মানববন্ধন।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

যশোরের ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ভুক্তভোগীরা।আজ ২৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব সম্মুখে এই মানববন্ধন করে তারা।জনা যায়,৪ দশক ধরে এই দূর্ভোগে মধ্যে আছে তারা। কিন্তু এখনো অব্দি কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় নি। দীর্ঘদিন জলমগ্ন এ অঞ্চলে বাড়ছে চর্মরোগের প্রকোপ। একরাশ ক্ষোভ নিয়ে তাদের আক্ষেপ, তাদের এই দুঃখ কি কোনোদিন শেষ হবে না?তাদের ভাষ্য মতে যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহপাড়ের ৪ লক্ষাধিক মানুষের এমন দুর্দশা। যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ মিনো উইদহ অঞ্চল। পলি পড়ে এই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদী নাব্য হারিয়েছে। ফলে নদী দিয়ে পানি নামছে না। এ অঞ্চলে যত দূর চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। ক্ষেতের ফসল, ঘেরের মাছ সবই কেড়ে নিয়েছে এই পানি। কেড়ে নিয়েছে মানুষের থাকার জায়গাটুকুও। ৪০০ গ্রামের বেশির ভাগ ঘরবাড়ি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি এবং মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। পানির কাছে হেরে যাচ্ছে ভবদহ অঞ্চলের ৪ লাখ মানুষ। তাদের অনেকের ঠাঁই হয়েছে মহাসড়কের ধারে, স্কুল বা আশ্রয়কেন্দ্রে, কেউ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন ভিন্ন এলাকায়।অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চার দশকে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হয়নি। তবে পানি সংগ্রাম কমিটির নেতাদের দাবি, চার দশকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। যার সিংহভাগই হয়ে গেছে লুটপাট।