ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

রাজশাহীর জেলা শহরে সরকারের  যে বেঁধে দেওয়া নিত্যপূর্ণর দাম তার চেয়ে আকাশ পাতাল ব্যাবধান

রিপোর্টার সাহিদ মন্ডল
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজার। অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পণ্যের দাম। সরকারের দাম নির্ধারণের সুফল মিলছে না। নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ায় বিভিন্ন সময় সরকার অন্তত ৩৬টি পণ্যের ‘যৌক্তিক’ দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। উৎপাদন ব্যয়, বিপণন, পরিবহণ ও মুনাফাসহ সব হিসাব বিবেচনায় নিয়ে সরকার ওই দাম নির্ধারণ করে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে কোনো পণ্যই বিক্রি হচ্ছে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত পণ্যমূল্য অযৌক্তিক পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। পণ্য সংকটের কারণে দাম বাড়ছে না। বরং ব্যবসায়ীদের কারসাজিই পণ্যের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাজারে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা পণ্যের মূল্য বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ব্যবসার নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক হাত বদল হচ্ছে পণ্য। ওসব হাতবদলের কারণেও পণ্যের যৌক্তিক দাম ঠিক থাকছে না। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে নিবিড় নজরদারি জোরালোভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই সরকারকে বাজারে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু সরকার ভোক্তাবান্ধব না হয়ে ব্যবসায়ীবান্ধব পদ্ধতিতে নিত্যপণ্যের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করেছে। সরকারের পণ্যের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় ছোট, মাঝারি উৎপাদনকারী, ভোক্তাদের প্রতিনিধি, সাধারণ মানুষ যাতে জানতে পারে সেজন্য গণমাধ্যম কর্মী থাকলে ভালো হতো। কিন্তু বড় কয়েকটি গ্রুপকে ডেকে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তাছাড়া সরকারি পণ্যমূল্য নির্ধারণ কাগজে আছে, বাস্তবে নেই। সূত্র জানায়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিত্যপণ্যের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে। সংস্থাটি প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করেছে ৬৫ টাকা। কিন্তু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি ধরে। একইভাবে চিচিঙ্গার কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় ৩২ টাকা কেজির মিষ্টিকুমড়া হয়ে গেছে ৬০ টাকা। ৪০ টাকার পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায় আর ৩৬ টাকার ঢেঁড়স কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায় সেজন্যই বাজারে এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি নিচ্ছে এজন্য নজরদারি জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ তবে সাম্প্রতিক দুই দফা বন্যায় কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার শীতের আগের এ সময়ে সবজির সরবরাহও কম থাকে। আশা করা যায় এক মাসের মধ্যে শীতের সবজি এলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিম জানান, গবেষকরা এটা ভালো বলতে পারবেন। করণীয় হিসেবে অনেক কিছুই করার আছে। আইনি পদক্ষেপ নেয়া যায়, পণ্য আমদানি করা যায়। সারা দেশে জেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীর জেলা শহরে সরকারের  যে বেঁধে দেওয়া নিত্যপূর্ণর দাম তার চেয়ে আকাশ পাতাল ব্যাবধান

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজার। অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পণ্যের দাম। সরকারের দাম নির্ধারণের সুফল মিলছে না। নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ায় বিভিন্ন সময় সরকার অন্তত ৩৬টি পণ্যের ‘যৌক্তিক’ দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। উৎপাদন ব্যয়, বিপণন, পরিবহণ ও মুনাফাসহ সব হিসাব বিবেচনায় নিয়ে সরকার ওই দাম নির্ধারণ করে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে কোনো পণ্যই বিক্রি হচ্ছে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত পণ্যমূল্য অযৌক্তিক পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। পণ্য সংকটের কারণে দাম বাড়ছে না। বরং ব্যবসায়ীদের কারসাজিই পণ্যের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাজারে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা পণ্যের মূল্য বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ব্যবসার নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক হাত বদল হচ্ছে পণ্য। ওসব হাতবদলের কারণেও পণ্যের যৌক্তিক দাম ঠিক থাকছে না। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে নিবিড় নজরদারি জোরালোভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই সরকারকে বাজারে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু সরকার ভোক্তাবান্ধব না হয়ে ব্যবসায়ীবান্ধব পদ্ধতিতে নিত্যপণ্যের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করেছে। সরকারের পণ্যের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় ছোট, মাঝারি উৎপাদনকারী, ভোক্তাদের প্রতিনিধি, সাধারণ মানুষ যাতে জানতে পারে সেজন্য গণমাধ্যম কর্মী থাকলে ভালো হতো। কিন্তু বড় কয়েকটি গ্রুপকে ডেকে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তাছাড়া সরকারি পণ্যমূল্য নির্ধারণ কাগজে আছে, বাস্তবে নেই। সূত্র জানায়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিত্যপণ্যের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে। সংস্থাটি প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করেছে ৬৫ টাকা। কিন্তু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি ধরে। একইভাবে চিচিঙ্গার কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় ৩২ টাকা কেজির মিষ্টিকুমড়া হয়ে গেছে ৬০ টাকা। ৪০ টাকার পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায় আর ৩৬ টাকার ঢেঁড়স কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায় সেজন্যই বাজারে এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি নিচ্ছে এজন্য নজরদারি জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ তবে সাম্প্রতিক দুই দফা বন্যায় কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার শীতের আগের এ সময়ে সবজির সরবরাহও কম থাকে। আশা করা যায় এক মাসের মধ্যে শীতের সবজি এলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিম জানান, গবেষকরা এটা ভালো বলতে পারবেন। করণীয় হিসেবে অনেক কিছুই করার আছে। আইনি পদক্ষেপ নেয়া যায়, পণ্য আমদানি করা যায়। সারা দেশে জেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে