ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

লাখো মানুষের ঢল ওসমান হাদির জানাজায় ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ, ইনসাফভিত্তিক বিচার দাবি জনগণে

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

প্রিয় সহযোদ্ধা ওসমান হাদির জানাজায় লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দিয়েছে—তার কণ্ঠস্বর আজ আর কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকালে অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের এই বিশাল সমাগম ছিল আবেগঘন ও ঐতিহাসিক। শোকের ভারী পরিবেশেও উপস্থিত জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে প্রতিবাদের ভাষা, ন্যায়ের দাবি এবং পরিবর্তনের অঙ্গীকার। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা—
“ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ”,
“ওসমান হাদির হত্যার ইনসাফভিত্তিক বিচার চাই”,
“নির্যাতনের রাজনীতি আর চলবে না”।
জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। অনেকেই বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক কণ্ঠস্বর। তার সাহসী অবস্থান, জনগণের অধিকার নিয়ে নির্ভীক কথা বলা এবং রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, ওসমান হাদির মৃত্যু কোনোভাবেই আন্দোলনের শেষ নয়; বরং এটি ন্যায়ের সংগ্রামকে আরও বেগবান করবে। তারা বলেন, এই জনসমুদ্র স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—দেশের মানুষ এখনো ন্যায়বিচার চায়, জবাবদিহিতা চায় এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির অবসান চায়।
জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“লাখো মানুষের এই উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—আমাদের পথ এখনো দীর্ঘ, লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন একটাই—এই মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে ইনসাফভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নইলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেন তারা।
ওসমান হাদির জানাজা তাই শুধু বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি হয়ে উঠেছে ন্যায়, প্রতিবাদ ও গণআকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী প্রকাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাখো মানুষের ঢল ওসমান হাদির জানাজায় ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ, ইনসাফভিত্তিক বিচার দাবি জনগণে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

প্রিয় সহযোদ্ধা ওসমান হাদির জানাজায় লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দিয়েছে—তার কণ্ঠস্বর আজ আর কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকালে অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের এই বিশাল সমাগম ছিল আবেগঘন ও ঐতিহাসিক। শোকের ভারী পরিবেশেও উপস্থিত জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে প্রতিবাদের ভাষা, ন্যায়ের দাবি এবং পরিবর্তনের অঙ্গীকার। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা—
“ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ”,
“ওসমান হাদির হত্যার ইনসাফভিত্তিক বিচার চাই”,
“নির্যাতনের রাজনীতি আর চলবে না”।
জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। অনেকেই বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক কণ্ঠস্বর। তার সাহসী অবস্থান, জনগণের অধিকার নিয়ে নির্ভীক কথা বলা এবং রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, ওসমান হাদির মৃত্যু কোনোভাবেই আন্দোলনের শেষ নয়; বরং এটি ন্যায়ের সংগ্রামকে আরও বেগবান করবে। তারা বলেন, এই জনসমুদ্র স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—দেশের মানুষ এখনো ন্যায়বিচার চায়, জবাবদিহিতা চায় এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির অবসান চায়।
জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“লাখো মানুষের এই উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—আমাদের পথ এখনো দীর্ঘ, লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন একটাই—এই মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে ইনসাফভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নইলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেন তারা।
ওসমান হাদির জানাজা তাই শুধু বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি হয়ে উঠেছে ন্যায়, প্রতিবাদ ও গণআকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী প্রকাশ।