ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

লাখো মানুষের ঢল ওসমান হাদির জানাজায় ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ, ইনসাফভিত্তিক বিচার দাবি জনগণে

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

প্রিয় সহযোদ্ধা ওসমান হাদির জানাজায় লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দিয়েছে—তার কণ্ঠস্বর আজ আর কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকালে অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের এই বিশাল সমাগম ছিল আবেগঘন ও ঐতিহাসিক। শোকের ভারী পরিবেশেও উপস্থিত জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে প্রতিবাদের ভাষা, ন্যায়ের দাবি এবং পরিবর্তনের অঙ্গীকার। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা—
“ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ”,
“ওসমান হাদির হত্যার ইনসাফভিত্তিক বিচার চাই”,
“নির্যাতনের রাজনীতি আর চলবে না”।
জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। অনেকেই বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক কণ্ঠস্বর। তার সাহসী অবস্থান, জনগণের অধিকার নিয়ে নির্ভীক কথা বলা এবং রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, ওসমান হাদির মৃত্যু কোনোভাবেই আন্দোলনের শেষ নয়; বরং এটি ন্যায়ের সংগ্রামকে আরও বেগবান করবে। তারা বলেন, এই জনসমুদ্র স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—দেশের মানুষ এখনো ন্যায়বিচার চায়, জবাবদিহিতা চায় এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির অবসান চায়।
জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“লাখো মানুষের এই উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—আমাদের পথ এখনো দীর্ঘ, লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন একটাই—এই মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে ইনসাফভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নইলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেন তারা।
ওসমান হাদির জানাজা তাই শুধু বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি হয়ে উঠেছে ন্যায়, প্রতিবাদ ও গণআকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী প্রকাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাখো মানুষের ঢল ওসমান হাদির জানাজায় ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ, ইনসাফভিত্তিক বিচার দাবি জনগণে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন

প্রিয় সহযোদ্ধা ওসমান হাদির জানাজায় লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দিয়েছে—তার কণ্ঠস্বর আজ আর কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকালে অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের এই বিশাল সমাগম ছিল আবেগঘন ও ঐতিহাসিক। শোকের ভারী পরিবেশেও উপস্থিত জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে প্রতিবাদের ভাষা, ন্যায়ের দাবি এবং পরিবর্তনের অঙ্গীকার। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা—
“ইনকিলাব মঞ্চ জিন্দাবাদ”,
“ওসমান হাদির হত্যার ইনসাফভিত্তিক বিচার চাই”,
“নির্যাতনের রাজনীতি আর চলবে না”।
জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। অনেকেই বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক কণ্ঠস্বর। তার সাহসী অবস্থান, জনগণের অধিকার নিয়ে নির্ভীক কথা বলা এবং রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, ওসমান হাদির মৃত্যু কোনোভাবেই আন্দোলনের শেষ নয়; বরং এটি ন্যায়ের সংগ্রামকে আরও বেগবান করবে। তারা বলেন, এই জনসমুদ্র স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—দেশের মানুষ এখনো ন্যায়বিচার চায়, জবাবদিহিতা চায় এবং ফ্যাসিবাদী দমননীতির অবসান চায়।
জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“লাখো মানুষের এই উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—আমাদের পথ এখনো দীর্ঘ, লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন একটাই—এই মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে ইনসাফভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নইলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেন তারা।
ওসমান হাদির জানাজা তাই শুধু বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি হয়ে উঠেছে ন্যায়, প্রতিবাদ ও গণআকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী প্রকাশ।