ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

হবিগঞ্জে ‌চুনারুঘাটে পতিত জমিতে তরমুজের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

ফয়সল আহমেদ পলাশ ষ্টাফ রিপোর্টার:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেল তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে এই উপজেলায়। কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ফলন পেয়ে উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।

এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। আহমদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে ১০ বিঘা পতিত জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন একই এলাকার কৃষক ফারুক মোল্লা। বর্তমানে বিক্রির যোগ্য হয়েছে তার জমির তরমুজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫ জন শ্রমিক ক্ষেত থেকে তরমুজ তোলার কাজ করছেন।

সেখান থেকেই পাইকারি ধরে তরমুজ কিনে নিচ্ছেন কারবারিরা। এ বিষয়ে কৃষক ফারুক মোল্লা জানান, ১০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ৭ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর চুনারুঘাট উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১২৮ বিঘা বেশি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এখান থেকে ১ হাজার ৫০ টন তরমুজ উৎপাদন হবে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পতিত জমিতে উচ্চমূল্যের ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফসল আবাদে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এটি লাভ জনক হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া কারিগরি সহায়তা তরমুজের বাম্পার ফলনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জে ‌চুনারুঘাটে পতিত জমিতে তরমুজের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

ফয়সল আহমেদ পলাশ ষ্টাফ রিপোর্টার:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেল তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে এই উপজেলায়। কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ফলন পেয়ে উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।

এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। আহমদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে ১০ বিঘা পতিত জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন একই এলাকার কৃষক ফারুক মোল্লা। বর্তমানে বিক্রির যোগ্য হয়েছে তার জমির তরমুজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫ জন শ্রমিক ক্ষেত থেকে তরমুজ তোলার কাজ করছেন।

সেখান থেকেই পাইকারি ধরে তরমুজ কিনে নিচ্ছেন কারবারিরা। এ বিষয়ে কৃষক ফারুক মোল্লা জানান, ১০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ৭ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর চুনারুঘাট উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১২৮ বিঘা বেশি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এখান থেকে ১ হাজার ৫০ টন তরমুজ উৎপাদন হবে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পতিত জমিতে উচ্চমূল্যের ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফসল আবাদে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এটি লাভ জনক হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া কারিগরি সহায়তা তরমুজের বাম্পার ফলনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।