ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

হবিগঞ্জে ‌চুনারুঘাটে পতিত জমিতে তরমুজের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

ফয়সল আহমেদ পলাশ ষ্টাফ রিপোর্টার:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেল তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে এই উপজেলায়। কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ফলন পেয়ে উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।

এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। আহমদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে ১০ বিঘা পতিত জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন একই এলাকার কৃষক ফারুক মোল্লা। বর্তমানে বিক্রির যোগ্য হয়েছে তার জমির তরমুজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫ জন শ্রমিক ক্ষেত থেকে তরমুজ তোলার কাজ করছেন।

সেখান থেকেই পাইকারি ধরে তরমুজ কিনে নিচ্ছেন কারবারিরা। এ বিষয়ে কৃষক ফারুক মোল্লা জানান, ১০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ৭ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর চুনারুঘাট উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১২৮ বিঘা বেশি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এখান থেকে ১ হাজার ৫০ টন তরমুজ উৎপাদন হবে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পতিত জমিতে উচ্চমূল্যের ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফসল আবাদে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এটি লাভ জনক হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া কারিগরি সহায়তা তরমুজের বাম্পার ফলনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জে ‌চুনারুঘাটে পতিত জমিতে তরমুজের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

ফয়সল আহমেদ পলাশ ষ্টাফ রিপোর্টার:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেল তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে এই উপজেলায়। কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ফলন পেয়ে উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।

এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। আহমদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে ১০ বিঘা পতিত জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন একই এলাকার কৃষক ফারুক মোল্লা। বর্তমানে বিক্রির যোগ্য হয়েছে তার জমির তরমুজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫ জন শ্রমিক ক্ষেত থেকে তরমুজ তোলার কাজ করছেন।

সেখান থেকেই পাইকারি ধরে তরমুজ কিনে নিচ্ছেন কারবারিরা। এ বিষয়ে কৃষক ফারুক মোল্লা জানান, ১০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ৭ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর চুনারুঘাট উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১২৮ বিঘা বেশি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এখান থেকে ১ হাজার ৫০ টন তরমুজ উৎপাদন হবে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পতিত জমিতে উচ্চমূল্যের ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফসল আবাদে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় ১৬৫ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এটি লাভ জনক হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া কারিগরি সহায়তা তরমুজের বাম্পার ফলনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।