ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

৩০ বছরে স্পেনে মুসলিমদের সংখ্যা বেড়েছে ১০ গুণ

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

গত ৩০ বছরে স্পেনে বসবাসকারী মুসলিমদের সংখ্যা আগের চেয়ে ১০ গুণ বেড়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে বর্তমানে দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা ২৫ লাখ এবং বেসরকারি হিসাব মতে প্রায় ৩০ লাখ বলে জানিয়েছেন ইসলামিক কমিশন অব স্পেনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আজানা।

তিনি বলেন, আগে স্পেনের মুসলিম জনসংখ্যাকে পুরোপুরি অভিবাসী হিসেবে দেখা হতো। বর্তমানে স্পেনের নাগরিকদের মধ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে। তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি মুসলিম স্পেনের নাগরিক রয়েছে। তাছাড়া কিছুসংখ্যক অভিবাসী ও স্প্যানিশ বংশোদ্ভূত মুসলিমও আছে।

স্পেনের মুসলিম জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ এসেছে মরক্কো, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সেনেগাল ও আলজেরিয়া থেকে। তাদের বেশির ভাগ কাতালোনিয়া, ভ্যালেন্সিয়া, আন্দালুসিয়া ও মাদ্রিদের মতো শিল্পোন্নত অঞ্চলে বাস করে।

মোহাম্মদ আজানা আরো বলেন, বর্তমানে স্পেনে ৫৩টি ইসলামিক ফেডারেশন রয়েছে, যারা মুসলিমদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় ও সামাজিক সেবা দিয়ে থাকে। তাদের তত্ত্বাবধানে প্রায় দুই হাজারের মতো মসজিদ আছে। বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী হলেও পুরো দেশে মাত্র ৪০টি কবরস্থান আছে। মসজিদ নির্মাণের অনুমতি পাওয়াই মুসলিমদের প্রধান সমস্যা বলে মনে করা হয়। তদুপরি নানা সমস্যার মধ্যেও মুসলিমদের ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার অতীতের চেয়ে অনেক ভালো পর্যায়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রমজান উপলক্ষে অন্যান্য দেশের মতো স্পেনেও বিশেষ ইফতারের আয়োজন করা হয়। মোহাম্মদ জানান, রমজানের অনুষ্ঠানে স্থানীয় অমুসলিমদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। কমিউনিটির সব সম্প্রদায়ের মধ্যে গড়ে ওঠে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ। পুরো বছর এ সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়। মূলত ১৯৯২ সালে স্পেন সরকারের সঙ্গে খ্রিস্টান ও ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর সহযোগিতা চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠনগুলোও আইনি ও সামাজিক অধিকার লাভ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩০ বছরে স্পেনে মুসলিমদের সংখ্যা বেড়েছে ১০ গুণ

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

গত ৩০ বছরে স্পেনে বসবাসকারী মুসলিমদের সংখ্যা আগের চেয়ে ১০ গুণ বেড়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে বর্তমানে দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা ২৫ লাখ এবং বেসরকারি হিসাব মতে প্রায় ৩০ লাখ বলে জানিয়েছেন ইসলামিক কমিশন অব স্পেনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আজানা।

তিনি বলেন, আগে স্পেনের মুসলিম জনসংখ্যাকে পুরোপুরি অভিবাসী হিসেবে দেখা হতো। বর্তমানে স্পেনের নাগরিকদের মধ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে। তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি মুসলিম স্পেনের নাগরিক রয়েছে। তাছাড়া কিছুসংখ্যক অভিবাসী ও স্প্যানিশ বংশোদ্ভূত মুসলিমও আছে।

স্পেনের মুসলিম জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ এসেছে মরক্কো, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সেনেগাল ও আলজেরিয়া থেকে। তাদের বেশির ভাগ কাতালোনিয়া, ভ্যালেন্সিয়া, আন্দালুসিয়া ও মাদ্রিদের মতো শিল্পোন্নত অঞ্চলে বাস করে।

মোহাম্মদ আজানা আরো বলেন, বর্তমানে স্পেনে ৫৩টি ইসলামিক ফেডারেশন রয়েছে, যারা মুসলিমদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় ও সামাজিক সেবা দিয়ে থাকে। তাদের তত্ত্বাবধানে প্রায় দুই হাজারের মতো মসজিদ আছে। বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী হলেও পুরো দেশে মাত্র ৪০টি কবরস্থান আছে। মসজিদ নির্মাণের অনুমতি পাওয়াই মুসলিমদের প্রধান সমস্যা বলে মনে করা হয়। তদুপরি নানা সমস্যার মধ্যেও মুসলিমদের ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার অতীতের চেয়ে অনেক ভালো পর্যায়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রমজান উপলক্ষে অন্যান্য দেশের মতো স্পেনেও বিশেষ ইফতারের আয়োজন করা হয়। মোহাম্মদ জানান, রমজানের অনুষ্ঠানে স্থানীয় অমুসলিমদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। কমিউনিটির সব সম্প্রদায়ের মধ্যে গড়ে ওঠে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ। পুরো বছর এ সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়। মূলত ১৯৯২ সালে স্পেন সরকারের সঙ্গে খ্রিস্টান ও ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর সহযোগিতা চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠনগুলোও আইনি ও সামাজিক অধিকার লাভ করে।