ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে ইসি’র সঙ্গে সংলাপ: ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
আগে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বিএনপির সংলাপ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিকভাবে হলেও ইসির প্রস্তাবিত আলোচনা ও মতবিনিময় বিএনপির পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
বুধবার(২৯ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলীয় প্রধানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মির্জা ফখরুল।
মঙ্গলবার(২৮ মার্চ) দুপুরে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের কথা জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন,আলোচনার চিঠি পাঠানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানায় বিএনপি।
গত ২৩ মার্চ বিএনপি মহাসচিবকে এ চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। তবে মঙ্গলবার এক সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, বিএনপিকে সংলাপের জন্য নয়, অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার জন্য চিঠি দিয়েছে তারা।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো আলোচনা অথবা সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল কর্তৃক মহাসচিবকে প্রেরিত পত্রটির বিষয়ে আলোচনা হয়। পত্রে বিএনপিকে আনুষ্ঠানিক না হলেও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তিনি বলেন, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন নয় এবং ইচ্ছা থাকলেও নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারি দলের ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও এক শ্রেণির কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণেই দ্রব্যমূল্য কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এই জনবিচ্ছিন্ন সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি ইতোমধ্যে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে ইসি’র সঙ্গে সংলাপ: ফখরুল

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
আগে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বিএনপির সংলাপ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিকভাবে হলেও ইসির প্রস্তাবিত আলোচনা ও মতবিনিময় বিএনপির পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
বুধবার(২৯ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলীয় প্রধানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মির্জা ফখরুল।
মঙ্গলবার(২৮ মার্চ) দুপুরে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের কথা জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন,আলোচনার চিঠি পাঠানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানায় বিএনপি।
গত ২৩ মার্চ বিএনপি মহাসচিবকে এ চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। তবে মঙ্গলবার এক সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, বিএনপিকে সংলাপের জন্য নয়, অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার জন্য চিঠি দিয়েছে তারা।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো আলোচনা অথবা সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল কর্তৃক মহাসচিবকে প্রেরিত পত্রটির বিষয়ে আলোচনা হয়। পত্রে বিএনপিকে আনুষ্ঠানিক না হলেও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তিনি বলেন, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন নয় এবং ইচ্ছা থাকলেও নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারি দলের ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও এক শ্রেণির কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণেই দ্রব্যমূল্য কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এই জনবিচ্ছিন্ন সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি ইতোমধ্যে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।