ঢাকাবুধবার , ২৪ এপ্রিল ২০২৪
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ খবর

আল্লাহপাক ক্ষমা শিল গোপনীয়তা রক্ষাকারী চল্লিশ বছর এর পাপীকেও মাফ করে দেন নেক দিল থেকে তওবা কারীকে।

সৈয়দ মো:স্বাধীন রিপোর্টর,,,,,,,
এপ্রিল ২৪, ২০২৪ ৭:৪৩ অপরাহ্ণ । ২৮ জন
Link Copied!

print news

হযরত মুসা (আ.) এর আমলে দীর্ঘদিন যাবত বৃষ্টি বন্ধ ছিলো। তাঁর উম্মতরা তাঁর কাছে এসে বললো “হে নবী, আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেন, এই বৃষ্টিহীন গরম আর সহ্য হয় না”হযরত মুসা (আ.) সবাইকে নিয়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করতে শুরু করলেনদোয়া করার সাথে সাথে রোদের তীব্রতা আরো বেড়ে গেলোহযরত মুসা (আ.) অবাক হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনআল্লাহ, বৃষ্টির জন্য দোয়া করলাম, তুমি রোদের তেজ বাড়াইয়া দিলা।আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব আসলোএই জমায়েতে এমন এক ব্যক্তি আছে, যে চল্লিশ বছর যাবত আমার নাফরমানী, আমার বিরোধীতা করছে, একটি দিনের জন্যও আমার বাধ্য হয়নি। তাঁর কারনেই বৃষ্টি আসা বন্ধ আছে।হযরত মুসা (আ.) জমায়েতের দিকে তাকিয়ে, সেই অচেনা, অজানা লোকটিকে বের হয়ে যেতে বললেন।সেই লোকটি ভাবলো, এখন যদি বের হয়ে যাই, তবে সবার সামনে পাপী হিসেবে লজ্জা পাবো। আর যদি থাকি, তবে বৃষ্টি আসা বন্ধ থাকবে।নিজের ইজ্জত বাঁচানোর স্বার্থে সে আল্লাহর কাছে দোয়া করলো “আল্লাহ, চল্লিশ বছর আমার পাপ গোপন রেখেছেন, আজকে সবার সামনে বেইজ্জতি করবেন না। ক্ষমা চাচ্ছি”।একদিকে দোয়া শেষ হলো, অন্যদিকে আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি শুরু হলো।হযরত মুসা (আ.) আবারো অবাক হয়ে জিজ্জাসা করলেন-আল্লাহ, কেউ তো জমায়েত থেকে বের হলো না, তবে বৃষ্টি দিয়ে দিলা যে?আল্লাহ জবাব দিলেনযার কারণে বৃষ্টি আসা বন্ধ ছিলো, তাঁর কারনেই বৃষ্টি শুরু হলো। আমি তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছি।চল্লিশ বছরের পাপ, দশ সেকেন্ডে ক্ষমা…হযরত মুসা (আ.) জিজ্জাসা করলেনলোকটির নাম পরিচয় তো কিছুই জানালেন না।আল্লাহ বললেনযখন পাপে ডুবে ছিলো, তখনই জানাই নাই, এখন তওবা করেছে, এখন জানাবো? পাপীদের পাপ আমি যথাসম্ভব গোপন রাখি, এটা আমার সাথে আমার বান্দার নিজস্ব ব্যাপার।অথচ আমরা নিজেরা পাপী হয়েও প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে কারো না কারো নামে বদনাম গীবত করতেই থাকি। আসুন আমরা আল্লাহর কাছে নেক দিলে মাফ চাই তওবা করি।আল্লাহ আমাদের সকলের ছোট-বড় সকল পাপ মাফ করে দিন ইনশাআল্লাহ।