ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত : মোহাম্মদ রেজাউল করিম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় হলে কলাতলীর চারপাশে ঠিকসই, বেরিবাদ জমি বন্দোবস্ত ও রাস্তা ব্রিজ কালভার্ট করবেন, ‎নুরুল ইসলাম নয়ন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর কথা বলে গোপনে ‘না’ সংগঠনের অভিযোগ মামুনুল হকের ঢাকা–১৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি সিলেটে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ ❝ভোট দিবো কিসে— ধানের শীষে❞ স্লোগানে মুখর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ বিপুল ভোটে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠনের আশাবাদ নাহিদ ইসলামের প্রিয় দেশবাসী, আসিতেছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের মুক্তির দিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জাইমা রহমানের নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে সংসদ ছাত্র ছাত্রী এবং কলেজের অধ্যক্ষ পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা হয়। শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ দক্ষিণ কোরিয়াতে এই বছরের মধ্যে তাপমাত্রার সর্বোচ্চ পতন হতে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে।

আশ্রয়কেন্দ্রে কক্সবাজারের ১ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:১৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩ ১২৩ বার পড়া হয়েছে

অতি প্রবল রূপ ধারণ করে কক্সবাজার উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। এমন পরিস্থিতিতে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতি শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় ঝুঁকিতে থাকা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭০৩ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ।

তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মোখা মোকাবেলায় তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। যারা সাথে গাবাদি পশু অন্যান্য মালামালও নিয়ে এসেছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত এর সংখ্যা ১ লাখ ৩৬ হাজার। একই সঙ্গে এখনও মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসা অব্যাহত রেখেছে। রাতের মধ্যে তা ২ লাখের কাছা-কাছি পৌঁছে যাবে। জেলায় ৫৭৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অর্ধ শত আবাসিক হোটেল, বহুতল ভবন আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি জানান, ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ উপকূলীয় এলাকা জুড়ে মাইকিং করে আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন আনা অব্যাহত রেখেছে।

বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপে ইতিমধ্যে প্রায় সকল মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। যেখানে বর্তমানে ৪ হাজার ৩০৩ জন মানুষ রয়েছে। দ্বীপের ৩৭ টি আশ্রয় কেন্দ্রে তারা অবস্থান নিয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া মানুষকে রান্না করা খাবার প্রদান করা হচ্ছে। প্রস্তুত রয়েছে জরুরী মেডিকেল টিম। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানও অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার দুপুর ২ টার পর থেকে উপকূলে বসবাসকারি মানুষদের মাইকিং করে দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্র যেতে স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতের মূল কেন্দ্র কক্সবাজার। এখানে প্রাণহানি রোধ, ক্ষয়ক্ষতি কমানো, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনসহ অন্যান্য সংস্থার সাথে পুলিশ মাঠে রয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না তাদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো নিশ্চিত করবে পুলিশ।

এদিকে মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। সাগর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট জোয়ারের পানি বেড়েছে। দেশের এক মাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে হালকা বাতাস শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গুড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, দ্বীপের ২ টি সাইক্লোন সেন্টার, স্কুল, আবাসিক প্রতিষ্ঠানসহ ২২ টি দ্বিতল ভবন, ১৩ টি সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ভবন মিলে মোট ৩৭ টি আশ্রয়কেন্দ্রে দ্বীপবাসী অবস্থান নিয়েছেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আশ্রয়কেন্দ্রে কক্সবাজারের ১ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:১৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

অতি প্রবল রূপ ধারণ করে কক্সবাজার উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। এমন পরিস্থিতিতে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতি শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় ঝুঁকিতে থাকা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭০৩ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ।

তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মোখা মোকাবেলায় তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। যারা সাথে গাবাদি পশু অন্যান্য মালামালও নিয়ে এসেছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত এর সংখ্যা ১ লাখ ৩৬ হাজার। একই সঙ্গে এখনও মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসা অব্যাহত রেখেছে। রাতের মধ্যে তা ২ লাখের কাছা-কাছি পৌঁছে যাবে। জেলায় ৫৭৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অর্ধ শত আবাসিক হোটেল, বহুতল ভবন আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি জানান, ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ উপকূলীয় এলাকা জুড়ে মাইকিং করে আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন আনা অব্যাহত রেখেছে।

বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপে ইতিমধ্যে প্রায় সকল মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। যেখানে বর্তমানে ৪ হাজার ৩০৩ জন মানুষ রয়েছে। দ্বীপের ৩৭ টি আশ্রয় কেন্দ্রে তারা অবস্থান নিয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া মানুষকে রান্না করা খাবার প্রদান করা হচ্ছে। প্রস্তুত রয়েছে জরুরী মেডিকেল টিম। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানও অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার দুপুর ২ টার পর থেকে উপকূলে বসবাসকারি মানুষদের মাইকিং করে দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্র যেতে স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতের মূল কেন্দ্র কক্সবাজার। এখানে প্রাণহানি রোধ, ক্ষয়ক্ষতি কমানো, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনসহ অন্যান্য সংস্থার সাথে পুলিশ মাঠে রয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না তাদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো নিশ্চিত করবে পুলিশ।

এদিকে মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। সাগর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট জোয়ারের পানি বেড়েছে। দেশের এক মাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে হালকা বাতাস শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গুড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, দ্বীপের ২ টি সাইক্লোন সেন্টার, স্কুল, আবাসিক প্রতিষ্ঠানসহ ২২ টি দ্বিতল ভবন, ১৩ টি সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ভবন মিলে মোট ৩৭ টি আশ্রয়কেন্দ্রে দ্বীপবাসী অবস্থান নিয়েছেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।