ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

ইয়াবা পকেটে রাখার দায়ে মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তা গ্রেফতার।

(এম কে খোকন) জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

ইয়াবা পকেটে রাখার দায়ে মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তা গ্রেফতার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতে মামলা নিস্পত্তি শেষে আলামতের মাদক ধ্বংস করার সময় পকেটে লুকিয়ে রাখা ইয়াবাসহ মাহমুদুল হাসান নামের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত চত্ত্বরে মাদক ধ্বংস করার আয়োজন চলাকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাহমুদুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী প্রসিকিউটরের দায়িত্বে ছিলেন। তার হেফাজত থেকে ১০২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্ত্বরে নিস্পত্তি হওয়া মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার আয়োজন করা হয়। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। আদালতের মালখানায় জমা থাকা মাদকগুলো ধ্বংস করতে চত্ত্বরে নিয়ে আসা হচ্ছিল। এরমধ্যে ফেনসিডিল, স্কফ, বিয়ার, বিদেশি মদ ও ইয়াবা ছিল। নিয়ে আসার সময় এক প্যাকেট ইয়াবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী প্রসিকিউটর মাহমুদুল হাসান নিজ প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেন। এতে তার প্যান্টের পকেট উঁচু হয়ে থাকায় কাছে আসলে উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের চোখে পড়লে সন্দেহ হয়। ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের মাহমুদুল হাসানকে তল্লাশি করতে বলেন। তল্লাশিতে করে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের পুলিশ পরিদর্শক কাজি দিদারুল আলম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে এই ঘটনায় আদালতের মালখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সেই কর্মকর্তাকে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইয়াবা পকেটে রাখার দায়ে মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তা গ্রেফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

ইয়াবা পকেটে রাখার দায়ে মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তা গ্রেফতার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতে মামলা নিস্পত্তি শেষে আলামতের মাদক ধ্বংস করার সময় পকেটে লুকিয়ে রাখা ইয়াবাসহ মাহমুদুল হাসান নামের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত চত্ত্বরে মাদক ধ্বংস করার আয়োজন চলাকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাহমুদুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী প্রসিকিউটরের দায়িত্বে ছিলেন। তার হেফাজত থেকে ১০২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্ত্বরে নিস্পত্তি হওয়া মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার আয়োজন করা হয়। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। আদালতের মালখানায় জমা থাকা মাদকগুলো ধ্বংস করতে চত্ত্বরে নিয়ে আসা হচ্ছিল। এরমধ্যে ফেনসিডিল, স্কফ, বিয়ার, বিদেশি মদ ও ইয়াবা ছিল। নিয়ে আসার সময় এক প্যাকেট ইয়াবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী প্রসিকিউটর মাহমুদুল হাসান নিজ প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেন। এতে তার প্যান্টের পকেট উঁচু হয়ে থাকায় কাছে আসলে উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের চোখে পড়লে সন্দেহ হয়। ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের মাহমুদুল হাসানকে তল্লাশি করতে বলেন। তল্লাশিতে করে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের পুলিশ পরিদর্শক কাজি দিদারুল আলম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে এই ঘটনায় আদালতের মালখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সেই কর্মকর্তাকে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।